নজর বিডি

জনদূর্ভোগে মুখ ফিরিয়ে থাকা নেতাদের জবাবদিহি চায় খিলক্ষেতবাসী

জনদূর্ভোগে মুখ ফিরিয়ে থাকা নেতাদের জবাবদিহি চায় খিলক্ষেতবাসী

ফুটপাত দখল, চাঁদাবাজি, বখাটেদের উৎপাত—অব্যবস্থাপনায় অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ।

  রাজধানীর অন্যতম সম্ভাবনাময় এলাকা খিলক্ষেত। পূর্বাচলের প্রবেশদ্বার এই ঘনবসতিপূর্ণ জনপদে প্রতিদিন বাড়ছে জনসংখ্যা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও নাগরিক চাহিদা। কিন্তু উন্নয়নের নামে এখানে চলছে অব্যবস্থাপনা, চাঁদাবাজির দৌরাত্ম্য ও রাজনীতির নামে তামাশা। খিলক্ষেতবাসীর চাওয়া খুব সাধারণ—নিরাপদ চলাচলের সুযোগ, ন্যায্য হারে পণ্য কেনার স্বাধীনতা এবং দালাল-বখাটেদের দৌরাত্ম্য থেকে মুক্তি। কিন্তু তার বদলে তারা পাচ্ছে রাজনৈতিক নেতাদের নির্বিকার আচরণ ও প্রশাসনিক নীরবতা। ফুটপাত দখল, বাজারে চাঁদাবাজি, অটোরিকশা থেকে মাসোহারা, নারী-শিশুদের চলাচলে হয়রানি—এসব এখন প্রতিদিনের দৃশ্য। এ অবস্থার পেছনে রয়েছে কিছু তথাকথিত রাজনৈতিক কর্মী, যারা জনগণের প্রতিনিধি দাবি করলেও আসলে ভোগ করছে সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর ক্ষমতা। জনসেবার পরিবর্তে রাজনীতি পরিণত হয়েছে জনভীতির উৎসে। ভোটার তালিকায় নাম নেই, জনগণের সাথে সম্পৃক্ততাও নেই—এমন একদল বাহিনী এলাকায় দাপট দেখাচ্ছে স্থানীয় নেতাদের প্রশ্রয়ে। জনগণ প্রশ্ন তুলছে—খিলক্ষেতের উন্নয়ন কোথায়? রাস্তার পাশে ময়লার ভাগাড়, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেই, বখাটেদের উৎপাত বাড়ছে, বাজারে চাঁদাবাজি চলছে। অথচ নেতারা ব্যস্ত নিজেদের ব্যানার-ফেস্টুনে, প্রশাসন ব্যস্ত ফাইল ঘোরাতে। খিলক্ষেতবাসী এখন হুঁশ ফেরানোর রাজনীতি চায়। তারা প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব পদক্ষেপ চায়; ভয়ভীতি নয়, নিরাপদ চলাফেরার নিশ্চয়তা চায়। জনগণ স্পষ্ট করে দিচ্ছে—সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর খিলক্ষেতে চলবে না। নেতারা যদি জনগণের পাশে না দাঁড়ান, তবে আগামী নির্বাচনে জনগণই দেখিয়ে দেবে আসল মালিক কারা। রাজনীতি যদি মানুষের কল্যাণে কাজে না লাগে, তবে খিলক্ষেত হয়ে উঠবে অব্যবস্থাপনার প্রতীক। তাই স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বকে এখনই সজাগ হতে হবে। জনবিচ্ছিন্ন, দুর্বৃত্তপোষণকারী রাজনীতির দিন শেষ। খিলক্ষেতবাসী চায় কাজের মানুষ, চায় মানবিক রাজনীতি।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


জনদূর্ভোগে মুখ ফিরিয়ে থাকা নেতাদের জবাবদিহি চায় খিলক্ষেতবাসী

প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image

ফুটপাত দখল, চাঁদাবাজি, বখাটেদের উৎপাত—অব্যবস্থাপনায় অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ।

  রাজধানীর অন্যতম সম্ভাবনাময় এলাকা খিলক্ষেত। পূর্বাচলের প্রবেশদ্বার এই ঘনবসতিপূর্ণ জনপদে প্রতিদিন বাড়ছে জনসংখ্যা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও নাগরিক চাহিদা। কিন্তু উন্নয়নের নামে এখানে চলছে অব্যবস্থাপনা, চাঁদাবাজির দৌরাত্ম্য ও রাজনীতির নামে তামাশা। খিলক্ষেতবাসীর চাওয়া খুব সাধারণ—নিরাপদ চলাচলের সুযোগ, ন্যায্য হারে পণ্য কেনার স্বাধীনতা এবং দালাল-বখাটেদের দৌরাত্ম্য থেকে মুক্তি। কিন্তু তার বদলে তারা পাচ্ছে রাজনৈতিক নেতাদের নির্বিকার আচরণ ও প্রশাসনিক নীরবতা। ফুটপাত দখল, বাজারে চাঁদাবাজি, অটোরিকশা থেকে মাসোহারা, নারী-শিশুদের চলাচলে হয়রানি—এসব এখন প্রতিদিনের দৃশ্য। এ অবস্থার পেছনে রয়েছে কিছু তথাকথিত রাজনৈতিক কর্মী, যারা জনগণের প্রতিনিধি দাবি করলেও আসলে ভোগ করছে সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর ক্ষমতা। জনসেবার পরিবর্তে রাজনীতি পরিণত হয়েছে জনভীতির উৎসে। ভোটার তালিকায় নাম নেই, জনগণের সাথে সম্পৃক্ততাও নেই—এমন একদল বাহিনী এলাকায় দাপট দেখাচ্ছে স্থানীয় নেতাদের প্রশ্রয়ে। জনগণ প্রশ্ন তুলছে—খিলক্ষেতের উন্নয়ন কোথায়? রাস্তার পাশে ময়লার ভাগাড়, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেই, বখাটেদের উৎপাত বাড়ছে, বাজারে চাঁদাবাজি চলছে। অথচ নেতারা ব্যস্ত নিজেদের ব্যানার-ফেস্টুনে, প্রশাসন ব্যস্ত ফাইল ঘোরাতে। খিলক্ষেতবাসী এখন হুঁশ ফেরানোর রাজনীতি চায়। তারা প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব পদক্ষেপ চায়; ভয়ভীতি নয়, নিরাপদ চলাফেরার নিশ্চয়তা চায়। জনগণ স্পষ্ট করে দিচ্ছে—সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর খিলক্ষেতে চলবে না। নেতারা যদি জনগণের পাশে না দাঁড়ান, তবে আগামী নির্বাচনে জনগণই দেখিয়ে দেবে আসল মালিক কারা। রাজনীতি যদি মানুষের কল্যাণে কাজে না লাগে, তবে খিলক্ষেত হয়ে উঠবে অব্যবস্থাপনার প্রতীক। তাই স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বকে এখনই সজাগ হতে হবে। জনবিচ্ছিন্ন, দুর্বৃত্তপোষণকারী রাজনীতির দিন শেষ। খিলক্ষেতবাসী চায় কাজের মানুষ, চায় মানবিক রাজনীতি।

নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত