বুধবার (১০ ডিসেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, “আমি নির্বাচন করবো। তবে কোন দল থেকে করবো সেটা নিশ্চিত না। এখনও বলার মতো কিছু নেই। পদত্যাগের ব্যাপারটা প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকেই জানানো হবে। ওপর থেকে যে সিস্টেম আছে, সেটাই অনুসরণ করতে হয়। দায়িত্বে থাকাকালীন আওয়ামী লীগ বিদায়ের পর বাকস্বাধীনতা ফিরে এসেছে।”
তিনি আগেই জানিয়েছেন যে তিনি ঢাকায় থেকে ভোট করবেন। গত ৯ নভেম্বর তিনি ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন করে ধানমন্ডিতে ভোটার হন। এরপর থেকেই আলোচনা শুরু হয় যে তিনি ঢাকা-১০ আসন (ধানমন্ডি, কলাবাগান, নিউ মার্কেট ও হাজারীবাগ) থেকে নির্বাচন করতে পারেন। এমনকি বিএনপি থেকে প্রার্থী হতে পারেন বলেও সংবাদমাধ্যমে গুঞ্জন ছড়ায়।
তবে বিএনপি ৪ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় যে ৩৬টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে, তাতে ঢাকা-১০ আসনও রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে আসিফ মাহমুদ স্বতন্ত্র নাকি কোনো দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন—এখনও স্পষ্ট নয়।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। ওই সরকারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে তিনজন জায়গা পান। এর মধ্যে নাহিদ ইসলাম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান, আর আসিফ মাহমুদ প্রথমে শ্রম উপদেষ্টা এবং পরে স্থানীয় সরকারের দায়িত্ব পান।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, “আমি নির্বাচন করবো। তবে কোন দল থেকে করবো সেটা নিশ্চিত না। এখনও বলার মতো কিছু নেই। পদত্যাগের ব্যাপারটা প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকেই জানানো হবে। ওপর থেকে যে সিস্টেম আছে, সেটাই অনুসরণ করতে হয়। দায়িত্বে থাকাকালীন আওয়ামী লীগ বিদায়ের পর বাকস্বাধীনতা ফিরে এসেছে।”
তিনি আগেই জানিয়েছেন যে তিনি ঢাকায় থেকে ভোট করবেন। গত ৯ নভেম্বর তিনি ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন করে ধানমন্ডিতে ভোটার হন। এরপর থেকেই আলোচনা শুরু হয় যে তিনি ঢাকা-১০ আসন (ধানমন্ডি, কলাবাগান, নিউ মার্কেট ও হাজারীবাগ) থেকে নির্বাচন করতে পারেন। এমনকি বিএনপি থেকে প্রার্থী হতে পারেন বলেও সংবাদমাধ্যমে গুঞ্জন ছড়ায়।
তবে বিএনপি ৪ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় যে ৩৬টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে, তাতে ঢাকা-১০ আসনও রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে আসিফ মাহমুদ স্বতন্ত্র নাকি কোনো দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন—এখনও স্পষ্ট নয়।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। ওই সরকারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে তিনজন জায়গা পান। এর মধ্যে নাহিদ ইসলাম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান, আর আসিফ মাহমুদ প্রথমে শ্রম উপদেষ্টা এবং পরে স্থানীয় সরকারের দায়িত্ব পান।

আপনার মতামত লিখুন