স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি এনসিপির সাময়িক বহিষ্কৃত প্রচারসচিবের...
◻️অনলাইন ডেস্কজাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স দক্ষিণ কোরিয়ার সাময়িক বহিষ্কৃত প্রচারসচিব ফাইয়াজ ইফতি শোকজ নোটিশের জবাব দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। বরং তিনি চান দল তাঁকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করুক। বুধবার (২৬ নভেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন তিনি।ফাইয়াজ ইফতি লিখেছেন
“গতকাল আমাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে এবং ২ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আমি আর এনসিপির সঙ্গে যুক্ত থাকতে চাই না, কোনো কারণও দর্শাব না। এনসিপি চাইলে আমাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করুক।”
তিনি দাবি করেন, দল থেকে বহিষ্কারের পর থেকেই এনসিপির নেতাকর্মীরা তাঁকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপমান করছেন, যা নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিপন্থী।
‘জামায়াত-শিবির ট্যাগ দেওয়া হয় অন্যায়ভাবে’
ফাইয়াজ অভিযোগ করে বলেন..
“আমি জীবনে কখনো জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। এমনকি আমার পরিবারেও কেউ ওই রাজনীতিতে নেই। তাদের কিছু কর্মকাণ্ড ভালো লাগায় প্রশংসা করলে কি জামায়াত-শিবির হয়ে যাই? লাখো নিরপেক্ষ মানুষ পোস্ট দেয়—তাদেরও কি ট্যাগ দেবেন?”
তিনি এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধের আহ্বান জানান।কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আর যুক্ত হবেন না
ফাইয়াজ লিখেছেন—
“আমি রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থাকতে চাই। যার কর্মকাণ্ড ভালো লাগবে, আমি তার পক্ষেই পোস্ট দেব। কারো কথায় আমি চলব না।”
তিনি জানান, ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদীর কার্যক্রম ভালো লাগায় তাঁকে নিয়ে পোস্ট দিয়েছিলেন—এ কারণে নতুন করে রাজনৈতিক ট্যাগ দেওয়া অন্যায়।
ফাইয়াজ ইফতি এনসিপি নেতাদের উদ্দেশ করে বলেন—
“সঙ্গে থাকলে সঙ্গী, বিপক্ষে গেলেই জঙ্গি—এ ধরনের খেলা বন্ধ করুন। হাসনাত আবদুল্লাহ, সাদিক কায়েম কিংবা রাকিবুল ইসলাম রাকিব—যে-ই হোক, যার কাজ ভালো লাগবে আমি তার প্রশংসাই করব। এটাই বাস্তবতা।”
স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি এনসিপির সাময়িক বহিষ্কৃত প্রচারসচিবের...
◻️অনলাইন ডেস্কজাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স দক্ষিণ কোরিয়ার সাময়িক বহিষ্কৃত প্রচারসচিব ফাইয়াজ ইফতি শোকজ নোটিশের জবাব দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। বরং তিনি চান দল তাঁকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করুক। বুধবার (২৬ নভেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন তিনি।ফাইয়াজ ইফতি লিখেছেন
“গতকাল আমাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে এবং ২ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আমি আর এনসিপির সঙ্গে যুক্ত থাকতে চাই না, কোনো কারণও দর্শাব না। এনসিপি চাইলে আমাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করুক।”
তিনি দাবি করেন, দল থেকে বহিষ্কারের পর থেকেই এনসিপির নেতাকর্মীরা তাঁকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপমান করছেন, যা নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিপন্থী।
‘জামায়াত-শিবির ট্যাগ দেওয়া হয় অন্যায়ভাবে’
ফাইয়াজ অভিযোগ করে বলেন..
“আমি জীবনে কখনো জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। এমনকি আমার পরিবারেও কেউ ওই রাজনীতিতে নেই। তাদের কিছু কর্মকাণ্ড ভালো লাগায় প্রশংসা করলে কি জামায়াত-শিবির হয়ে যাই? লাখো নিরপেক্ষ মানুষ পোস্ট দেয়—তাদেরও কি ট্যাগ দেবেন?”
তিনি এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধের আহ্বান জানান।কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আর যুক্ত হবেন না
ফাইয়াজ লিখেছেন—
“আমি রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থাকতে চাই। যার কর্মকাণ্ড ভালো লাগবে, আমি তার পক্ষেই পোস্ট দেব। কারো কথায় আমি চলব না।”
তিনি জানান, ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদীর কার্যক্রম ভালো লাগায় তাঁকে নিয়ে পোস্ট দিয়েছিলেন—এ কারণে নতুন করে রাজনৈতিক ট্যাগ দেওয়া অন্যায়।
ফাইয়াজ ইফতি এনসিপি নেতাদের উদ্দেশ করে বলেন—
“সঙ্গে থাকলে সঙ্গী, বিপক্ষে গেলেই জঙ্গি—এ ধরনের খেলা বন্ধ করুন। হাসনাত আবদুল্লাহ, সাদিক কায়েম কিংবা রাকিবুল ইসলাম রাকিব—যে-ই হোক, যার কাজ ভালো লাগবে আমি তার প্রশংসাই করব। এটাই বাস্তবতা।”
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন