মনির হোসেন জীবন, বিশেষ সংবাদদাতা
তারিখ: ২৫ অক্টোবর ২০২৫
রাজধানীর তুরাগ থানার বাউনিয়া মাদবরবাড়ি (সরকারবাড়ি) এলাকায় দীর্ঘ প্রায় এক বছর ধরে নোংরা পানি ও জলাবদ্ধতার কারণে চরম দুর্ভোগে ভুগছেন অর্ধশতাধিক পরিবার। ড্রেনেজ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ায় বাসাবাড়ির টয়লেট ও গোসলের পানি রাস্তায় উঠে দুর্গন্ধযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। রাস্তার ওপর পলিথিন ও আবর্জনার স্তুপ পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলেছে।
সরেজমিন বুধবার (২২ অক্টোবর) ঘুরে দেখা যায়—ড্রেনের নোংরা পানি রাস্তায় জমে বছরের পর বছর স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করেছে। দক্ষিণ পাশে সারিসারি বালুর বস্তা ফেলে পথচারীরা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। শিক্ষার্থী, নারী-শিশু ও প্রবীণদের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুস সালাম বলেন—“স্কুল-কলেজের শিশুদের প্রতিদিন নোংরা পানি মাড়িয়ে যেতে হয়। কারো গায়ে পানি ছিটে পড়ে, চুলকানি ও চর্মরোগ দেখা দিয়েছে।”
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ—আনোয়ার হোসেন, রেজাউল করিম, সায়েদ আহমেদ ও সিরাজুল গংসহ কিছু বাড়ির মালিক সরাসরি বাথরুমের পানি রাস্তায় ফেলছেন। স্যুয়ারেজ লাইনের অব্যবস্থাপনায় পরিবেশ দূষণ বাড়ছে।
স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ—ড্রেনের লাইনের নামে একটি চক্র বেশ কিছু বাড়ির মালিকের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে, কিন্তু কাজ হয়নি।
এ রুটে দিন-রাত হাজারো মানুষ চলাচল করেন। রিকশা, ভ্যান ও ছোট যানবাহন চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
গর্তে যান আটকে ছোটখাটো দুর্ঘটনা লেগেই আছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে—এই নোংরা পানিতে কলেরা, টাইফয়েড, ডায়রিয়া, আমাশয়, হেপাটাইটিস–এ ও চর্মরোগসহ বিভিন্ন সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
জলাবদ্ধতা নিরসনে ২০২৪ সালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (ডিএনসিসি) লিখিত অভিযোগ জানানো হয়। জোনাল নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তিনি ভুক্তভোগীদের জানিয়েছিলেন—“বাজেট হলে সড়ক সংস্কার করা হবে।” কিন্তু নাগরিক দুর্ভোগ আজও রয়ে গেছে।
বাউনিয়া এলাকার জনগণ জরুরি ভিত্তিতে
?ড্রেনেজ সিস্টেম পুনঃনির্মাণ
?রাস্তা সংস্কার
?পলিথিন-ময়লা অপসারণ
এবং সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
তাদের আহ্বান—প্রধান উপদেষ্টা, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা, পরিবেশ উপদেষ্টা, এলজিইডি ও ডিএনসিসি দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৫
মনির হোসেন জীবন, বিশেষ সংবাদদাতা
তারিখ: ২৫ অক্টোবর ২০২৫
রাজধানীর তুরাগ থানার বাউনিয়া মাদবরবাড়ি (সরকারবাড়ি) এলাকায় দীর্ঘ প্রায় এক বছর ধরে নোংরা পানি ও জলাবদ্ধতার কারণে চরম দুর্ভোগে ভুগছেন অর্ধশতাধিক পরিবার। ড্রেনেজ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ায় বাসাবাড়ির টয়লেট ও গোসলের পানি রাস্তায় উঠে দুর্গন্ধযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। রাস্তার ওপর পলিথিন ও আবর্জনার স্তুপ পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলেছে।
সরেজমিন বুধবার (২২ অক্টোবর) ঘুরে দেখা যায়—ড্রেনের নোংরা পানি রাস্তায় জমে বছরের পর বছর স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করেছে। দক্ষিণ পাশে সারিসারি বালুর বস্তা ফেলে পথচারীরা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। শিক্ষার্থী, নারী-শিশু ও প্রবীণদের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুস সালাম বলেন—“স্কুল-কলেজের শিশুদের প্রতিদিন নোংরা পানি মাড়িয়ে যেতে হয়। কারো গায়ে পানি ছিটে পড়ে, চুলকানি ও চর্মরোগ দেখা দিয়েছে।”
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ—আনোয়ার হোসেন, রেজাউল করিম, সায়েদ আহমেদ ও সিরাজুল গংসহ কিছু বাড়ির মালিক সরাসরি বাথরুমের পানি রাস্তায় ফেলছেন। স্যুয়ারেজ লাইনের অব্যবস্থাপনায় পরিবেশ দূষণ বাড়ছে।
স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ—ড্রেনের লাইনের নামে একটি চক্র বেশ কিছু বাড়ির মালিকের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে, কিন্তু কাজ হয়নি।
এ রুটে দিন-রাত হাজারো মানুষ চলাচল করেন। রিকশা, ভ্যান ও ছোট যানবাহন চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
গর্তে যান আটকে ছোটখাটো দুর্ঘটনা লেগেই আছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে—এই নোংরা পানিতে কলেরা, টাইফয়েড, ডায়রিয়া, আমাশয়, হেপাটাইটিস–এ ও চর্মরোগসহ বিভিন্ন সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
জলাবদ্ধতা নিরসনে ২০২৪ সালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (ডিএনসিসি) লিখিত অভিযোগ জানানো হয়। জোনাল নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তিনি ভুক্তভোগীদের জানিয়েছিলেন—“বাজেট হলে সড়ক সংস্কার করা হবে।” কিন্তু নাগরিক দুর্ভোগ আজও রয়ে গেছে।
বাউনিয়া এলাকার জনগণ জরুরি ভিত্তিতে
?ড্রেনেজ সিস্টেম পুনঃনির্মাণ
?রাস্তা সংস্কার
?পলিথিন-ময়লা অপসারণ
এবং সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
তাদের আহ্বান—প্রধান উপদেষ্টা, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা, পরিবেশ উপদেষ্টা, এলজিইডি ও ডিএনসিসি দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।

আপনার মতামত লিখুন