সোমবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় শহরের শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে বাটার মোড়ে এসে শেষ হয়।
জেলা সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়া মণ্ডলের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আমীর ও জয়পুরহাট-১ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ফজলুর রহমান সাইদ। এ সময় জয়পুরহাট-২ আসনের মনোনীত প্রার্থী এস এম রাশেদুল আলম সবুজ, জেলা সহকারী সেক্রেটারি হাসিবুল আলম লিটন, অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ, অফিস সেক্রেটারি মাওলানা আনোয়ার হোসেন, জেলা পেশাজীবী সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানসহ সংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফজলুর রহমান সাইদ বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ভিত্তিতে নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট আয়োজন করতে হবে। গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই দিনে হলে তা জাতির সঙ্গে তামাশা ছাড়া আর কিছুই হবে না। জনগণ আর কোনো প্রহসনের নির্বাচন মেনে নেবে না।”
বক্তারা আরও বলেন, পি.আর ছাড়া নির্বাচন জাতিকে আবারও স্বৈরাচারের দিকে ঠেলে দেবে। জুলাই সনদ উপেক্ষা করা মানে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা। জনগণ রঙের নয়, শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন চায়।
সমাবেশ শেষে বর্ণাঢ্য মিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে বিভিন্ন উপজেলা ও ওয়ার্ড থেকে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৫
সোমবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় শহরের শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে বাটার মোড়ে এসে শেষ হয়।
জেলা সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়া মণ্ডলের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আমীর ও জয়পুরহাট-১ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ফজলুর রহমান সাইদ। এ সময় জয়পুরহাট-২ আসনের মনোনীত প্রার্থী এস এম রাশেদুল আলম সবুজ, জেলা সহকারী সেক্রেটারি হাসিবুল আলম লিটন, অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ, অফিস সেক্রেটারি মাওলানা আনোয়ার হোসেন, জেলা পেশাজীবী সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানসহ সংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফজলুর রহমান সাইদ বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ভিত্তিতে নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট আয়োজন করতে হবে। গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই দিনে হলে তা জাতির সঙ্গে তামাশা ছাড়া আর কিছুই হবে না। জনগণ আর কোনো প্রহসনের নির্বাচন মেনে নেবে না।”
বক্তারা আরও বলেন, পি.আর ছাড়া নির্বাচন জাতিকে আবারও স্বৈরাচারের দিকে ঠেলে দেবে। জুলাই সনদ উপেক্ষা করা মানে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা। জনগণ রঙের নয়, শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন চায়।
সমাবেশ শেষে বর্ণাঢ্য মিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে বিভিন্ন উপজেলা ও ওয়ার্ড থেকে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন