প্রতিদিন এই ব্রিজ দিয়ে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, চাকরিজীবীসহ শত শত মানুষ যাতায়াত করেন। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যেও বিকল্প পথ না থাকায় বাধ্য হয়েই তাদের ব্রিজটি ব্যবহার করতে হচ্ছে।
খিলক্ষেত বনরূপা এলাকার বাসিন্দা মো. আলম বলেন, “ব্রিজটার দিকে তাকালেই ভয় লাগে। সবাই জানে এটি বিপজ্জনক, কিন্তু কেউ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।”
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছুদিন আগে একটি অতিরিক্ত বোঝাই ট্রাক ব্রিজের নিচের পিলারে ধাক্কা দিলে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর থেকেই ব্রিজটির একটি অংশ নিচের দিকে হেলে পড়তে থাকে।
এক দোকানদার বলেন, “আমরা সামনেই দোকান চালাই, চোখের সামনে দেখি ব্রিজটা কাঁপে। বড় কিছু ঘটলে মুহূর্তেই ধসে পড়বে।”
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন এ ব্রিজটির বিষয়ে এখনো কোনো সংস্কার বা মেরামতের উদ্যোগ দেখা যায়নি। স্থানীয় কাউন্সিলর বা ওয়ার্ড অফিস থেকেও সতর্কতামূলক ব্যানার বা নির্দেশনা ঝোলানো হয়নি।
একজন পথচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যদি রাজধানীর ফুটওভার ব্রিজই এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকে, তাহলে নাগরিক নিরাপত্তা কোথায়?”
নির্মাণ প্রকৌশল বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো ফুটওভার ব্রিজ হেলে গেলে বা কাঠামোগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটি তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে পরীক্ষা ও সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত এ ব্রিজটি মেরামত বা প্রতিস্থাপন করে নিরাপদ ও টেকসই ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তারা সতর্ক করেছেন—আর দেরি হলে প্রাণহানির মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে, যার দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে।
১মাসের মধ্যে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে জানান সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রিতেশ বড়ুয়া।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৫
প্রতিদিন এই ব্রিজ দিয়ে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, চাকরিজীবীসহ শত শত মানুষ যাতায়াত করেন। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যেও বিকল্প পথ না থাকায় বাধ্য হয়েই তাদের ব্রিজটি ব্যবহার করতে হচ্ছে।
খিলক্ষেত বনরূপা এলাকার বাসিন্দা মো. আলম বলেন, “ব্রিজটার দিকে তাকালেই ভয় লাগে। সবাই জানে এটি বিপজ্জনক, কিন্তু কেউ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।”
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছুদিন আগে একটি অতিরিক্ত বোঝাই ট্রাক ব্রিজের নিচের পিলারে ধাক্কা দিলে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর থেকেই ব্রিজটির একটি অংশ নিচের দিকে হেলে পড়তে থাকে।
এক দোকানদার বলেন, “আমরা সামনেই দোকান চালাই, চোখের সামনে দেখি ব্রিজটা কাঁপে। বড় কিছু ঘটলে মুহূর্তেই ধসে পড়বে।”
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন এ ব্রিজটির বিষয়ে এখনো কোনো সংস্কার বা মেরামতের উদ্যোগ দেখা যায়নি। স্থানীয় কাউন্সিলর বা ওয়ার্ড অফিস থেকেও সতর্কতামূলক ব্যানার বা নির্দেশনা ঝোলানো হয়নি।
একজন পথচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যদি রাজধানীর ফুটওভার ব্রিজই এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকে, তাহলে নাগরিক নিরাপত্তা কোথায়?”
নির্মাণ প্রকৌশল বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো ফুটওভার ব্রিজ হেলে গেলে বা কাঠামোগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটি তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে পরীক্ষা ও সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত এ ব্রিজটি মেরামত বা প্রতিস্থাপন করে নিরাপদ ও টেকসই ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তারা সতর্ক করেছেন—আর দেরি হলে প্রাণহানির মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে, যার দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে।
১মাসের মধ্যে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে জানান সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রিতেশ বড়ুয়া।

আপনার মতামত লিখুন