আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ‘পাতানো’ হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতীয় পার্টি। তবে এমন আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জিএম কাদের নেতৃত্বাধীন দলটি। সেই সঙ্গে ৩০০টি সংসদীয় আসনের সবকটিতেই প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় পার্টি।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) থেকে দলটির মনোনয়ন ফরম বিক্রিও শুরু হয়েছে।
শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের পর বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকার কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান দলের মহাসচিব শামীম পাটোয়ারী।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন,
“আমরা আশঙ্কা করছি একটি পাতানো নির্বাচন বা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হতে পারে। ভোটের পর ভোট, মিডিয়া ভোট—কোনো আশঙ্কাই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তারপরও জাতীয় পার্টি প্রাথমিকভাবে আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন,
“আমরা একটি ভোটমুখী দল। আমাদের নেতাকর্মীরা ভোট করতে আগ্রহী। তবে সরকার ও নির্বাচন কমিশন যদি আমাদের নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হব।”
নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে দেশে গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব।
তিনি বলেন,
“আমরা একটি গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা করছি। সামনের নির্বাচন যদি সুষ্ঠু না হয়, গ্রহণযোগ্য না হয়, বিশ্বাসযোগ্য না হয় এবং জনগণের রায় প্রতিফলিত না করে, তাহলে ভবিষ্যতে দেশ গৃহযুদ্ধের দিকে যেতে পারে।”
জাতীয় পার্টির এই অবস্থান নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ‘পাতানো’ হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতীয় পার্টি। তবে এমন আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জিএম কাদের নেতৃত্বাধীন দলটি। সেই সঙ্গে ৩০০টি সংসদীয় আসনের সবকটিতেই প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় পার্টি।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) থেকে দলটির মনোনয়ন ফরম বিক্রিও শুরু হয়েছে।
শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের পর বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকার কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান দলের মহাসচিব শামীম পাটোয়ারী।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন,
“আমরা আশঙ্কা করছি একটি পাতানো নির্বাচন বা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হতে পারে। ভোটের পর ভোট, মিডিয়া ভোট—কোনো আশঙ্কাই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তারপরও জাতীয় পার্টি প্রাথমিকভাবে আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন,
“আমরা একটি ভোটমুখী দল। আমাদের নেতাকর্মীরা ভোট করতে আগ্রহী। তবে সরকার ও নির্বাচন কমিশন যদি আমাদের নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হব।”
নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে দেশে গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব।
তিনি বলেন,
“আমরা একটি গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা করছি। সামনের নির্বাচন যদি সুষ্ঠু না হয়, গ্রহণযোগ্য না হয়, বিশ্বাসযোগ্য না হয় এবং জনগণের রায় প্রতিফলিত না করে, তাহলে ভবিষ্যতে দেশ গৃহযুদ্ধের দিকে যেতে পারে।”
জাতীয় পার্টির এই অবস্থান নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন