ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’র সদস্য সচিব হাজী মোস্তফা জ্জামান বলেছেন, তুরাগের তারারটেক এলাকায় আর কোনো ধরনের মাদক ব্যবসা বা সেবন চলবে না। “আজকের পর থেকে মাদক ব্যবসায়ী কিংবা সেবনকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। মাদকের বিরুদ্ধে আমি জিরো টলারেন্স ঘোষণা করছি,”—শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজ শেষে স্থানীয় মুসল্লিদের নিয়ে আয়োজিত মাদকবিরোধী আলোচনা সমাবেশে তিনি এ ঘোষণা দেন।
তিনি আরও বলেন, “মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, দখলবাজি, ছিনতাইসহ কোনো অসামাজিক কর্মকাণ্ড আর চলবে না। কেউ এ ধরনের কাজে জড়ালে তাদের হাত-পা ভেঙে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে।”

সমাবেশে বিএনপি নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীও একমত পোষণ করে বলেন, তারারটেক এলাকায় আর কোনোভাবেই মাদক বেচাকেনা বা আড্ডা চলতে দেওয়া হবে না।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তারারটেক, ডিয়াবাড়ি, নলভোগ, চন্ডালভোগ, কামারপাড়া, রানাভোলা, ফুলবাড়িয়া, নয়ানগরসহ তুরাগের বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসা ও মাদকাসক্তদের আড্ডা বেড়ে গেছে। এতে শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজ বিপথগামী হচ্ছে।

তুরাগ থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম জানান, “আজ থেকেই তারারটেক এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করছি। সে যে দলেরই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে চিরুনি অভিযান চালানো হবে।”
৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট সুরুজ্জামান বলেন, “মাদক একটি জাতির মূল শেকড় নষ্ট করে দেয়। প্রশাসনকে দ্রুত সময়ের মধ্যে মাদক ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।”
সমাবেশ শেষে তারারটেক মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডিয়াবাড়ি গিয়ে শেষ হয়। এতে শত শত মুসল্লি, স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। হাতে থাকা ব্যানারে লেখা ছিল— “মাদক ও নেশা জাতীয় অপকর্ম থেকে যুব সমাজকে রক্ষার জন্য মুসল্লিদের উদ্যোগে প্রতিবাদ মিছিল।”
প্রতিবাদ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন তুরাগ থানা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. হারুন-রশীদ খোকা, বিএনপি নেতা মো. আলী আহমেদ, মো. রিপন মিয়া, জামায়াতে ইসলামী তুরাগ মধ্য থানার আমীর গাজী মনির হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’র সদস্য সচিব হাজী মোস্তফা জ্জামান বলেছেন, তুরাগের তারারটেক এলাকায় আর কোনো ধরনের মাদক ব্যবসা বা সেবন চলবে না। “আজকের পর থেকে মাদক ব্যবসায়ী কিংবা সেবনকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। মাদকের বিরুদ্ধে আমি জিরো টলারেন্স ঘোষণা করছি,”—শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজ শেষে স্থানীয় মুসল্লিদের নিয়ে আয়োজিত মাদকবিরোধী আলোচনা সমাবেশে তিনি এ ঘোষণা দেন।
তিনি আরও বলেন, “মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, দখলবাজি, ছিনতাইসহ কোনো অসামাজিক কর্মকাণ্ড আর চলবে না। কেউ এ ধরনের কাজে জড়ালে তাদের হাত-পা ভেঙে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে।”

সমাবেশে বিএনপি নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীও একমত পোষণ করে বলেন, তারারটেক এলাকায় আর কোনোভাবেই মাদক বেচাকেনা বা আড্ডা চলতে দেওয়া হবে না।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তারারটেক, ডিয়াবাড়ি, নলভোগ, চন্ডালভোগ, কামারপাড়া, রানাভোলা, ফুলবাড়িয়া, নয়ানগরসহ তুরাগের বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসা ও মাদকাসক্তদের আড্ডা বেড়ে গেছে। এতে শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজ বিপথগামী হচ্ছে।

তুরাগ থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম জানান, “আজ থেকেই তারারটেক এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করছি। সে যে দলেরই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে চিরুনি অভিযান চালানো হবে।”
৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট সুরুজ্জামান বলেন, “মাদক একটি জাতির মূল শেকড় নষ্ট করে দেয়। প্রশাসনকে দ্রুত সময়ের মধ্যে মাদক ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।”
সমাবেশ শেষে তারারটেক মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডিয়াবাড়ি গিয়ে শেষ হয়। এতে শত শত মুসল্লি, স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। হাতে থাকা ব্যানারে লেখা ছিল— “মাদক ও নেশা জাতীয় অপকর্ম থেকে যুব সমাজকে রক্ষার জন্য মুসল্লিদের উদ্যোগে প্রতিবাদ মিছিল।”
প্রতিবাদ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন তুরাগ থানা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. হারুন-রশীদ খোকা, বিএনপি নেতা মো. আলী আহমেদ, মো. রিপন মিয়া, জামায়াতে ইসলামী তুরাগ মধ্য থানার আমীর গাজী মনির হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

আপনার মতামত লিখুন