গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে গণসংযোগ কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী তিনি কাশালিয়া ইউনিয়ন ও মুকসুদপুর পৌরসভায় পৃথক পৃথক জনসভায় অংশ নেন।
বিকেলে মুকসুদপুর সদর থেকে মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে কাশালিয়া পৌঁছালে কাশালিয়া নতুন বাজারে মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক শাহাবুদ্দীন মিয়ার নেতৃত্বে শতশত কর্মী ও সমর্থক বাদ্যযন্ত্র, ফুলেল মালা ও স্লোগানে স্লোগানে তাকে বরণ করে নেন। পরে তিনি বিশাল কর্মী-সমর্থক নিয়ে কাশালিয়ার সমাবেশে যোগ দেন।
কাশালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে অনুষ্ঠিত কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেন, তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আগামীর বাংলাদেশ তারেক রহমান বিগত ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরশাসক হাসিনার বিরুদ্ধে যে আন্দোলন শুরু করেছিলেন, ফ্যাসিস্ট বিদায়ের পরেও সে ষড়যন্ত্র থেমে নেই। তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, নিজেদের মাঝে ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে চলতে হবে।
কাশালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সমাবেশ শেষে সেলিমুজ্জামান সেলিম মুকসুদপুর পৌরসভায় ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে সদস্য সংগ্রহ ও পরিচিতি সভায় যোগ দেন। মুকসুদপুর পৌরসভার সদর ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত এ সভায় তিনি বলেন, একটি দল এদেশে ফ্যাসিজম কায়েম করে ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করেছিল। যারা দেশ থেকে পালিয়েছে তাদের আর ফিরে আসার কোনো সম্ভাবনা নেই। স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে আগামী নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রার্থীকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মুকসুদপুর পৌর বিএনপির ৬ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মো. রুস্তম মোল্লার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এ কে আসাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম খান, সাধারণ সম্পাদক তারেকুল ইসলাম রাজু, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল কাইয়ূম শরীফ, পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল বাশার টুলটু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইকরাম হোসেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান স্বপন প্রমুখ।
পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিন্টু অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। দুটি অনুষ্ঠানের পর সমাবেশে আগত নেতাকর্মীদের জন্য ইউনিয়ন বিএনপি ও পৌর বিএনপির পক্ষ থেকে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয় এবং রাতে খাবার পরিবেশন করা হয়।
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে গণসংযোগ কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী তিনি কাশালিয়া ইউনিয়ন ও মুকসুদপুর পৌরসভায় পৃথক পৃথক জনসভায় অংশ নেন।
বিকেলে মুকসুদপুর সদর থেকে মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে কাশালিয়া পৌঁছালে কাশালিয়া নতুন বাজারে মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক শাহাবুদ্দীন মিয়ার নেতৃত্বে শতশত কর্মী ও সমর্থক বাদ্যযন্ত্র, ফুলেল মালা ও স্লোগানে স্লোগানে তাকে বরণ করে নেন। পরে তিনি বিশাল কর্মী-সমর্থক নিয়ে কাশালিয়ার সমাবেশে যোগ দেন।
কাশালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে অনুষ্ঠিত কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেন, তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আগামীর বাংলাদেশ তারেক রহমান বিগত ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরশাসক হাসিনার বিরুদ্ধে যে আন্দোলন শুরু করেছিলেন, ফ্যাসিস্ট বিদায়ের পরেও সে ষড়যন্ত্র থেমে নেই। তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, নিজেদের মাঝে ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে চলতে হবে।
কাশালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সমাবেশ শেষে সেলিমুজ্জামান সেলিম মুকসুদপুর পৌরসভায় ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে সদস্য সংগ্রহ ও পরিচিতি সভায় যোগ দেন। মুকসুদপুর পৌরসভার সদর ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত এ সভায় তিনি বলেন, একটি দল এদেশে ফ্যাসিজম কায়েম করে ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করেছিল। যারা দেশ থেকে পালিয়েছে তাদের আর ফিরে আসার কোনো সম্ভাবনা নেই। স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে আগামী নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রার্থীকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মুকসুদপুর পৌর বিএনপির ৬ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মো. রুস্তম মোল্লার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এ কে আসাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম খান, সাধারণ সম্পাদক তারেকুল ইসলাম রাজু, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল কাইয়ূম শরীফ, পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল বাশার টুলটু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইকরাম হোসেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান স্বপন প্রমুখ।
পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিন্টু অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। দুটি অনুষ্ঠানের পর সমাবেশে আগত নেতাকর্মীদের জন্য ইউনিয়ন বিএনপি ও পৌর বিএনপির পক্ষ থেকে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয় এবং রাতে খাবার পরিবেশন করা হয়।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন