রাজনৈতিক এবং নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে এই অবস্থায় ‘ভিআইপি’ ঘোষণা...
[caption id="" align="aligncenter" width="298"]
বিজ্ঞাপন [/caption]
গত ১ ডিসেম্বর, রোববার, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি হয়। তাতে বলা হয়েছে, ‘Special Security Force (এসএসএফ) আইন, ২০২১’-এর ধারা ২(ক)-র অধীনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ (ভিআইপি/VVIP) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হবে।

এ ঘোষণার পর, খালেদা জিয়া এখন থেকে সরকার প্রদত্ত বিশেষ নিরাপত্তা সুবিধা পাবেন। তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকবে এসএসএফ ।
ইতিমধ্যেই বয়স এবং দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতায় খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ — হৃদরোগ, কিডনি, লিভারসহ অন্যান্য রোগে ভুগছেন। গত ২৩ নভেম্বর থেকে তিনি রাজধানীর Evercare Hospital-এ চিকিৎসাধীন।রাজনৈতিক এবং নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে এই অবস্থায় ‘ভিআইপি’ ঘোষণা গুরুত্বপূর্ণ — কারণ একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলের শীর্ষ নেতা হিসেবে, অতিরিক্ত নিরাপত্তা প্রয়োজন হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ
দক্ষিণখানে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
এদিকে এসএসএফ আইন, ২০২১ অনুযায়ী, সরকার প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে যেকোনো ব্যক্তিকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করতে পারে।
আইন বলছে, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা অন্য যেকোনো প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ঘোষিত ভিআইপি — যিনি দেশে অবস্থান করছেন — তাকে “দৈহিক নিরাপত্তা” দান করা হবে। অর্থাৎ, এসএসএফ তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দায়িত্বে নিয়োজিত হবে।এসএসএফ-এর নিরাপত্তা কাঠামোর মধ্যে থাকতে পারে: বাড়ি-বাসভবন, হাসপাতাল, চলাচল, গাড়ি-যাত্রাসহ যেকোনো স্থানে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সম্ভাব্য হুমকি, পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়, নজরদারি, প্রোটোকল ও সরক্ষিপ্ত পাহারা।
আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে যদি নিরাপত্তার জন্য বিপদ মনে করা হয় — যেমন, গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী কোনো হুমকি — তাহলে এসএসএফ তাকে গ্রেফতার বা প্রয়োজন হলে বলপ্রয়োগ করেও পরিচালনার পূর্ণ ক্ষমতা রাখে।
আপনার মতামত লিখুন