রাজনৈতিক সংস্কার ও নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, “আমরা কয়েকটি দল টেবিলের চারদিকে বসে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করব—এই দায়িত্ব আমাদের কে দিয়েছে?”
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর রমনায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে ‘সংস্কার ও নির্বাচন: প্রেক্ষিত জাতীয় ঐক্য’ শীর্ষক সেমিনারে সমাপনী বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।ডেমোক্রেসি ডায়াস বাংলাদেশ এ সেমিনারের আয়োজন করে।আমীর খসরু বলেন, অভ্যুত্থান-পরবর্তী যেসব দেশ দ্রুত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরেছে, তারা এগিয়েছে; আর যেখানে নির্বাচন বিলম্বিত হয়েছে, সেখানে সামাজিক বিভক্তি ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে ,তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৬ বছর এবং গত ১৪ মাস ধরে বাংলাদেশে প্রতিনিধিত্বশীল সরকার অনুপস্থিত।
জনগণের কাছে দায়বদ্ধ ও জবাবদিহিমূলক সরকার গঠনের দাবি জানান তিনি।বিএনপির পক্ষ থেকে আগেই ‘ভিশন–২০৩০’, ২৭ দফা ও ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল উল্লেখ করে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কমিশন বা ঐকমত্য কমিশন নিয়ে বিএনপির আপত্তি নেই। তবে এসব সংস্কার শেষ পর্যন্ত জনগণের কাছে অনুমোদনের জন্য নিতে হবে।“আজকে যদি আমরা সবাই একমত হয়ে যাই, আর জনগণ যদি ম্যান্ডেট না দেয়, তখন কী হবে?”—প্রশ্ন করেন তিনি।বিএনপি নেতা বলেন, জনগণের কাছে দলকে আগামী বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখাতে হবে। ম্যান্ডেট পেলে প্রথম ১৮ মাসে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান, বিনা মূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির কৌশলসহ নানা কর্মসূচি বিএনপি প্রস্তুত করেছে।“শুধু রাজনীতির গণতন্ত্রায়ণ নয়, অর্থনীতিরও গণতন্ত্রায়ণ জরুরি”—বলেন আমীর খসরু।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পিআর (সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতির নির্বাচনের নেতিবাচক দিক তুলে ধরেন ডেমোক্রেসি ডায়াস বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন।এছাড়া নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ রাজনীতিকরা বক্তব্য দেন।
সুশীল সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, আসিফ মোহাম্মদ শাহান, এস এম শামীম রেজা, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মওদুদ হোসেন আলমগীর বক্তব্য দেন।সাংবাদিক, বিশ্লেষক, কণ্ঠশিল্পী ও অভিনেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
রাজনৈতিক সংস্কার ও নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, “আমরা কয়েকটি দল টেবিলের চারদিকে বসে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করব—এই দায়িত্ব আমাদের কে দিয়েছে?”
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর রমনায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে ‘সংস্কার ও নির্বাচন: প্রেক্ষিত জাতীয় ঐক্য’ শীর্ষক সেমিনারে সমাপনী বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।ডেমোক্রেসি ডায়াস বাংলাদেশ এ সেমিনারের আয়োজন করে।আমীর খসরু বলেন, অভ্যুত্থান-পরবর্তী যেসব দেশ দ্রুত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরেছে, তারা এগিয়েছে; আর যেখানে নির্বাচন বিলম্বিত হয়েছে, সেখানে সামাজিক বিভক্তি ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে ,তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৬ বছর এবং গত ১৪ মাস ধরে বাংলাদেশে প্রতিনিধিত্বশীল সরকার অনুপস্থিত।
জনগণের কাছে দায়বদ্ধ ও জবাবদিহিমূলক সরকার গঠনের দাবি জানান তিনি।বিএনপির পক্ষ থেকে আগেই ‘ভিশন–২০৩০’, ২৭ দফা ও ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল উল্লেখ করে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কমিশন বা ঐকমত্য কমিশন নিয়ে বিএনপির আপত্তি নেই। তবে এসব সংস্কার শেষ পর্যন্ত জনগণের কাছে অনুমোদনের জন্য নিতে হবে।“আজকে যদি আমরা সবাই একমত হয়ে যাই, আর জনগণ যদি ম্যান্ডেট না দেয়, তখন কী হবে?”—প্রশ্ন করেন তিনি।বিএনপি নেতা বলেন, জনগণের কাছে দলকে আগামী বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখাতে হবে। ম্যান্ডেট পেলে প্রথম ১৮ মাসে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান, বিনা মূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির কৌশলসহ নানা কর্মসূচি বিএনপি প্রস্তুত করেছে।“শুধু রাজনীতির গণতন্ত্রায়ণ নয়, অর্থনীতিরও গণতন্ত্রায়ণ জরুরি”—বলেন আমীর খসরু।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পিআর (সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতির নির্বাচনের নেতিবাচক দিক তুলে ধরেন ডেমোক্রেসি ডায়াস বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন।এছাড়া নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ রাজনীতিকরা বক্তব্য দেন।
সুশীল সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, আসিফ মোহাম্মদ শাহান, এস এম শামীম রেজা, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মওদুদ হোসেন আলমগীর বক্তব্য দেন।সাংবাদিক, বিশ্লেষক, কণ্ঠশিল্পী ও অভিনেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন