জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্তে গতি আনতে চায় বিএনপি
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি তাদের শরিক ও মিত্র দলগুলোর সঙ্গে আসন সমঝোতা ও প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে চাইছে। স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোকে দ্রুত মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকা দিতে বলা হবে, যাতে অনিশ্চয়তা দূর করে মাঠপর্যায়ে প্রচার ও সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করা যায়।
বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে একাধিক শরিক ও জোটের প্রধানকে মৌখিকভাবে তালিকা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের অন্যতম শরিক ১২-দলীয় জোটের প্রধান মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে। মনোনয়নের ব্যাপারে আমরা কয়েক দিনের মধ্যে বসব।’
গণতন্ত্র মঞ্চের শরিক দল নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমরা মনে করি, নির্বাচনে কৌশল ঠিক করা জরুরি। কাদের বিরুদ্ধে লড়ব, কোন সমীকরণে লড়ব—এসব ঠিক করার পরই প্রার্থীর তালিকা হবে।’
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যুগপৎ আন্দোলনের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে ইতিমধ্যে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি জানান, নির্বাচনের কৌশল ও সংস্কার বাস্তবায়ন ইস্যুতে শিগগিরই বৈঠক হবে।
বিএনপির পক্ষ থেকে গণতন্ত্র মঞ্চ ও বামপন্থী দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্বে রয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও ইকবাল হাসান মাহমুদ। ইসলামপন্থীসহ অন্যান্য দলের সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্বে আছেন নজরুল ইসলাম খান, আবদুল আউয়াল মিন্টু ও বরকতউল্লা (বুলু)।
স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ঘিরে ‘এই সময়’ পত্রিকায় প্রকাশিত একটি সাক্ষাৎকার নিয়েও আলোচনা হয়। বৈঠকে মির্জা ফখরুল জানান, ওই সাক্ষাৎকারে যে কথাগুলো তাঁর নামে এসেছে, তিনি সেভাবে বলেননি। দলের পক্ষ থেকে রাতেই বিবৃতি দিয়ে সাক্ষাৎকারটিকে ‘ডাহা মিথ্যা ও মনগড়া’ বলে আখ্যায়িত করা হয়।
বিএনপি নেতারা মনে করছেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কল্পিত সাক্ষাৎকার প্রকাশ করে দল ও মহাসচিবকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্তে গতি আনতে চায় বিএনপি
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি তাদের শরিক ও মিত্র দলগুলোর সঙ্গে আসন সমঝোতা ও প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে চাইছে। স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোকে দ্রুত মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকা দিতে বলা হবে, যাতে অনিশ্চয়তা দূর করে মাঠপর্যায়ে প্রচার ও সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করা যায়।
বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে একাধিক শরিক ও জোটের প্রধানকে মৌখিকভাবে তালিকা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের অন্যতম শরিক ১২-দলীয় জোটের প্রধান মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে। মনোনয়নের ব্যাপারে আমরা কয়েক দিনের মধ্যে বসব।’
গণতন্ত্র মঞ্চের শরিক দল নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমরা মনে করি, নির্বাচনে কৌশল ঠিক করা জরুরি। কাদের বিরুদ্ধে লড়ব, কোন সমীকরণে লড়ব—এসব ঠিক করার পরই প্রার্থীর তালিকা হবে।’
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যুগপৎ আন্দোলনের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে ইতিমধ্যে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি জানান, নির্বাচনের কৌশল ও সংস্কার বাস্তবায়ন ইস্যুতে শিগগিরই বৈঠক হবে।
বিএনপির পক্ষ থেকে গণতন্ত্র মঞ্চ ও বামপন্থী দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্বে রয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও ইকবাল হাসান মাহমুদ। ইসলামপন্থীসহ অন্যান্য দলের সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্বে আছেন নজরুল ইসলাম খান, আবদুল আউয়াল মিন্টু ও বরকতউল্লা (বুলু)।
স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ঘিরে ‘এই সময়’ পত্রিকায় প্রকাশিত একটি সাক্ষাৎকার নিয়েও আলোচনা হয়। বৈঠকে মির্জা ফখরুল জানান, ওই সাক্ষাৎকারে যে কথাগুলো তাঁর নামে এসেছে, তিনি সেভাবে বলেননি। দলের পক্ষ থেকে রাতেই বিবৃতি দিয়ে সাক্ষাৎকারটিকে ‘ডাহা মিথ্যা ও মনগড়া’ বলে আখ্যায়িত করা হয়।
বিএনপি নেতারা মনে করছেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কল্পিত সাক্ষাৎকার প্রকাশ করে দল ও মহাসচিবকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন