মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সন্ধ্যার দিকে আহত অবস্থায় তাদের ঢামেকে আনা হয়। তারা হলেন— শাকিল আহমেদ (২৬), আশিকুর রহমান (২৫), শাহিনুর (২৮), আবরার শাহরিয়ার উল্লাস (২৮) ও রিয়াজ (২৭)। আহতদের মধ্যে শাহিনুরের মাথায় লাঠির আঘাত রয়েছে বলে জানা গেছে।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক ফারুক জানান, সন্ধ্যার দিকে শাহবাগ এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়ে পাঁচজন পরীক্ষার্থী জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন।
আহত পরীক্ষার্থীরা জানান, দুপুর সাড়ে ১২টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’ অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেন তারা। বিকেলে শাহবাগ হয়ে যমুনার দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এরপর আগানোর চেষ্টা করলে পুলিশ জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড ও লাঠিচার্জ চালায়। এতে বহু পরীক্ষার্থী ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন এবং অনেকে আহত হন।
আন্দোলনকারী পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, আগের বিসিএস পরীক্ষার মতো পর্যাপ্ত সময় না দিয়ে মাত্র ৫০ দিনের প্রস্তুতির সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। তারা দাবি করেন, “আগের বিসিএসগুলোতে ছয় মাস থেকে এক বছর সময় দেওয়া হতো, আমাদের ক্ষেত্রে মাত্র দেড় মাস। ২৭ নভেম্বর পরীক্ষা নিলে তা অন্যায় হবে।”
তারা আরও জানান, তারিখ পেছানো না হলে তারা ব্লকেডসহ কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন।
এর আগে দুপুরে শহীদ মিনার থেকে যমুনার উদ্দেশ্যে পদযাত্রা শুরু করলে শাহবাগে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের আটকে দেয়। বাধা পেয়ে সেখানেই অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন পরীক্ষার্থীরা।
পরীক্ষার্থীরা বহুদিন ধরে পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে স্মারকলিপি, মিছিল, অবরোধ, অনশনসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন। রাজশাহী, খুলনা, ময়মনসিংহে রেল অবরোধ ও ঢাকা–আরিচা মহাসড়ক অবরোধের ঘটনাও ঘটে।
অন্যদিকে পিএসসি তাদের ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী ২৭ নভেম্বর থেকেই আটটি কেন্দ্রে (ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ) লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, পরীক্ষার্থীরা ‘মাত্র দুই মাস সময় পেয়েছে’—এ দাবি সঠিক নয়। কারণ গত ৩ জুনই লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছিল। ফলে পরীক্ষার্থীরা প্রায় ছয় মাস প্রস্তুতির সুযোগ পেয়েছেন বলে পিএসসি জানায়।
পিএসসি চেয়ারম্যান জানান, সময়মতোই পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং তারিখ পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ নভেম্বর ২০২৫
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সন্ধ্যার দিকে আহত অবস্থায় তাদের ঢামেকে আনা হয়। তারা হলেন— শাকিল আহমেদ (২৬), আশিকুর রহমান (২৫), শাহিনুর (২৮), আবরার শাহরিয়ার উল্লাস (২৮) ও রিয়াজ (২৭)। আহতদের মধ্যে শাহিনুরের মাথায় লাঠির আঘাত রয়েছে বলে জানা গেছে।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক ফারুক জানান, সন্ধ্যার দিকে শাহবাগ এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়ে পাঁচজন পরীক্ষার্থী জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন।
আহত পরীক্ষার্থীরা জানান, দুপুর সাড়ে ১২টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’ অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেন তারা। বিকেলে শাহবাগ হয়ে যমুনার দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এরপর আগানোর চেষ্টা করলে পুলিশ জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড ও লাঠিচার্জ চালায়। এতে বহু পরীক্ষার্থী ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন এবং অনেকে আহত হন।
আন্দোলনকারী পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, আগের বিসিএস পরীক্ষার মতো পর্যাপ্ত সময় না দিয়ে মাত্র ৫০ দিনের প্রস্তুতির সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। তারা দাবি করেন, “আগের বিসিএসগুলোতে ছয় মাস থেকে এক বছর সময় দেওয়া হতো, আমাদের ক্ষেত্রে মাত্র দেড় মাস। ২৭ নভেম্বর পরীক্ষা নিলে তা অন্যায় হবে।”
তারা আরও জানান, তারিখ পেছানো না হলে তারা ব্লকেডসহ কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন।
এর আগে দুপুরে শহীদ মিনার থেকে যমুনার উদ্দেশ্যে পদযাত্রা শুরু করলে শাহবাগে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের আটকে দেয়। বাধা পেয়ে সেখানেই অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন পরীক্ষার্থীরা।
পরীক্ষার্থীরা বহুদিন ধরে পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে স্মারকলিপি, মিছিল, অবরোধ, অনশনসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন। রাজশাহী, খুলনা, ময়মনসিংহে রেল অবরোধ ও ঢাকা–আরিচা মহাসড়ক অবরোধের ঘটনাও ঘটে।
অন্যদিকে পিএসসি তাদের ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী ২৭ নভেম্বর থেকেই আটটি কেন্দ্রে (ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ) লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, পরীক্ষার্থীরা ‘মাত্র দুই মাস সময় পেয়েছে’—এ দাবি সঠিক নয়। কারণ গত ৩ জুনই লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছিল। ফলে পরীক্ষার্থীরা প্রায় ছয় মাস প্রস্তুতির সুযোগ পেয়েছেন বলে পিএসসি জানায়।
পিএসসি চেয়ারম্যান জানান, সময়মতোই পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং তারিখ পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।

আপনার মতামত লিখুন