ঢাকা, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫:
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরে আততায়ীর গুলিতে গুরুতর আহত হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও বৃহস্পতিবার রাতে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
বিক্ষুব্ধ একদল লোক দৈনিক প্রথম আলো এবং ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। ফায়ার সার্ভিস ও নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় ভবনগুলো থেকে সংবাদকর্মীদের উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাসভবন এবং সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট ভবনেও ভাঙচুর চালানো হয়।
বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। এদেশের প্রতিটি নাগরিকের জানমালের দায়িত্ব বর্তমান সরকারের। শহীদ হাদির মৃত্যুতে শোকার্ত জাতি যখন সৃষ্টিকর্তার কাছে দোয়া করছে, তখন ডেইলি স্টার, প্রথম আলোসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বরেণ্য সাংবাদিক নূরুল কবীরসহ আরও অনেকের ওপর হীন হামলা সংঘটিত হলো।”
তিনি আরও যোগ করেন:
বিচারের দাবি: “আমি এই সন্ত্রাসের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি! সরকারকে এই ঘটনার পুরো দায়িত্ব নিতে হবে। হাদির আততায়ীর বিচার এবং প্রতিটি মব সন্ত্রাসের বিচার করতে হবে।”
জাতীয় ঐক্যের আহ্বান: “প্রায় এক বছরের বেশি সময়কাল ধরে বিভিন্ন মব সন্ত্রাস পুরো জাতিকে বিভক্ত করেছে। স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকারের পতনের পরে সরকারের প্রধান দায়িত্ব হলো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠন করা।”
মির্জা ফখরুল সব পক্ষকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন এবং সরকারকে অনতিবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। হাদির মরদেহ শুক্রবার সন্ধ্যায় দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে এবং শনিবার রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫
ঢাকা, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫:
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরে আততায়ীর গুলিতে গুরুতর আহত হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও বৃহস্পতিবার রাতে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
বিক্ষুব্ধ একদল লোক দৈনিক প্রথম আলো এবং ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। ফায়ার সার্ভিস ও নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় ভবনগুলো থেকে সংবাদকর্মীদের উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাসভবন এবং সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট ভবনেও ভাঙচুর চালানো হয়।
বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। এদেশের প্রতিটি নাগরিকের জানমালের দায়িত্ব বর্তমান সরকারের। শহীদ হাদির মৃত্যুতে শোকার্ত জাতি যখন সৃষ্টিকর্তার কাছে দোয়া করছে, তখন ডেইলি স্টার, প্রথম আলোসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বরেণ্য সাংবাদিক নূরুল কবীরসহ আরও অনেকের ওপর হীন হামলা সংঘটিত হলো।”
তিনি আরও যোগ করেন:
বিচারের দাবি: “আমি এই সন্ত্রাসের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি! সরকারকে এই ঘটনার পুরো দায়িত্ব নিতে হবে। হাদির আততায়ীর বিচার এবং প্রতিটি মব সন্ত্রাসের বিচার করতে হবে।”
জাতীয় ঐক্যের আহ্বান: “প্রায় এক বছরের বেশি সময়কাল ধরে বিভিন্ন মব সন্ত্রাস পুরো জাতিকে বিভক্ত করেছে। স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকারের পতনের পরে সরকারের প্রধান দায়িত্ব হলো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠন করা।”
মির্জা ফখরুল সব পক্ষকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন এবং সরকারকে অনতিবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। হাদির মরদেহ শুক্রবার সন্ধ্যায় দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে এবং শনিবার রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন