জনসংযোগকালে রেন্টু ও তাঁর সমর্থকরা শহরের প্রধান প্রধান পয়েন্ট চৌরঙ্গী, কোর্ট চত্বর, উকিলপাড়া, গেটপাড়া এলাকা অতিক্রম করে স্থানীয়দের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পরে গোহাটা বটতলায় প্রচার কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘটে। পুরো সময়জুড়ে বিএনপির বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী তাঁর সঙ্গে ছিলেন।
জনসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের সামনে মুশফিকুর রহমান রেন্টু দলের প্রতি তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন,
“আমরা বিএনপির বাইরে নই। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং মহাসচিব মহোদয় প্রাথমিকভাবে ২৩৭টি আসনে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন।”
তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে জানান, দল যাকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করবে, তাঁর পক্ষেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন। তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন, তাঁর পরিবারের রাজনৈতিক ইতিহাস—
তাঁর বাবা ছিলেন এমএলএ, বড় ভাই হাফিজুর রহমান পলু মিয়া পৌরসভার চেয়ারম্যান। আরও দুই ভাই হাবিবুর রহমান কাবির ও সাইফুর রহমান নান্টু গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন এবং এই দুটি আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
রেন্টু বলেন,
“দল যাকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেবে, আমরা সকলে মিলে তার পক্ষেই কাজ করবো।”
তাঁর এই বক্তব্য স্থানীয় নেতাকর্মীদের জন্য আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকার একটি স্পষ্ট বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫
জনসংযোগকালে রেন্টু ও তাঁর সমর্থকরা শহরের প্রধান প্রধান পয়েন্ট চৌরঙ্গী, কোর্ট চত্বর, উকিলপাড়া, গেটপাড়া এলাকা অতিক্রম করে স্থানীয়দের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পরে গোহাটা বটতলায় প্রচার কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘটে। পুরো সময়জুড়ে বিএনপির বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী তাঁর সঙ্গে ছিলেন।
জনসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের সামনে মুশফিকুর রহমান রেন্টু দলের প্রতি তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন,
“আমরা বিএনপির বাইরে নই। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং মহাসচিব মহোদয় প্রাথমিকভাবে ২৩৭টি আসনে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন।”
তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে জানান, দল যাকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করবে, তাঁর পক্ষেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন। তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন, তাঁর পরিবারের রাজনৈতিক ইতিহাস—
তাঁর বাবা ছিলেন এমএলএ, বড় ভাই হাফিজুর রহমান পলু মিয়া পৌরসভার চেয়ারম্যান। আরও দুই ভাই হাবিবুর রহমান কাবির ও সাইফুর রহমান নান্টু গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন এবং এই দুটি আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
রেন্টু বলেন,
“দল যাকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেবে, আমরা সকলে মিলে তার পক্ষেই কাজ করবো।”
তাঁর এই বক্তব্য স্থানীয় নেতাকর্মীদের জন্য আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকার একটি স্পষ্ট বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন