২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি
প্রিয় নেতাকে বরণ করে নিতে একদিন আগেই রাজধানীসহ সারা দেশ থেকে আসা নেতাকর্মীদের ঢলে পুরো এলাকা যেন উৎসবে পরিণত হয়েছে।
সমাবেশস্থলের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সরেজমিনে দেখা গেছে, ৪৮ ফুট বাই ৩৬ ফুট আয়তনের সুবিশাল মঞ্চের নির্মাণকাজ ও সাজসজ্জা প্রায় শেষ। পুরো ৩০০ ফিট এলাকা ব্যানার, ফেস্টুন, জাতীয় ও দলীয় পতাকা এবং চোখধাঁধানো তোরণে ছেয়ে গেছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীকেও সক্রিয় দেখা গেছে। সেনাসদস্যদের একাধিক টিম দফায় দফায় সমাবেশস্থল ও এর আশপাশের এলাকা টহল দিচ্ছে। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে নিরাপত্তা চৌকি।
সারা দেশ থেকে আসা নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস কিশোরগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, কুষ্টিয়া, চট্টগ্রাম, রংপুর ও বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতাকর্মীরা সকাল থেকেই সমাবেশস্থলে জড়ো হতে শুরু করেছেন। অনেকেই রাত কাটানোর প্রস্তুতি নিয়ে আগেভাগেই চলে এসেছেন।
কিশোরগঞ্জ থেকে আসা নেতা শামীম আহমেদ বলেন, “এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক মাহেন্দ্রক্ষণ। ২৫ ডিসেম্বর শুধু বিএনপির কর্মসূচি নয়, এটি সাধারণ মানুষের আনন্দের দিন।”
চট্টগ্রামের ইলিয়াস হোসেনের মতে, “আগামীকাল ঢাকা শহর এমন জনসমুদ্র দেখবে যা আগে কখনো দেখেনি। মানুষ তার নেতার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে।”

রুহুল কবির রিজভীর আশাবাদ সংবর্ধনা কমিটির সদস্য সচিব ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান, তারেক রহমানের এই সংবর্ধনায় অন্তত ৫০ লাখ মানুষের সমাগম হবে। তিনি বলেন, “বিমানবন্দর থেকে নেমে বনানী ও কাকলী হয়ে সরাসরি ৩০০ ফিটের এই মঞ্চে উঠবেন তারেক রহমান। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মানুষের ঢল প্রমাণ করে, আগামীকাল এটি একটি ঐতিহাসিক মহামেলায় পরিণত হবে।”
উল্লেখ্য, গত রোববার থেকেই এই বিশাল মঞ্চ নির্মাণের কাজ শুরু হয় এবং আজ বিকেলের মধ্যেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। দলটির দাবি, স্বৈরাচার পতনের পর তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি
প্রিয় নেতাকে বরণ করে নিতে একদিন আগেই রাজধানীসহ সারা দেশ থেকে আসা নেতাকর্মীদের ঢলে পুরো এলাকা যেন উৎসবে পরিণত হয়েছে।
সমাবেশস্থলের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সরেজমিনে দেখা গেছে, ৪৮ ফুট বাই ৩৬ ফুট আয়তনের সুবিশাল মঞ্চের নির্মাণকাজ ও সাজসজ্জা প্রায় শেষ। পুরো ৩০০ ফিট এলাকা ব্যানার, ফেস্টুন, জাতীয় ও দলীয় পতাকা এবং চোখধাঁধানো তোরণে ছেয়ে গেছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীকেও সক্রিয় দেখা গেছে। সেনাসদস্যদের একাধিক টিম দফায় দফায় সমাবেশস্থল ও এর আশপাশের এলাকা টহল দিচ্ছে। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে নিরাপত্তা চৌকি।
সারা দেশ থেকে আসা নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস কিশোরগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, কুষ্টিয়া, চট্টগ্রাম, রংপুর ও বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতাকর্মীরা সকাল থেকেই সমাবেশস্থলে জড়ো হতে শুরু করেছেন। অনেকেই রাত কাটানোর প্রস্তুতি নিয়ে আগেভাগেই চলে এসেছেন।
কিশোরগঞ্জ থেকে আসা নেতা শামীম আহমেদ বলেন, “এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক মাহেন্দ্রক্ষণ। ২৫ ডিসেম্বর শুধু বিএনপির কর্মসূচি নয়, এটি সাধারণ মানুষের আনন্দের দিন।”
চট্টগ্রামের ইলিয়াস হোসেনের মতে, “আগামীকাল ঢাকা শহর এমন জনসমুদ্র দেখবে যা আগে কখনো দেখেনি। মানুষ তার নেতার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে।”

রুহুল কবির রিজভীর আশাবাদ সংবর্ধনা কমিটির সদস্য সচিব ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান, তারেক রহমানের এই সংবর্ধনায় অন্তত ৫০ লাখ মানুষের সমাগম হবে। তিনি বলেন, “বিমানবন্দর থেকে নেমে বনানী ও কাকলী হয়ে সরাসরি ৩০০ ফিটের এই মঞ্চে উঠবেন তারেক রহমান। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মানুষের ঢল প্রমাণ করে, আগামীকাল এটি একটি ঐতিহাসিক মহামেলায় পরিণত হবে।”
উল্লেখ্য, গত রোববার থেকেই এই বিশাল মঞ্চ নির্মাণের কাজ শুরু হয় এবং আজ বিকেলের মধ্যেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। দলটির দাবি, স্বৈরাচার পতনের পর তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

আপনার মতামত লিখুন