বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নির্বাচন কমিশনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের সীমানা নির্ধারণ নিয়ে শুনানির সময় ঘটে যাওয়া সংঘর্ষের বিষয়ে কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, শুনানির সময় তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
রোববার (২৪ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনে সীমানা নিয়ে শুনানির সময় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। রুমিন বলেন,
“আমি যেহেতু একজন আইনজীবী, আমি নিজেই আমার কেস প্রেজেন্ট করেছি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে দেখি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের প্রার্থী সদলবলে ২০-২৫ জন নিয়ে গুন্ডামি করেছেন। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং কমিশনের গাম্ভীর্যের সঙ্গে বেমানান।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন:
“আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। যে বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য গত ১৫ বছর লড়াই করেছি, তারাই আজ আমাকে ধাক্কা দিচ্ছে। নির্বাচনের আগে নিজের দলের মধ্যে এমন আচরণ হলে, নির্বাচনে কী হবে?”
রুমিন ফারহানা ২০০৮ সালের আগের সীমানায় ফিরে যাওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন:
“ফ্যাসিস্ট সরকার তাদের সুবিধামতো সীমানা পরিবর্তন করেছে। আমরা সেই সীমানা মানি না। ২০০৮ সালের আগের সীমানায় ফিরে যাওয়া উচিত।”
তিনি তিনটি ইউনিয়ন (বুদন্তি, চাঁদপুরা ও হরশপুর) সরাইলের সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব দেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন:
রুমিন আরও বলেন,
“একজন পাঞ্জাবি পরা ব্যক্তি আমাকে ধাক্কা দিয়েছে। আমি একজন মহিলা, আমার লোকজন চুপ করে থাকবে না। পরে যখন আমার লোকজনকে মারধর করা হয়েছে, তারা জবাব দিয়েছে।”
রুমিন ফারহানা বলেন,
“নির্বাচনের আগে সীমানা নিয়ে যদি এমন আচরণ দেখি, তাহলে নির্বাচনের সময় কী হবে? এমন আচরণ বিএনপির সম্মানের জন্য লজ্জাজনক।”
তিনি নির্বাচন কমিশনের সুষ্ঠু কার্যক্রম ও দলের মধ্যে শৃঙ্খলা রক্ষার আহ্বান জানান।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৫
বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নির্বাচন কমিশনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের সীমানা নির্ধারণ নিয়ে শুনানির সময় ঘটে যাওয়া সংঘর্ষের বিষয়ে কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, শুনানির সময় তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
রোববার (২৪ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনে সীমানা নিয়ে শুনানির সময় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। রুমিন বলেন,
“আমি যেহেতু একজন আইনজীবী, আমি নিজেই আমার কেস প্রেজেন্ট করেছি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে দেখি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের প্রার্থী সদলবলে ২০-২৫ জন নিয়ে গুন্ডামি করেছেন। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং কমিশনের গাম্ভীর্যের সঙ্গে বেমানান।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন:
“আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। যে বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য গত ১৫ বছর লড়াই করেছি, তারাই আজ আমাকে ধাক্কা দিচ্ছে। নির্বাচনের আগে নিজের দলের মধ্যে এমন আচরণ হলে, নির্বাচনে কী হবে?”
রুমিন ফারহানা ২০০৮ সালের আগের সীমানায় ফিরে যাওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন:
“ফ্যাসিস্ট সরকার তাদের সুবিধামতো সীমানা পরিবর্তন করেছে। আমরা সেই সীমানা মানি না। ২০০৮ সালের আগের সীমানায় ফিরে যাওয়া উচিত।”
তিনি তিনটি ইউনিয়ন (বুদন্তি, চাঁদপুরা ও হরশপুর) সরাইলের সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব দেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন:
রুমিন আরও বলেন,
“একজন পাঞ্জাবি পরা ব্যক্তি আমাকে ধাক্কা দিয়েছে। আমি একজন মহিলা, আমার লোকজন চুপ করে থাকবে না। পরে যখন আমার লোকজনকে মারধর করা হয়েছে, তারা জবাব দিয়েছে।”
রুমিন ফারহানা বলেন,
“নির্বাচনের আগে সীমানা নিয়ে যদি এমন আচরণ দেখি, তাহলে নির্বাচনের সময় কী হবে? এমন আচরণ বিএনপির সম্মানের জন্য লজ্জাজনক।”
তিনি নির্বাচন কমিশনের সুষ্ঠু কার্যক্রম ও দলের মধ্যে শৃঙ্খলা রক্ষার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন