২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি।
বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে গণসংবর্ধনা মঞ্চে পৌঁছালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের পক্ষ থেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
বক্তব্যের মূল অংশসমূহ:
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ: বক্তব্যের শুরুতে তারেক রহমান মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করে বলেন, "জনগণের দোয়ায় ও আল্লাহর রহমতে আমি প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পেরেছি এবং আপনাদের মাঝে উপস্থিত হতে পেরেছি।"
গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষা: তিনি ১৯৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধ, ১৯৭৫-এর ৭ই নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লব এবং ২০২৪-এর ৫ই আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, "৭১-এর মতো ২০২৪ সালেও ছাত্র-জনতা, কৃষক-শ্রমিকসহ সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে।"
নিরাপদ বাংলাদেশের স্বপ্ন: তারেক রহমান একটি নিরাপদ রাষ্ট্র গড়ার অঙ্গীকার করে বলেন, "আমরা সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যে বাংলাদেশের স্বপ্ন একজন মা দেখেন। যেখানে নারী, পুরুষ বা শিশু—যিনিই হোক না কেন, নিরাপদে ঘর থেকে বের হয়ে যেন আবার নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারেন।"

ঐক্যবদ্ধ দেশ গড়ার ডাক: সমতল-পাহাড় এবং হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান জানান তিনি। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম, নারী, কৃষক-শ্রমিক ও প্রতিবন্ধী মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অধিকার পুনরুদ্ধার: তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের মানুষ এখন তাদের কথা বলার অধিকার, ভোটাধিকার এবং যোগ্যতা অনুযায়ী ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে চায়।
তারেক রহমান তার বক্তব্যে বিগত ১৫ বছরে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গুম, খুন ও ত্যাগের শিকার হওয়া হাজারো মানুষের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি।
বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে গণসংবর্ধনা মঞ্চে পৌঁছালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের পক্ষ থেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
বক্তব্যের মূল অংশসমূহ:
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ: বক্তব্যের শুরুতে তারেক রহমান মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করে বলেন, "জনগণের দোয়ায় ও আল্লাহর রহমতে আমি প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পেরেছি এবং আপনাদের মাঝে উপস্থিত হতে পেরেছি।"
গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষা: তিনি ১৯৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধ, ১৯৭৫-এর ৭ই নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লব এবং ২০২৪-এর ৫ই আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, "৭১-এর মতো ২০২৪ সালেও ছাত্র-জনতা, কৃষক-শ্রমিকসহ সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে।"
নিরাপদ বাংলাদেশের স্বপ্ন: তারেক রহমান একটি নিরাপদ রাষ্ট্র গড়ার অঙ্গীকার করে বলেন, "আমরা সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যে বাংলাদেশের স্বপ্ন একজন মা দেখেন। যেখানে নারী, পুরুষ বা শিশু—যিনিই হোক না কেন, নিরাপদে ঘর থেকে বের হয়ে যেন আবার নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারেন।"

ঐক্যবদ্ধ দেশ গড়ার ডাক: সমতল-পাহাড় এবং হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান জানান তিনি। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম, নারী, কৃষক-শ্রমিক ও প্রতিবন্ধী মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অধিকার পুনরুদ্ধার: তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের মানুষ এখন তাদের কথা বলার অধিকার, ভোটাধিকার এবং যোগ্যতা অনুযায়ী ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে চায়।
তারেক রহমান তার বক্তব্যে বিগত ১৫ বছরে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গুম, খুন ও ত্যাগের শিকার হওয়া হাজারো মানুষের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন