নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাজধানীর গোপীবাগে সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টারে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস তার বক্তব্যে ষড়যন্ত্রকারীদের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, "যারা দেশের ভালো চায় না, তারা মানুষরূপী শয়তান। এরা '৪৭ সালে পাকিস্তানের এবং '৭১ সালে বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছিল। কিছুদিন চুপ থাকলেও এখন আবার তাদের নখ ও বিষদাঁত বিকশিত হচ্ছে।" তিনি আরও যোগ করেন, অগণতান্ত্রিক শক্তি কখনোই গণতন্ত্রের সামনে টিকে থাকতে পারে না।
অগ্নিসন্ত্রাস এবং সাম্প্রতিক 'মব জাস্টিস' নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, "সরকারকে আমরা বারবার সহযোগিতার কথা বলেছি। কিন্তু আমাদের সহযোগিতা না নিয়ে তারা দেশবিরোধীদের সুযোগ দিচ্ছে। যখন অগ্নিসন্ত্রাস ও মব চলে, তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোথায় থাকে? উল্টো বিএনপিকে দোষারোপ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।"
তিনি সরকারকে অবিলম্বে মব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলার নিন্দা জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, "এসব প্রতিষ্ঠান যারা পুড়িয়ে দিচ্ছে, তারা জাতির শত্রু। এদেরকে এখনই থামাতে হবে।"
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি বলেন, "বিএনপি গণতন্ত্রের রক্ষক, ভক্ষক নয়। '২৪-এর অধিকার মানুষ রক্ত দিয়ে অর্জন করেছে। সেই অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে বিএনপি হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। শহীদ জিয়া যেভাবে বাকশাল ভেঙে গণতন্ত্র এনেছিলেন, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান যেভাবে জনগণের পাশে ছিলেন—আমরাও সেভাবেই মানুষের পাশে থাকব।"
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন শেখ রবিউল আলম, ইশরাক হোসেন, হামিদুর রহমান হামিদ, হাবিবুর রশিদ হাবিব এবং নবী উল্লাহ নবীসহ মহানগর দক্ষিণের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাজধানীর গোপীবাগে সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টারে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস তার বক্তব্যে ষড়যন্ত্রকারীদের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, "যারা দেশের ভালো চায় না, তারা মানুষরূপী শয়তান। এরা '৪৭ সালে পাকিস্তানের এবং '৭১ সালে বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছিল। কিছুদিন চুপ থাকলেও এখন আবার তাদের নখ ও বিষদাঁত বিকশিত হচ্ছে।" তিনি আরও যোগ করেন, অগণতান্ত্রিক শক্তি কখনোই গণতন্ত্রের সামনে টিকে থাকতে পারে না।
অগ্নিসন্ত্রাস এবং সাম্প্রতিক 'মব জাস্টিস' নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, "সরকারকে আমরা বারবার সহযোগিতার কথা বলেছি। কিন্তু আমাদের সহযোগিতা না নিয়ে তারা দেশবিরোধীদের সুযোগ দিচ্ছে। যখন অগ্নিসন্ত্রাস ও মব চলে, তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোথায় থাকে? উল্টো বিএনপিকে দোষারোপ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।"
তিনি সরকারকে অবিলম্বে মব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলার নিন্দা জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, "এসব প্রতিষ্ঠান যারা পুড়িয়ে দিচ্ছে, তারা জাতির শত্রু। এদেরকে এখনই থামাতে হবে।"
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি বলেন, "বিএনপি গণতন্ত্রের রক্ষক, ভক্ষক নয়। '২৪-এর অধিকার মানুষ রক্ত দিয়ে অর্জন করেছে। সেই অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে বিএনপি হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। শহীদ জিয়া যেভাবে বাকশাল ভেঙে গণতন্ত্র এনেছিলেন, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান যেভাবে জনগণের পাশে ছিলেন—আমরাও সেভাবেই মানুষের পাশে থাকব।"
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন শেখ রবিউল আলম, ইশরাক হোসেন, হামিদুর রহমান হামিদ, হাবিবুর রশিদ হাবিব এবং নবী উল্লাহ নবীসহ মহানগর দক্ষিণের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন