স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, তৃণমূলের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল আমির এজাজ খানকে প্রার্থী হিসেবে দেখা। তিনি রাজনৈতিকভাবে অভিজ্ঞ, সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং এলাকার মানুষের কাছে একজন পরিচ্ছন্ন ও নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তি হিসেবে সুপরিচিত। তিনি বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
মনোনয়নের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় খণ্ড খণ্ড আনন্দমিছিল, মিষ্টি বিতরণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনন্দনের স্রোত বইতে শুরু করেছে। তৃণমূল নেতাকর্মীরা মনে করছেন, তার নেতৃত্বে খুলনা-১ আসনে বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি আরও চাঙা হবে।
এলাকার বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচনী প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হচ্ছে। তাদের প্রত্যাশা—আসন্ন নির্বাচনে আমির এজাজ খানের নেতৃত্বে খুলনা-১ নতুন রাজনৈতিক উত্তাপে মুখর হবে।
আমির এজাজ খান বলেন,
“জেলা কমিটিতে দায়িত্ব পাওয়ার আগেও আমি দীর্ঘদিন বটিয়াঘাটা উপজেলা কমিটির নেতৃত্বে ছিলাম। মানুষের সুখে–দুঃখে পাশে থেকেছি। ২০০1 সালে পরাজিত হলেও বিপুল ভোট পেয়েছিলাম। ২০০৮ ও ২০১৮ সালেও দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনে অংশ নিই এবং বিপুল ভোট পাই। এবার অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বিজয়ী হয়ে এলাকার মানুষের আশা–আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে চাই।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, তৃণমূলের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল আমির এজাজ খানকে প্রার্থী হিসেবে দেখা। তিনি রাজনৈতিকভাবে অভিজ্ঞ, সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং এলাকার মানুষের কাছে একজন পরিচ্ছন্ন ও নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তি হিসেবে সুপরিচিত। তিনি বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
মনোনয়নের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় খণ্ড খণ্ড আনন্দমিছিল, মিষ্টি বিতরণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনন্দনের স্রোত বইতে শুরু করেছে। তৃণমূল নেতাকর্মীরা মনে করছেন, তার নেতৃত্বে খুলনা-১ আসনে বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি আরও চাঙা হবে।
এলাকার বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচনী প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হচ্ছে। তাদের প্রত্যাশা—আসন্ন নির্বাচনে আমির এজাজ খানের নেতৃত্বে খুলনা-১ নতুন রাজনৈতিক উত্তাপে মুখর হবে।
আমির এজাজ খান বলেন,
“জেলা কমিটিতে দায়িত্ব পাওয়ার আগেও আমি দীর্ঘদিন বটিয়াঘাটা উপজেলা কমিটির নেতৃত্বে ছিলাম। মানুষের সুখে–দুঃখে পাশে থেকেছি। ২০০1 সালে পরাজিত হলেও বিপুল ভোট পেয়েছিলাম। ২০০৮ ও ২০১৮ সালেও দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনে অংশ নিই এবং বিপুল ভোট পাই। এবার অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বিজয়ী হয়ে এলাকার মানুষের আশা–আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে চাই।”

আপনার মতামত লিখুন