ঢাকার আজিমপুরের দায়রাশরিফ এলাকায় সাবেক সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের মালিকানাধীন বাসভবন ঘিরে রেখেছে যৌথবাহিনী। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে হঠাৎ করেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ভবনটি ঘেরাও করে। এ সময় পুরো এলাকায় কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়।
বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, ‘গুলশানারা মাসুদা টাওয়ার’ নামের এই ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিংয়ের একটি গোপন কক্ষ থেকে ছয়টি বিলাসবহুল গাড়ি উদ্ধার করেছে যৌথবাহিনী। উদ্ধার করা গাড়িগুলোর মধ্যে একটি সংসদ সদস্যের লোগো সংবলিত গাড়িও রয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযানের সময় ভবনের ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গাড়িগুলোর মালিকানা বা উৎস সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে তিনি ব্যর্থ হন।
তবে তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। অভিযানের কারণ ও উদ্ধার করা গাড়ির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্যও পাওয়া যায়নি।
অভিযানকে কেন্দ্র করে আজিমপুর দায়রাশরিফ এলাকার স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়। তারা ভবনের বাইরে অবস্থান করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
ঢাকার আজিমপুরের দায়রাশরিফ এলাকায় সাবেক সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের মালিকানাধীন বাসভবন ঘিরে রেখেছে যৌথবাহিনী। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে হঠাৎ করেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ভবনটি ঘেরাও করে। এ সময় পুরো এলাকায় কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়।
বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, ‘গুলশানারা মাসুদা টাওয়ার’ নামের এই ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিংয়ের একটি গোপন কক্ষ থেকে ছয়টি বিলাসবহুল গাড়ি উদ্ধার করেছে যৌথবাহিনী। উদ্ধার করা গাড়িগুলোর মধ্যে একটি সংসদ সদস্যের লোগো সংবলিত গাড়িও রয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযানের সময় ভবনের ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গাড়িগুলোর মালিকানা বা উৎস সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে তিনি ব্যর্থ হন।
তবে তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। অভিযানের কারণ ও উদ্ধার করা গাড়ির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্যও পাওয়া যায়নি।
অভিযানকে কেন্দ্র করে আজিমপুর দায়রাশরিফ এলাকার স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়। তারা ভবনের বাইরে অবস্থান করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন