ঢাকা ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
সকাল ৮টায় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সম্মেলনের কাজ শুরু হয়। জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ কিশোর মুনতাসির আলিফের পিতা সৈয়দ গাজিউর রহমান সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং গুম হওয়া সদস্যদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “১৯৪৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ত্যাগের বিনিময়ে আজকের বাংলাদেশ অর্জিত হয়েছে। গত ৫৪ বছর শিক্ষাঙ্গনে অস্ত্রের শাসন চললেও এখন সময় এসেছে কলমের মাধ্যমে মেধা বিকাশের পরিবেশ নিশ্চিত করার।” তিনি আরও বলেন, “২০২৪-পরবর্তী বাস্তবতায় ছাত্রশিবির এখন ছাত্রসমাজের অভিভাবকের দায়িত্ব পেয়েছে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নারী ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মাদকমুক্ত শিক্ষাঙ্গন গড়তে শিবিরকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।”
কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দামের সঞ্চালনায় সম্মেলনে দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় নেতৃবৃন্দ: জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, মাওলানা শামসুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আশরাফ আলী আকন, জাগপা’র রাশেদ প্রধান, লেবার পার্টির ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রমুখ।
বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব: ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান, মুফতি কাজী ইবরাহীম, মাওলানা সাইয়্যেদ কামালুদ্দীন জাফরী।
আন্তর্জাতিক অতিথি: শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং যুক্তরাজ্যসহ আন্তর্জাতিক ইসলামী ছাত্র সংগঠন (IIFSO) ও ইয়ুথ ফোরামের প্রতিনিধিরা সম্মেলনে অংশ নেন।
জাগপা ছাত্রলীগ, জাতীয় ছাত্র সমাজ, খেলাফত ছাত্র মজলিসসহ বিভিন্ন বন্ধুপ্রতিম ছাত্রসংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ সংহতি প্রকাশ করে সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
দুপুর ১টায় সভাপতির সমাপনী বক্তব্য ও মোনাজাতের মাধ্যমে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন সমাপ্ত হয়। এরপর দ্বিতীয় অধিবেশনে ২০২৬ সেশনের নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করা হয়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
ঢাকা ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
সকাল ৮টায় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সম্মেলনের কাজ শুরু হয়। জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ কিশোর মুনতাসির আলিফের পিতা সৈয়দ গাজিউর রহমান সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং গুম হওয়া সদস্যদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “১৯৪৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ত্যাগের বিনিময়ে আজকের বাংলাদেশ অর্জিত হয়েছে। গত ৫৪ বছর শিক্ষাঙ্গনে অস্ত্রের শাসন চললেও এখন সময় এসেছে কলমের মাধ্যমে মেধা বিকাশের পরিবেশ নিশ্চিত করার।” তিনি আরও বলেন, “২০২৪-পরবর্তী বাস্তবতায় ছাত্রশিবির এখন ছাত্রসমাজের অভিভাবকের দায়িত্ব পেয়েছে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নারী ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মাদকমুক্ত শিক্ষাঙ্গন গড়তে শিবিরকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।”
কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দামের সঞ্চালনায় সম্মেলনে দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় নেতৃবৃন্দ: জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, মাওলানা শামসুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আশরাফ আলী আকন, জাগপা’র রাশেদ প্রধান, লেবার পার্টির ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রমুখ।
বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব: ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান, মুফতি কাজী ইবরাহীম, মাওলানা সাইয়্যেদ কামালুদ্দীন জাফরী।
আন্তর্জাতিক অতিথি: শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং যুক্তরাজ্যসহ আন্তর্জাতিক ইসলামী ছাত্র সংগঠন (IIFSO) ও ইয়ুথ ফোরামের প্রতিনিধিরা সম্মেলনে অংশ নেন।
জাগপা ছাত্রলীগ, জাতীয় ছাত্র সমাজ, খেলাফত ছাত্র মজলিসসহ বিভিন্ন বন্ধুপ্রতিম ছাত্রসংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ সংহতি প্রকাশ করে সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
দুপুর ১টায় সভাপতির সমাপনী বক্তব্য ও মোনাজাতের মাধ্যমে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন সমাপ্ত হয়। এরপর দ্বিতীয় অধিবেশনে ২০২৬ সেশনের নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন