নজরবিডি, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে নেত্রকোণা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে তাহমিনা জামানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেন বাবরের একান্ত সচিব মির্জা হায়দার। নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এই আসনে বিএনপি থেকে লুৎফুজ্জামান বাবরকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হলেও তার স্ত্রীর স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা চৌধুরীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
স্ত্রীর প্রার্থিতার বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে লুৎফুজ্জামান বাবর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে নেত্রকোণা জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. আনোয়ারুল হক বলেন, "আমরা শুনেছি বাবরের সহধর্মিণী স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তবে দলগতভাবে এই আসনে লুৎফুজ্জামান বাবরকেই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।"
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একই আসনে স্বামী-স্ত্রীর মনোনয়নপত্র দাখিল অনেক সময় কৌশলগত কারণে হয়ে থাকে। কোনো কারণে মূল প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হওয়া বা আইনি জটিলতা এড়াতে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে পরিবারের সদস্যকে রাখা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত যাচাই-বাছাই ও কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের পরই এই আসনের চূড়ান্ত চিত্র স্পষ্ট হবে।
এই দ্বিমুখী মনোনয়নপত্র দাখিল নেত্রকোণা-৪ আসনের নির্বাচনি লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যোগ করল বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
নজরবিডি, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে নেত্রকোণা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে তাহমিনা জামানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেন বাবরের একান্ত সচিব মির্জা হায়দার। নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এই আসনে বিএনপি থেকে লুৎফুজ্জামান বাবরকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হলেও তার স্ত্রীর স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা চৌধুরীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
স্ত্রীর প্রার্থিতার বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে লুৎফুজ্জামান বাবর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে নেত্রকোণা জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. আনোয়ারুল হক বলেন, "আমরা শুনেছি বাবরের সহধর্মিণী স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তবে দলগতভাবে এই আসনে লুৎফুজ্জামান বাবরকেই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।"
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একই আসনে স্বামী-স্ত্রীর মনোনয়নপত্র দাখিল অনেক সময় কৌশলগত কারণে হয়ে থাকে। কোনো কারণে মূল প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হওয়া বা আইনি জটিলতা এড়াতে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে পরিবারের সদস্যকে রাখা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত যাচাই-বাছাই ও কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের পরই এই আসনের চূড়ান্ত চিত্র স্পষ্ট হবে।
এই দ্বিমুখী মনোনয়নপত্র দাখিল নেত্রকোণা-৪ আসনের নির্বাচনি লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যোগ করল বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।

আপনার মতামত লিখুন