বহরটি প্রেসক্লাব মোড় হয়ে ঘোনাপাড়া ও পুলিশ লাইনস এলাকা অতিক্রম করে সদর উপজেলা এবং কাশিয়ানী উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আবারও সড়ক ভবন এলাকায় সমবেত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেন গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির তিন সাবেক সভাপতি এফ-ই সরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর, এম এইচ খান মঞ্জু ও এম সিরাজুল ইসলাম এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি সরদার নুরুজ্জামান, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক তৌহিদুর রহমান তাজসহ কয়েক হাজার BNP নেতাকর্মী।
পথিমধ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মনোনয়ন বঞ্চিত নেতারা বলেন, গোপালগঞ্জের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের ত্যাগ-সংগ্রামীরা মনোনয়ন না পেয়ে অবহেলিত।
সাবেক এমপি এম এইচ খান মঞ্জু বলেন, “গোপালগঞ্জের মাটি ও মানুষের সঙ্গে আমাদের নাড়ির সম্পর্ক। ভুল সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমাদের নেতা দেশে থাকলে এটি হতো না। আমরা পাঁচজনই যাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে তাকে সমর্থন করব।”
অন্য সাবেক সভাপতি এম সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, “১৭ বছর মাঠে না থাকা এবং অস্ত্র উদ্ধার ইস্যুতে বিতর্কিত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে—যা গোপালগঞ্জের মানুষ মানতে পারছে না। স্বাধীনতার পর থেকে যাঁরা জীবন দিয়ে বিএনপিকে টিকিয়ে রেখেছেন, তাঁদের মধ্য থেকে কাউকে মনোনয়ন দেওয়া উচিত।”
কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা তৌহিদুর রহমান তাজ বলেন, “দল চাইলে বঞ্চিত পাঁচজন নেতার মধ্য থেকেই কাউকে মনোনয়ন দিতে পারে। তাতে আমাদের আপত্তি নেই।”
উল্লেখ্য, গোপালগঞ্জ-২ আসনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ডা. কে এম বাবর আলীকে প্রাথমিক মনোনয়ন দিয়েছে দল।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫
বহরটি প্রেসক্লাব মোড় হয়ে ঘোনাপাড়া ও পুলিশ লাইনস এলাকা অতিক্রম করে সদর উপজেলা এবং কাশিয়ানী উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আবারও সড়ক ভবন এলাকায় সমবেত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেন গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির তিন সাবেক সভাপতি এফ-ই সরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর, এম এইচ খান মঞ্জু ও এম সিরাজুল ইসলাম এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি সরদার নুরুজ্জামান, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক তৌহিদুর রহমান তাজসহ কয়েক হাজার BNP নেতাকর্মী।
পথিমধ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মনোনয়ন বঞ্চিত নেতারা বলেন, গোপালগঞ্জের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের ত্যাগ-সংগ্রামীরা মনোনয়ন না পেয়ে অবহেলিত।
সাবেক এমপি এম এইচ খান মঞ্জু বলেন, “গোপালগঞ্জের মাটি ও মানুষের সঙ্গে আমাদের নাড়ির সম্পর্ক। ভুল সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমাদের নেতা দেশে থাকলে এটি হতো না। আমরা পাঁচজনই যাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে তাকে সমর্থন করব।”
অন্য সাবেক সভাপতি এম সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, “১৭ বছর মাঠে না থাকা এবং অস্ত্র উদ্ধার ইস্যুতে বিতর্কিত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে—যা গোপালগঞ্জের মানুষ মানতে পারছে না। স্বাধীনতার পর থেকে যাঁরা জীবন দিয়ে বিএনপিকে টিকিয়ে রেখেছেন, তাঁদের মধ্য থেকে কাউকে মনোনয়ন দেওয়া উচিত।”
কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা তৌহিদুর রহমান তাজ বলেন, “দল চাইলে বঞ্চিত পাঁচজন নেতার মধ্য থেকেই কাউকে মনোনয়ন দিতে পারে। তাতে আমাদের আপত্তি নেই।”
উল্লেখ্য, গোপালগঞ্জ-২ আসনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ডা. কে এম বাবর আলীকে প্রাথমিক মনোনয়ন দিয়েছে দল।

আপনার মতামত লিখুন