ছবি: নজরবিডি[/caption]
উদ্বোধনী দিনে উপজেলা চত্বরে অবস্থিত পুকুরে ১০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসনিম আক্তার ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেবালা চক্রবর্তী। পরে মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদের মেইন গেট থেকে একটি র্যলী বের হয়ে উপজেলা অডিটোরিয়ামে গিয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেবালা চক্রবর্তী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসনিম আক্তার। গোপালগঞ্জ সদর সহকারী মৎস্য অফিসার মো. সাইয়েদুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার বাহাউদ্দীন শেখ, মুকসুদপুর থানার ওসি (তদন্ত) শীতল চন্দ্র পাল, মৎস্য চাষি দিদারুল আলম রুবেল, অংশবতি বিশ্বাস প্রমুখ।
বক্তারা মৎস্য সম্পদ রক্ষার জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন। তারা বলেন, কারেন্ট জাল ব্যবহার ও অবৈধভাবে মাছ শিকার করার ফলে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির মুখে পড়ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অবৈধভাবে মাছ ধরা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে জানান পুলিশের প্রতিনিধিরা।
এ সময় স্থানীয় জেলে ও মাছ উৎপাদনকারী ব্যবসায়ীদের দেশীয় মাছ চাষে আরও উৎসাহিত করার আহ্বান জানানো হয়। উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রজনন মৌসুমে মাছ রক্ষায় গত তিন মাসে জেলায় একাধিক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অবৈধ জাল ধ্বংস করা হয়েছে।
আলোচনা সভা শেষে মৎস্য চাষে বিশেষ অবদান রাখায় দিদারুল আলম রুবেল ও আরিফুল ইসলাম নয়নকে বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৫
ছবি: নজরবিডি[/caption]
উদ্বোধনী দিনে উপজেলা চত্বরে অবস্থিত পুকুরে ১০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসনিম আক্তার ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেবালা চক্রবর্তী। পরে মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদের মেইন গেট থেকে একটি র্যলী বের হয়ে উপজেলা অডিটোরিয়ামে গিয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেবালা চক্রবর্তী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসনিম আক্তার। গোপালগঞ্জ সদর সহকারী মৎস্য অফিসার মো. সাইয়েদুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার বাহাউদ্দীন শেখ, মুকসুদপুর থানার ওসি (তদন্ত) শীতল চন্দ্র পাল, মৎস্য চাষি দিদারুল আলম রুবেল, অংশবতি বিশ্বাস প্রমুখ।
বক্তারা মৎস্য সম্পদ রক্ষার জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন। তারা বলেন, কারেন্ট জাল ব্যবহার ও অবৈধভাবে মাছ শিকার করার ফলে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির মুখে পড়ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অবৈধভাবে মাছ ধরা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে জানান পুলিশের প্রতিনিধিরা।
এ সময় স্থানীয় জেলে ও মাছ উৎপাদনকারী ব্যবসায়ীদের দেশীয় মাছ চাষে আরও উৎসাহিত করার আহ্বান জানানো হয়। উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রজনন মৌসুমে মাছ রক্ষায় গত তিন মাসে জেলায় একাধিক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অবৈধ জাল ধ্বংস করা হয়েছে।
আলোচনা সভা শেষে মৎস্য চাষে বিশেষ অবদান রাখায় দিদারুল আলম রুবেল ও আরিফুল ইসলাম নয়নকে বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। 
আপনার মতামত লিখুন