নজর বিডি

‘ধানের শীষ নিয়ে অযথা টানাটানি কেন?’ — প্রশ্ন মির্জা ফখরুলের

‘ধানের শীষ নিয়ে অযথা টানাটানি কেন?’ — প্রশ্ন মির্জা ফখরুলের
“কিছু ব্যক্তি বা দল হুমকি দিচ্ছে, বলছে অমুক মার্কা না দিলে নির্বাচনে যাবে না, কিংবা ওমুকের মার্কা থাকা চলবে না। কিন্তু আমরা তো বলিনি যে তোমাদের মার্কা দেওয়া যাবে না।   স্টাফ রিপোর্টার - মোঃ নিয়ামুল ইসলাম  বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে অযথা টানাটানি করা হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “আমরা তো কারও নির্বাচনী প্রতীকে বাধা দিইনি, তাহলে ধানের শীষ নিয়ে এত টানাটানি কেন?” রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদের ৩৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে শহীদ জেহাদ স্মৃতি সংসদ।ফখরুলের এ মন্তব্য আসে এমন সময়ে, যখন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও নির্বাচন কমিশন (ইসি)-এর মধ্যে প্রতীক নিয়ে বিরোধ দেখা দিয়েছে। এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারী সম্প্রতি দাবি করেছেন, তাদেরকে ‘শাপলা’ প্রতীক দিতে হবে, না হলে ‘ধানের শীষ’‘সোনালি আঁশ’ প্রতীক বাদ দিতে হবে। তবে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যেই এনসিপির এ দাবি নাকচ করেছে। এ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, “কিছু ব্যক্তি বা দল হুমকি দিচ্ছে, বলছে অমুক মার্কা না দিলে নির্বাচনে যাবে না, কিংবা ওমুকের মার্কা থাকা চলবে না। কিন্তু আমরা তো বলিনি যে তোমাদের মার্কা দেওয়া যাবে না। তাহলে বিএনপির ধানের শীষ নিয়ে এত হুমকি-ধমকি কেন?”বিএনপির এই নেতা বলেন, “ধানের শীষকে রোখা যায় না। দেশের প্রতিটি গ্রামেগঞ্জে এখন একটাই স্লোগান—ধান লাগাও, ধান লাগাও। আর এ কারণেই ধানের শীষকে ভয় পায় তারা। কারণ, ধানের শীষ জিতলে বাংলাদেশের শত্রুরা পরাজিত হয়।” শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে ফখরুল বলেন, “দানব শেখ হাসিনা এমনি এমনি দিল্লি পালায়নি, পালাতে বাধ্য হয়েছে। কারণ, আমরা ১৫ বছর লড়াই–সংগ্রাম করে, রক্ত দিয়ে সেই ভিত্তি তৈরি করেছি।” তিনি আরও বলেন, “গণতন্ত্র কোনো কয়েক দিনের আন্দোলনে আসে না। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ত্যাগ, পরিশ্রম, এবং জনগণের সঙ্গে সংযোগ জরুরি। বিএনপি সেই দল, যারা জনগণের কাছে গিয়ে গণতন্ত্রের লড়াই করে।”বর্তমান প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন, “আমলাতন্ত্রকে একটি দলের পকেটে ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। আমরা তা সহ্য করব না। নির্বাচনকালে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে।”সভাপতির বক্তব্যে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানুল্লাহ আমান শহীদ জেহাদের স্মৃতিচারণা করে বলেন, “জেহাদের লাশ অপরাজেয় বাংলার সামনে রেখে আমরা শপথ নিয়েছিলাম স্বৈরাচার পতনের। শেষ পর্যন্ত আমরা সেই লড়াইয়ে সফল হয়েছিলাম।”অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন। সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনসহ অনেকে। নজর/বিএনপি/শাপলা/ধানের/শীষ/২৫ 

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


‘ধানের শীষ নিয়ে অযথা টানাটানি কেন?’ — প্রশ্ন মির্জা ফখরুলের

প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৫

featured Image
“কিছু ব্যক্তি বা দল হুমকি দিচ্ছে, বলছে অমুক মার্কা না দিলে নির্বাচনে যাবে না, কিংবা ওমুকের মার্কা থাকা চলবে না। কিন্তু আমরা তো বলিনি যে তোমাদের মার্কা দেওয়া যাবে না।   স্টাফ রিপোর্টার - মোঃ নিয়ামুল ইসলাম  বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে অযথা টানাটানি করা হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “আমরা তো কারও নির্বাচনী প্রতীকে বাধা দিইনি, তাহলে ধানের শীষ নিয়ে এত টানাটানি কেন?” রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদের ৩৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে শহীদ জেহাদ স্মৃতি সংসদ।ফখরুলের এ মন্তব্য আসে এমন সময়ে, যখন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও নির্বাচন কমিশন (ইসি)-এর মধ্যে প্রতীক নিয়ে বিরোধ দেখা দিয়েছে। এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারী সম্প্রতি দাবি করেছেন, তাদেরকে ‘শাপলা’ প্রতীক দিতে হবে, না হলে ‘ধানের শীষ’‘সোনালি আঁশ’ প্রতীক বাদ দিতে হবে। তবে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যেই এনসিপির এ দাবি নাকচ করেছে। এ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, “কিছু ব্যক্তি বা দল হুমকি দিচ্ছে, বলছে অমুক মার্কা না দিলে নির্বাচনে যাবে না, কিংবা ওমুকের মার্কা থাকা চলবে না। কিন্তু আমরা তো বলিনি যে তোমাদের মার্কা দেওয়া যাবে না। তাহলে বিএনপির ধানের শীষ নিয়ে এত হুমকি-ধমকি কেন?”বিএনপির এই নেতা বলেন, “ধানের শীষকে রোখা যায় না। দেশের প্রতিটি গ্রামেগঞ্জে এখন একটাই স্লোগান—ধান লাগাও, ধান লাগাও। আর এ কারণেই ধানের শীষকে ভয় পায় তারা। কারণ, ধানের শীষ জিতলে বাংলাদেশের শত্রুরা পরাজিত হয়।” শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে ফখরুল বলেন, “দানব শেখ হাসিনা এমনি এমনি দিল্লি পালায়নি, পালাতে বাধ্য হয়েছে। কারণ, আমরা ১৫ বছর লড়াই–সংগ্রাম করে, রক্ত দিয়ে সেই ভিত্তি তৈরি করেছি।” তিনি আরও বলেন, “গণতন্ত্র কোনো কয়েক দিনের আন্দোলনে আসে না। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ত্যাগ, পরিশ্রম, এবং জনগণের সঙ্গে সংযোগ জরুরি। বিএনপি সেই দল, যারা জনগণের কাছে গিয়ে গণতন্ত্রের লড়াই করে।”বর্তমান প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন, “আমলাতন্ত্রকে একটি দলের পকেটে ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। আমরা তা সহ্য করব না। নির্বাচনকালে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে।”সভাপতির বক্তব্যে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানুল্লাহ আমান শহীদ জেহাদের স্মৃতিচারণা করে বলেন, “জেহাদের লাশ অপরাজেয় বাংলার সামনে রেখে আমরা শপথ নিয়েছিলাম স্বৈরাচার পতনের। শেষ পর্যন্ত আমরা সেই লড়াইয়ে সফল হয়েছিলাম।”অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন। সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনসহ অনেকে। নজর/বিএনপি/শাপলা/ধানের/শীষ/২৫ 

নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত