খুলনা, ১০ ডিসেম্বর:
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, “নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার মধ্য দিয়ে জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের গণআকাঙ্ক্ষা পূরণের আরেক ধাপে আমরা উপনীত হয়েছি। এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সেই নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ করা।”
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন, সরকার, রাজনৈতিক দলসমূহ ও জনগণ—সব স্টেকহোল্ডারকে একসঙ্গে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে খুলনার ডুমুরিয়ার শরাফপুর ইউনিয়নের মাদারতলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সজিব রায়–এর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে ও আহত শিমুল মন্ডল, তনয় মন্ডল এবং সাগর মন্ডলকে আর্থিক সহায়তা প্রদানকালে এসব কথা বলেন তিনি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন,
“কিছু দল মনে করে তারা ভোটের আগেই ক্ষমতায়। প্রচারণায় গিয়ে ভোটকেন্দ্রে না যেতে দেওয়া, ব্যালটে বাইরে সিল মারা—এসব আশঙ্কার কথা শুনছি। ১৪, ১৮, ২৪-এর মতো পরিস্থিতিতে জনগণ যেন আর না পড়ে, সেজন্য আমরা সবাইকে সচেতন করছি। প্রশাসনকে লিখিতভাবে জানিয়েছি—লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে।”
এর আগে ফুলতলার শিরোমণির ডাকাতিয়া পশ্চিমপাড়ায় ভোটার সমাবেশে তিনি বলেন,
“গণঅভ্যুত্থান–পরবর্তী সময়ে জামায়াতে ইসলামী সব ধর্ম–বর্ণের মানুষের আস্থার দলে পরিণত হয়েছে। হিন্দু, মুসলিম, খ্রিষ্টানসহ সবাই আজ ঐক্যবদ্ধ। কিন্তু কিছু মহল এই ঐক্য মেনে নিতে পারছে না এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন জায়গায় হুমকি দেওয়া হচ্ছে।”
তিনি অভিযোগ করেন—স্বাধীনতার ৫৪ বছরে একটি বড় রাজনৈতিক দল হিন্দু সম্প্রদায়কে শুধু ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করেছে এবং তাদের ওপর নানা দখল–নির্যাতন চালিয়েছে। আরেকটি দল আগস্টের পর আবার একই ধাঁচে চাপ সৃষ্টি করছে, যা কর্তৃত্ববাদী শাসন পুনরায় ফিরিয়ে আনার অপচেষ্টা।
তিনি আরও বলেন,
“জামায়াত কখনোই হিন্দুদের নিপীড়ন করেনি। বরং সুযোগ পেলেই পাশে দাঁড়িয়েছে। তাই আগামী নির্বাচনে সব হুমকি-ধমকি উপেক্ষা করে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চাইতে হবে।”
সভাপতিত্ব করেন চিত্তরঞ্জন গাইন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন—
খুলনা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুন্সী মিজানুর রহমান,
সহকারী সেক্রেটারি মুন্সী মঈনুল ইসলাম,
অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস,
প্রিন্সিপাল গাওসুল আযম হাদী,
জেলা কর্মপরিষদ সদস্য হাফেজ আমিনুল ইসলাম,
অ্যাডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা।
পরিচালনা করেন মানুষ রায়।
এছাড়া বক্তব্য দেন মনিলাল মন্ডল, কালীপদ গাইন, নিতাই চন্দ্র মন্ডল, প্রণব রায়, খোকন চন্দ্র রায় প্রমুখ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
খুলনা, ১০ ডিসেম্বর:
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, “নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার মধ্য দিয়ে জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের গণআকাঙ্ক্ষা পূরণের আরেক ধাপে আমরা উপনীত হয়েছি। এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সেই নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ করা।”
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন, সরকার, রাজনৈতিক দলসমূহ ও জনগণ—সব স্টেকহোল্ডারকে একসঙ্গে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে খুলনার ডুমুরিয়ার শরাফপুর ইউনিয়নের মাদারতলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সজিব রায়–এর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে ও আহত শিমুল মন্ডল, তনয় মন্ডল এবং সাগর মন্ডলকে আর্থিক সহায়তা প্রদানকালে এসব কথা বলেন তিনি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন,
“কিছু দল মনে করে তারা ভোটের আগেই ক্ষমতায়। প্রচারণায় গিয়ে ভোটকেন্দ্রে না যেতে দেওয়া, ব্যালটে বাইরে সিল মারা—এসব আশঙ্কার কথা শুনছি। ১৪, ১৮, ২৪-এর মতো পরিস্থিতিতে জনগণ যেন আর না পড়ে, সেজন্য আমরা সবাইকে সচেতন করছি। প্রশাসনকে লিখিতভাবে জানিয়েছি—লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে।”
এর আগে ফুলতলার শিরোমণির ডাকাতিয়া পশ্চিমপাড়ায় ভোটার সমাবেশে তিনি বলেন,
“গণঅভ্যুত্থান–পরবর্তী সময়ে জামায়াতে ইসলামী সব ধর্ম–বর্ণের মানুষের আস্থার দলে পরিণত হয়েছে। হিন্দু, মুসলিম, খ্রিষ্টানসহ সবাই আজ ঐক্যবদ্ধ। কিন্তু কিছু মহল এই ঐক্য মেনে নিতে পারছে না এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন জায়গায় হুমকি দেওয়া হচ্ছে।”
তিনি অভিযোগ করেন—স্বাধীনতার ৫৪ বছরে একটি বড় রাজনৈতিক দল হিন্দু সম্প্রদায়কে শুধু ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করেছে এবং তাদের ওপর নানা দখল–নির্যাতন চালিয়েছে। আরেকটি দল আগস্টের পর আবার একই ধাঁচে চাপ সৃষ্টি করছে, যা কর্তৃত্ববাদী শাসন পুনরায় ফিরিয়ে আনার অপচেষ্টা।
তিনি আরও বলেন,
“জামায়াত কখনোই হিন্দুদের নিপীড়ন করেনি। বরং সুযোগ পেলেই পাশে দাঁড়িয়েছে। তাই আগামী নির্বাচনে সব হুমকি-ধমকি উপেক্ষা করে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চাইতে হবে।”
সভাপতিত্ব করেন চিত্তরঞ্জন গাইন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন—
খুলনা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুন্সী মিজানুর রহমান,
সহকারী সেক্রেটারি মুন্সী মঈনুল ইসলাম,
অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস,
প্রিন্সিপাল গাওসুল আযম হাদী,
জেলা কর্মপরিষদ সদস্য হাফেজ আমিনুল ইসলাম,
অ্যাডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা।
পরিচালনা করেন মানুষ রায়।
এছাড়া বক্তব্য দেন মনিলাল মন্ডল, কালীপদ গাইন, নিতাই চন্দ্র মন্ডল, প্রণব রায়, খোকন চন্দ্র রায় প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন