বিজ্ঞাপন[/caption]
গণঅধিকার পরিষদের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব হাসান আল মামুন বলেন, বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে তৃতীয় বৃহৎ জোটের আলোচনা ইতিবাচকভাবে চলছে, তবে ঘোষণা দেওয়ার তারিখ এখনো চূড়ান্ত নয়।
এর আগে গত রোববার গণতন্ত্র মঞ্চ থেকে সরে দাঁড়ায় রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। আসন বণ্টন নিয়েই এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনের ধারণা। দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল ভূঁইয়া জানান, বর্তমান অবস্থায় বিএনপি বা জামায়াতকেন্দ্রিক রাজনীতি নয়—নতুন কাঠামোর জোটই সময়ের দাবি।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুও জানিয়েছেন, চারটি দল নিশ্চিত রয়েছে এবং আরেকটি দলের সঙ্গে আলোচনা চলছে। দিন-তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি।
জোটের সম্ভাব্য শরিকদের বক্তব্য—এটি হবে নির্বাচনী জোট, আদর্শিক নয়। প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে বিএনপি বা জামায়াত-সমর্থিত জোটের সঙ্গেও সমঝোতার সুযোগ খোলা থাকবে। তবে তফসিল ঘোষণার পরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নতুন জোট গণভোটের মাধ্যমে সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নেবে।
[caption id="attachment_16664" align="aligncenter" width="300"]
বিজ্ঞাপন[/caption]
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে গণঅধিকার পরিষদ, জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, ভাসানী জনশক্তি পার্টি ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনকে নিয়ে গঠিত হয় গণতন্ত্র মঞ্চ—যা বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের অংশ ছিল। পরে ২০২৩ সালের মে মাসে নুরুল হক নুরের গণঅধিকার পরিষদ মঞ্চ ছাড়ে। এদিকে বিএনপি এখন পর্যন্ত গণতন্ত্র মঞ্চের অন্তত তিন দলকে চার থেকে পাঁচটি আসন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তবে বাকি দলগুলোকে নিয়ে এখনো সমাধান হয়নি। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ নভেম্বর ২০২৫
বিজ্ঞাপন[/caption]
গণঅধিকার পরিষদের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব হাসান আল মামুন বলেন, বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে তৃতীয় বৃহৎ জোটের আলোচনা ইতিবাচকভাবে চলছে, তবে ঘোষণা দেওয়ার তারিখ এখনো চূড়ান্ত নয়।
এর আগে গত রোববার গণতন্ত্র মঞ্চ থেকে সরে দাঁড়ায় রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। আসন বণ্টন নিয়েই এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনের ধারণা। দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল ভূঁইয়া জানান, বর্তমান অবস্থায় বিএনপি বা জামায়াতকেন্দ্রিক রাজনীতি নয়—নতুন কাঠামোর জোটই সময়ের দাবি।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুও জানিয়েছেন, চারটি দল নিশ্চিত রয়েছে এবং আরেকটি দলের সঙ্গে আলোচনা চলছে। দিন-তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি।
জোটের সম্ভাব্য শরিকদের বক্তব্য—এটি হবে নির্বাচনী জোট, আদর্শিক নয়। প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে বিএনপি বা জামায়াত-সমর্থিত জোটের সঙ্গেও সমঝোতার সুযোগ খোলা থাকবে। তবে তফসিল ঘোষণার পরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নতুন জোট গণভোটের মাধ্যমে সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নেবে।
[caption id="attachment_16664" align="aligncenter" width="300"]
বিজ্ঞাপন[/caption]
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে গণঅধিকার পরিষদ, জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, ভাসানী জনশক্তি পার্টি ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনকে নিয়ে গঠিত হয় গণতন্ত্র মঞ্চ—যা বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের অংশ ছিল। পরে ২০২৩ সালের মে মাসে নুরুল হক নুরের গণঅধিকার পরিষদ মঞ্চ ছাড়ে। এদিকে বিএনপি এখন পর্যন্ত গণতন্ত্র মঞ্চের অন্তত তিন দলকে চার থেকে পাঁচটি আসন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তবে বাকি দলগুলোকে নিয়ে এখনো সমাধান হয়নি। 
আপনার মতামত লিখুন