রাজনীতির সংবাদ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ ঘোষণা তারেক রহমানের....বিশেষ প্রতিনিধি: ঢাকাদীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ার জন্য নিজের একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পরিকল্পনার বিস্তারিত প্রকাশ না করলেও, তা বাস্তবায়নে দেশের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ঢাকার ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত বিশাল গণসংবর্ধনায় লাখো সমর্থকের সামনে প্রথমবারের মতো দেশে ফিরে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। সংবর্ধনা মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন,
‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান।’
এই বক্তব্যের আগে তিনি স্মরণ করেন যুক্তরাষ্ট্রের কিংবদন্তি বর্ণবৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের ঐতিহাসিক ভাষণ। তারেক রহমান বলেন, ১৯৬৩ সালের ২৭ আগস্ট ওয়াশিংটনের লিঙ্কন মেমোরিয়ালে লাখো মানুষের সামনে মার্টিন লুথার কিং বলেছিলেন—‘আই হ্যাভ আ ড্রিম’। সেই ঐতিহাসিক উক্তির প্রেক্ষাপট টেনে তিনি বাংলাদেশের জন্য নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
২০০৮ সাল থেকে লন্ডনে অবস্থান করা তারেক রহমান আজ দেশে ফেরেন এমন এক সময়ে, যখন তাঁর মা, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জাতীয় নির্বাচনের আগমুহূর্তে তাঁর এই প্রত্যাবর্তন রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
দুপুরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর একটি বিশেষ বাসে করে ঢাকার পথে রওনা হন তারেক রহমান। উচ্ছ্বসিত নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ভিড়ে বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচলের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে পর্যন্ত প্রায় সাত কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে তাঁর সময় লাগে তিন ঘণ্টারও বেশি। বিকেলে তিনি সংবর্ধনা মঞ্চে পৌঁছান।
দেশে ফিরে প্রথম ভাষণে তারেক রহমান বলেন,
‘আমরা এই দেশের শান্তি চাই। আজ এই বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন সদস্য হিসেবে আমি আপনাদের সামনে বলতে চাই—আই হ্যাভ আ প্ল্যান, পিপল অব মাই কান্ট্রি, ফর মাই কান্ট্রি। এই পরিকল্পনা দেশের মানুষের স্বার্থেই।’
নিজের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গণতান্ত্রিক শক্তি ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা অপরিহার্য উল্লেখ করে তিনি বলেন,
‘দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে আপনাদের প্রত্যেকের সহযোগিতা প্রয়োজন। আপনারা যদি আমাদের পাশে থাকেন, ইনশা আল্লাহ আমরা এই “আই হ্যাভ আ প্ল্যান” বাস্তবায়ন করতে পারব।’
দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন,
‘আমরা যে ধর্মের মানুষই হই, যে শ্রেণিরই হই, যে রাজনৈতিক মতাদর্শেরই হই—আমাদের সবাইকে যেকোনো মূল্যে দেশের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। শিশু, নারী, পুরুষ—সব বয়স ও সব ধর্মের মানুষ যেন নিরাপদে থাকতে পারে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
বক্তব্যের শেষভাগে তিনি দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে ন্যায়পরায়ণতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন,
‘আসুন, আমরা সকলে মিলে প্রতিজ্ঞা করি—আগামী দিনে যারা দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আসবে, তারা যেন নবী করিম (সা.)-এর ন্যায়পরায়ণতাকে আদর্শ হিসেবে নিয়ে দেশ পরিচালনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে।'
রাজনীতির সংবাদ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ ঘোষণা তারেক রহমানের....বিশেষ প্রতিনিধি: ঢাকাদীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ার জন্য নিজের একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পরিকল্পনার বিস্তারিত প্রকাশ না করলেও, তা বাস্তবায়নে দেশের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ঢাকার ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত বিশাল গণসংবর্ধনায় লাখো সমর্থকের সামনে প্রথমবারের মতো দেশে ফিরে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। সংবর্ধনা মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন,
‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান।’
এই বক্তব্যের আগে তিনি স্মরণ করেন যুক্তরাষ্ট্রের কিংবদন্তি বর্ণবৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের ঐতিহাসিক ভাষণ। তারেক রহমান বলেন, ১৯৬৩ সালের ২৭ আগস্ট ওয়াশিংটনের লিঙ্কন মেমোরিয়ালে লাখো মানুষের সামনে মার্টিন লুথার কিং বলেছিলেন—‘আই হ্যাভ আ ড্রিম’। সেই ঐতিহাসিক উক্তির প্রেক্ষাপট টেনে তিনি বাংলাদেশের জন্য নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
২০০৮ সাল থেকে লন্ডনে অবস্থান করা তারেক রহমান আজ দেশে ফেরেন এমন এক সময়ে, যখন তাঁর মা, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জাতীয় নির্বাচনের আগমুহূর্তে তাঁর এই প্রত্যাবর্তন রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
দুপুরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর একটি বিশেষ বাসে করে ঢাকার পথে রওনা হন তারেক রহমান। উচ্ছ্বসিত নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ভিড়ে বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচলের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে পর্যন্ত প্রায় সাত কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে তাঁর সময় লাগে তিন ঘণ্টারও বেশি। বিকেলে তিনি সংবর্ধনা মঞ্চে পৌঁছান।
দেশে ফিরে প্রথম ভাষণে তারেক রহমান বলেন,
‘আমরা এই দেশের শান্তি চাই। আজ এই বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন সদস্য হিসেবে আমি আপনাদের সামনে বলতে চাই—আই হ্যাভ আ প্ল্যান, পিপল অব মাই কান্ট্রি, ফর মাই কান্ট্রি। এই পরিকল্পনা দেশের মানুষের স্বার্থেই।’
নিজের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গণতান্ত্রিক শক্তি ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা অপরিহার্য উল্লেখ করে তিনি বলেন,
‘দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে আপনাদের প্রত্যেকের সহযোগিতা প্রয়োজন। আপনারা যদি আমাদের পাশে থাকেন, ইনশা আল্লাহ আমরা এই “আই হ্যাভ আ প্ল্যান” বাস্তবায়ন করতে পারব।’
দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন,
‘আমরা যে ধর্মের মানুষই হই, যে শ্রেণিরই হই, যে রাজনৈতিক মতাদর্শেরই হই—আমাদের সবাইকে যেকোনো মূল্যে দেশের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। শিশু, নারী, পুরুষ—সব বয়স ও সব ধর্মের মানুষ যেন নিরাপদে থাকতে পারে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
বক্তব্যের শেষভাগে তিনি দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে ন্যায়পরায়ণতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন,
‘আসুন, আমরা সকলে মিলে প্রতিজ্ঞা করি—আগামী দিনে যারা দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আসবে, তারা যেন নবী করিম (সা.)-এর ন্যায়পরায়ণতাকে আদর্শ হিসেবে নিয়ে দেশ পরিচালনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে।'
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন