শনিবার (১ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে মুক্তিযুদ্ধ দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের যে ঘোষণা দিয়েছেন, আমরা তাতে একমত। তবে নির্বাচনের আগে আলাদা করে গণভোট আয়োজন সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়— এটি কেবল নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করার অপচেষ্টা।”
তিনি প্রস্তাব করেন, যদি গণভোট করতেই হয়, তবে সেটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই হওয়া উচিত— “একটি ব্যালটে সংসদ সদস্য নির্বাচনের ভোট, আরেকটি ব্যালটে গণভোট।”
বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করে বলেন, “একটি মহল নির্বাচন বিলম্বিত করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।”
সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, “বিএনপি একটি সংস্কারপন্থী দল। জনগণের ম্যান্ডেট পেলে আমরা সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনব এবং গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনব।”
জুলাই জাতীয় সনদের সুপারিশমালা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “ঐকমত্য কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। বিএনপি মূল সনদে স্বাক্ষর করলেও আমাদের দেওয়া ‘নোট অব ডিসেন্ট’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।”
তিনি জানান, নির্বাচনে জয়ী হলে বিএনপি মিত্রদের সঙ্গে নিয়ে একটি জাতীয় সরকার গঠন করবে।
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, “সেদিন শহীদ জিয়া দেশের দায়িত্ব নিয়ে বাংলাদেশকে রক্ষা করেছিলেন। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন, গণমাধ্যমকে মুক্ত করেন, মুক্তবাজার অর্থনীতির সূচনা করেন এবং গার্মেন্টস শিল্প ও বৈদেশিক রেমিট্যান্সের ভিত্তি তৈরি করেন।”
তিনি সতর্ক করে বলেন, “স্বৈরাচারী শাসনের অবসান হলেও বিপদ পুরোপুরি কাটেনি। যারা দেশ ধ্বংসের চক্রান্ত করছে, তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।”
ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, “বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিদেশি হস্তক্ষেপ জনগণ মেনে নেবে না। শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী বিচার মোকাবিলা করতেই হবে।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৫
শনিবার (১ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে মুক্তিযুদ্ধ দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের যে ঘোষণা দিয়েছেন, আমরা তাতে একমত। তবে নির্বাচনের আগে আলাদা করে গণভোট আয়োজন সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়— এটি কেবল নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করার অপচেষ্টা।”
তিনি প্রস্তাব করেন, যদি গণভোট করতেই হয়, তবে সেটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই হওয়া উচিত— “একটি ব্যালটে সংসদ সদস্য নির্বাচনের ভোট, আরেকটি ব্যালটে গণভোট।”
বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করে বলেন, “একটি মহল নির্বাচন বিলম্বিত করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।”
সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, “বিএনপি একটি সংস্কারপন্থী দল। জনগণের ম্যান্ডেট পেলে আমরা সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনব এবং গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনব।”
জুলাই জাতীয় সনদের সুপারিশমালা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “ঐকমত্য কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। বিএনপি মূল সনদে স্বাক্ষর করলেও আমাদের দেওয়া ‘নোট অব ডিসেন্ট’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।”
তিনি জানান, নির্বাচনে জয়ী হলে বিএনপি মিত্রদের সঙ্গে নিয়ে একটি জাতীয় সরকার গঠন করবে।
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, “সেদিন শহীদ জিয়া দেশের দায়িত্ব নিয়ে বাংলাদেশকে রক্ষা করেছিলেন। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন, গণমাধ্যমকে মুক্ত করেন, মুক্তবাজার অর্থনীতির সূচনা করেন এবং গার্মেন্টস শিল্প ও বৈদেশিক রেমিট্যান্সের ভিত্তি তৈরি করেন।”
তিনি সতর্ক করে বলেন, “স্বৈরাচারী শাসনের অবসান হলেও বিপদ পুরোপুরি কাটেনি। যারা দেশ ধ্বংসের চক্রান্ত করছে, তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।”
ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, “বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিদেশি হস্তক্ষেপ জনগণ মেনে নেবে না। শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী বিচার মোকাবিলা করতেই হবে।”

আপনার মতামত লিখুন