খুলনার ডুমুরিয়ায় গর্ভবতী মা ও শিশুর পুষ্টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়।
ডুমুরিয়া উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ইভা মালিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বারটান-এর ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক সোনিয়া শরমিন। প্রশিক্ষণে শিক্ষক-শিক্ষিকা, তথ্যসেবা সহকারী, সাংবাদিক, ইমাম, পুরোহিত ও এনজিও কর্মীসহ ৩০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।
প্রশিক্ষণে ফলিত পুষ্টি বিষয়ে নানা দিক আলোচনা করা হয়। প্রধান অতিথি সোনিয়া শরমিন বলেন, মানবজীবন ভ্রূণ হিসেবে শুরু হয় এবং মায়ের খাদ্য ও পুষ্টির ওপর শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশ নির্ভর করে। ভ্রূণের প্রথম দিন থেকে শিশুর দুই বছর বয়স পর্যন্ত সময়কে সোনালী এক হাজার দিন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সময় শিশুর ব্রেনের ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি ঘটে, তাই এ সময়ে পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে নারীর পুষ্টি চাহিদা বৃদ্ধি পায়। এজন্য প্রতিদিন গর্ভবতী ও স্তন্যদাত্রী মাকে পর্যাপ্ত পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, কলিজা, ঘন ডাল, গাঢ় সবুজ শাক-সবজি ও মৌসুমি ফল নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
এছাড়া আয়রন ও ফলিক এসিড সমৃদ্ধ খাবার যেমন— মাংস, মাছ, ডিম, শাক-সবজি ও আস্ত দানাদার খাদ্য খাওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে আয়রন সমৃদ্ধ শাকসবজির সাথে ভিটামিন-সি জাতীয় খাবার খেলে শরীরে আয়রনের শোষণ বাড়ে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
খুলনার ডুমুরিয়ায় গর্ভবতী মা ও শিশুর পুষ্টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়।
ডুমুরিয়া উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ইভা মালিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বারটান-এর ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক সোনিয়া শরমিন। প্রশিক্ষণে শিক্ষক-শিক্ষিকা, তথ্যসেবা সহকারী, সাংবাদিক, ইমাম, পুরোহিত ও এনজিও কর্মীসহ ৩০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।
প্রশিক্ষণে ফলিত পুষ্টি বিষয়ে নানা দিক আলোচনা করা হয়। প্রধান অতিথি সোনিয়া শরমিন বলেন, মানবজীবন ভ্রূণ হিসেবে শুরু হয় এবং মায়ের খাদ্য ও পুষ্টির ওপর শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশ নির্ভর করে। ভ্রূণের প্রথম দিন থেকে শিশুর দুই বছর বয়স পর্যন্ত সময়কে সোনালী এক হাজার দিন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সময় শিশুর ব্রেনের ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি ঘটে, তাই এ সময়ে পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে নারীর পুষ্টি চাহিদা বৃদ্ধি পায়। এজন্য প্রতিদিন গর্ভবতী ও স্তন্যদাত্রী মাকে পর্যাপ্ত পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, কলিজা, ঘন ডাল, গাঢ় সবুজ শাক-সবজি ও মৌসুমি ফল নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
এছাড়া আয়রন ও ফলিক এসিড সমৃদ্ধ খাবার যেমন— মাংস, মাছ, ডিম, শাক-সবজি ও আস্ত দানাদার খাদ্য খাওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে আয়রন সমৃদ্ধ শাকসবজির সাথে ভিটামিন-সি জাতীয় খাবার খেলে শরীরে আয়রনের শোষণ বাড়ে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন