গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:
শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট থেকেই বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী।
তিনি বলেন, “তখন অনেক বাঙালি সেনা অফিসার জিয়াউর রহমানকে বলেছিলেন, স্যার, আপনি বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন, কিন্তু আপনার স্ত্রী-সন্তান তো ব্যারাকে রয়েছে। আমরা তাদের নিয়ে আসি?” তখন জিয়াউর রহমান উত্তর দিয়েছিলেন— “আপনাদের স্ত্রী-সন্তানকে যদি আনতে না পারেন, আমার স্ত্রী-সন্তানদেরও আনতে হবে না। আমি তাদের মহান আল্লাহর হেফাজতে ছেড়ে দিয়েছি।” এস এম জিলানীর মতে, খালেদা জিয়া সত্যিই মহান সৃষ্টিকর্তার হেফাজতেই রক্ষা পেয়েছিলেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সাধারণত রাজনীতিবিদরা দিয়ে থাকেন। কিন্তু ১৯৭১ সালে অনেক রাজনৈতিক নেতা ঘোষণা দেননি। বরং অনেকে ঘরে ঘুমিয়েছিলেন কিংবা ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এমনকি শেখ মুজিবুর রহমানকেও স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে বলা হলেও তিনি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার ভয়ে তা করেননি। তখনই জিয়াউর রহমান জীবন বাজি রেখে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
এস এম জিলানী বলেন, “সেদিনই আমি জিয়াউর রহমানকে ভালোবেসেছিলাম। কারণ তিনি ছিলেন সাহসী ও আত্মত্যাগী সেনানায়ক।”
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো দল চিরদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে না। আওয়ামী লীগ ১৭ বছর ক্ষমতায় থাকার পর বিদায় নিয়েছে, বিএনপি ক্ষমতায় আসতে পারে, আবার অন্য দলও আসবে— এটাই গণতন্ত্রের ধারা।
শনিবার দুপুরে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমি হলরুমে মহিলা দলের উপজেলা ও পৌর কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত কর্মিসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কোটালীপাড়া মহিলা দলের আহ্বায়ক সাবিনা আক্তার। প্রধান বক্তা ছিলেন গোপালগঞ্জ মহিলা দলের সভানেত্রী রওশন আরা রন্তা। বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:
শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট থেকেই বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী।
তিনি বলেন, “তখন অনেক বাঙালি সেনা অফিসার জিয়াউর রহমানকে বলেছিলেন, স্যার, আপনি বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন, কিন্তু আপনার স্ত্রী-সন্তান তো ব্যারাকে রয়েছে। আমরা তাদের নিয়ে আসি?” তখন জিয়াউর রহমান উত্তর দিয়েছিলেন— “আপনাদের স্ত্রী-সন্তানকে যদি আনতে না পারেন, আমার স্ত্রী-সন্তানদেরও আনতে হবে না। আমি তাদের মহান আল্লাহর হেফাজতে ছেড়ে দিয়েছি।” এস এম জিলানীর মতে, খালেদা জিয়া সত্যিই মহান সৃষ্টিকর্তার হেফাজতেই রক্ষা পেয়েছিলেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সাধারণত রাজনীতিবিদরা দিয়ে থাকেন। কিন্তু ১৯৭১ সালে অনেক রাজনৈতিক নেতা ঘোষণা দেননি। বরং অনেকে ঘরে ঘুমিয়েছিলেন কিংবা ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এমনকি শেখ মুজিবুর রহমানকেও স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে বলা হলেও তিনি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার ভয়ে তা করেননি। তখনই জিয়াউর রহমান জীবন বাজি রেখে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
এস এম জিলানী বলেন, “সেদিনই আমি জিয়াউর রহমানকে ভালোবেসেছিলাম। কারণ তিনি ছিলেন সাহসী ও আত্মত্যাগী সেনানায়ক।”
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো দল চিরদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে না। আওয়ামী লীগ ১৭ বছর ক্ষমতায় থাকার পর বিদায় নিয়েছে, বিএনপি ক্ষমতায় আসতে পারে, আবার অন্য দলও আসবে— এটাই গণতন্ত্রের ধারা।
শনিবার দুপুরে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমি হলরুমে মহিলা দলের উপজেলা ও পৌর কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত কর্মিসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কোটালীপাড়া মহিলা দলের আহ্বায়ক সাবিনা আক্তার। প্রধান বক্তা ছিলেন গোপালগঞ্জ মহিলা দলের সভানেত্রী রওশন আরা রন্তা। বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন