আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গ্যানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশীপ বিভাগের শিক্ষার্থী আয়ান আব্দুল্লাহ।
মাস্টারদা সূর্যসেন হলের এই শিক্ষার্থী ২০১৯-২০ সেশনের। প্রার্থীতা ঘোষণা করে আয়ান বলেন,
“মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতিকে পথ দেখিয়েছে। অন্যায়, অনিয়ম ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে যুগে যুগে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আপোষহীন সংগ্রাম করেছে। আমি চাই সেই অঙ্গীকারের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে।”
তিনি আরও যোগ করেন,
“মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে আরও বেগবান ও গ্রহণযোগ্য করতে আমি আপনাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে চাই। আসন্ন ডাকসু নির্বাচনে আমি সকলের সমর্থন, সহযোগিতা ও দোয়া প্রত্যাশা করছি।”
প্রার্থীতা ঘোষণার পর থেকেই ক্যাম্পাসে শুরু হয়েছে আলোচনা। শিক্ষার্থীদের একাংশ মনে করছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাকে তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা কার্যকর হতে পারে।
ডাকসু নির্বাচনের আগামীর লড়াইয়ে তাই নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিত্বকারী এই তরুণ প্রার্থীকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিশেষ আগ্রহ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৫
আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গ্যানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশীপ বিভাগের শিক্ষার্থী আয়ান আব্দুল্লাহ।
মাস্টারদা সূর্যসেন হলের এই শিক্ষার্থী ২০১৯-২০ সেশনের। প্রার্থীতা ঘোষণা করে আয়ান বলেন,
“মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতিকে পথ দেখিয়েছে। অন্যায়, অনিয়ম ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে যুগে যুগে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আপোষহীন সংগ্রাম করেছে। আমি চাই সেই অঙ্গীকারের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে।”
তিনি আরও যোগ করেন,
“মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে আরও বেগবান ও গ্রহণযোগ্য করতে আমি আপনাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে চাই। আসন্ন ডাকসু নির্বাচনে আমি সকলের সমর্থন, সহযোগিতা ও দোয়া প্রত্যাশা করছি।”
প্রার্থীতা ঘোষণার পর থেকেই ক্যাম্পাসে শুরু হয়েছে আলোচনা। শিক্ষার্থীদের একাংশ মনে করছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাকে তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা কার্যকর হতে পারে।
ডাকসু নির্বাচনের আগামীর লড়াইয়ে তাই নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিত্বকারী এই তরুণ প্রার্থীকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিশেষ আগ্রহ।

আপনার মতামত লিখুন