রাজধানীর তুরাগ ও উত্তরার কাঁচা বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম লাগামছাড়া। সরবরাহ ঘাটতির অজুহাতে পাইকারি থেকে খুচরা—সবজির বাজারে চড়া দামেই কেনাবেচা চলছে। দু’সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে পাইকারি আড়ত ও বিকেলে বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সবজিই ৮০ টাকার ওপরে বিক্রি চলছে। পটল পাইকারিতে ৭০ টাকা, খুচরায় ১০০ টাকা; বেগুন পাইকারিতে ৭০/৮০ টাকা, খুচরায় ১০০/১৩০ টাকা; করলা ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, কাঁচামরিচ ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, টমেটো ১৮০/২০০ টাকা, গাজর ৮০/৯০ টাকা, বরবটি ৯০/১১০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, আগাম শিম ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাউ বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ১০০ থেকে ১১০ টাকা।
গৃহিণী ও ক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, আগের মতো তিন-চার ধরনের সবজি কেনা এখন আর সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে এক-দু’টি সবজিতেই সীমাবদ্ধ থাকতে হচ্ছে। চাকরিজীবী ক্রেতারা বলছেন, বেতনের টাকাই বাজারে গলে যাচ্ছে—পরিবার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারিতেই দাম বেশি। তাই খুচরায়ও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। অন্যদিকে আড়ৎদারদের দাবি, আবহাওয়ার তারতম্য ও সরবরাহ কম থাকায় বাজার চড়া। বৃষ্টিতে অনেক ফসল নষ্ট হয়েছে, ফলে সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। শীতের সবজি বাজারে আসতে এক থেকে দেড় মাস সময় লাগবে।
সবজির পাশাপাশি চাল, আটা-ময়দা, ডাল, চিনি ও তেলের দামও বেড়েছে। খোলা আটা ৫০ টাকা, খোলা ময়দা ৫৫ টাকা, প্যাকেটজাত আটা ১০০/১১০ টাকা এবং প্যাকেটজাত ময়দা ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মিনিকেট চাল ৮৫ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।
ভোক্তারা বলছেন, কার্যকর মনিটরিংয়ের অভাবেই এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আড়ৎদার, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের সিন্ডিকেট করে দাম নিয়ন্ত্রণ করছে। সাধারণ মানুষ পড়েছে চরম ভোগান্তিতে।
তুরাগ ও উত্তরার সর্বস্তরের মানুষ প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা, বাণিজ্য উপদেষ্টা ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
রাজধানীর তুরাগ ও উত্তরার কাঁচা বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম লাগামছাড়া। সরবরাহ ঘাটতির অজুহাতে পাইকারি থেকে খুচরা—সবজির বাজারে চড়া দামেই কেনাবেচা চলছে। দু’সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে পাইকারি আড়ত ও বিকেলে বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সবজিই ৮০ টাকার ওপরে বিক্রি চলছে। পটল পাইকারিতে ৭০ টাকা, খুচরায় ১০০ টাকা; বেগুন পাইকারিতে ৭০/৮০ টাকা, খুচরায় ১০০/১৩০ টাকা; করলা ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, কাঁচামরিচ ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, টমেটো ১৮০/২০০ টাকা, গাজর ৮০/৯০ টাকা, বরবটি ৯০/১১০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, আগাম শিম ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাউ বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ১০০ থেকে ১১০ টাকা।
গৃহিণী ও ক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, আগের মতো তিন-চার ধরনের সবজি কেনা এখন আর সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে এক-দু’টি সবজিতেই সীমাবদ্ধ থাকতে হচ্ছে। চাকরিজীবী ক্রেতারা বলছেন, বেতনের টাকাই বাজারে গলে যাচ্ছে—পরিবার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারিতেই দাম বেশি। তাই খুচরায়ও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। অন্যদিকে আড়ৎদারদের দাবি, আবহাওয়ার তারতম্য ও সরবরাহ কম থাকায় বাজার চড়া। বৃষ্টিতে অনেক ফসল নষ্ট হয়েছে, ফলে সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। শীতের সবজি বাজারে আসতে এক থেকে দেড় মাস সময় লাগবে।
সবজির পাশাপাশি চাল, আটা-ময়দা, ডাল, চিনি ও তেলের দামও বেড়েছে। খোলা আটা ৫০ টাকা, খোলা ময়দা ৫৫ টাকা, প্যাকেটজাত আটা ১০০/১১০ টাকা এবং প্যাকেটজাত ময়দা ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মিনিকেট চাল ৮৫ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।
ভোক্তারা বলছেন, কার্যকর মনিটরিংয়ের অভাবেই এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আড়ৎদার, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের সিন্ডিকেট করে দাম নিয়ন্ত্রণ করছে। সাধারণ মানুষ পড়েছে চরম ভোগান্তিতে।
তুরাগ ও উত্তরার সর্বস্তরের মানুষ প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা, বাণিজ্য উপদেষ্টা ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন