২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে মাহফুজ আলম নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কোনো সিদ্ধান্ত তিনি নেননি। ফলে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে নিজেকে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।
২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের প্রতিনিধি হিসেবে মাহফুজ আলম অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টার দায়িত্ব পান। নির্বাচন সামনে রেখে গত ১০ ডিসেম্বর তিনি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন।
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনের নীতি ও কর্মসূচি প্রণয়নে তিনি সম্মুখসারিতে ছিলেন। তার ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধারা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গঠন করেন। যদিও শুরুতে এই দলে তার প্রভাব ছিল, তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা হ্রাস পায়।
মাহফুজ আলমকে নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা গুঞ্জন ছিল। তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়ে 'ধানের শীষ' প্রতীকে নির্বাচন করতে পারেন—এমন আলোচনাও শোনা গিয়েছিল। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে প্রায়ই জামায়াতে ইসলামীর আদর্শিক অবস্থানের সমালোচনা করতে দেখা গেছে।
সর্বশেষ গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর) জামায়াত ও সমমনা দলগুলোর ১০ দলীয় নির্বাচনী সমঝোতায় এনসিপি আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দেয়। এই ঘোষণার পর মাহফুজ আলম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে জানান, ওই সমঝোতার আওতায় তাকে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, এই রাজনৈতিক সমঝোতা বা এনসিপির বর্তমান নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
মনোনয়নপত্র জমা না দেওয়ার মাধ্যমে লক্ষ্মীপুর-১ আসন তথা জাতীয় নির্বাচন ঘিরে মাহফুজ আলমের ভূমিকা নিয়ে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটল।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে মাহফুজ আলম নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কোনো সিদ্ধান্ত তিনি নেননি। ফলে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে নিজেকে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।
২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের প্রতিনিধি হিসেবে মাহফুজ আলম অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টার দায়িত্ব পান। নির্বাচন সামনে রেখে গত ১০ ডিসেম্বর তিনি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন।
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনের নীতি ও কর্মসূচি প্রণয়নে তিনি সম্মুখসারিতে ছিলেন। তার ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধারা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গঠন করেন। যদিও শুরুতে এই দলে তার প্রভাব ছিল, তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা হ্রাস পায়।
মাহফুজ আলমকে নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা গুঞ্জন ছিল। তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়ে 'ধানের শীষ' প্রতীকে নির্বাচন করতে পারেন—এমন আলোচনাও শোনা গিয়েছিল। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে প্রায়ই জামায়াতে ইসলামীর আদর্শিক অবস্থানের সমালোচনা করতে দেখা গেছে।
সর্বশেষ গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর) জামায়াত ও সমমনা দলগুলোর ১০ দলীয় নির্বাচনী সমঝোতায় এনসিপি আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দেয়। এই ঘোষণার পর মাহফুজ আলম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে জানান, ওই সমঝোতার আওতায় তাকে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, এই রাজনৈতিক সমঝোতা বা এনসিপির বর্তমান নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
মনোনয়নপত্র জমা না দেওয়ার মাধ্যমে লক্ষ্মীপুর-১ আসন তথা জাতীয় নির্বাচন ঘিরে মাহফুজ আলমের ভূমিকা নিয়ে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটল।

আপনার মতামত লিখুন