৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৯
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী) আসনে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) প্রার্থী হিসেবে সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
খাইরুল ইসলাম সরকারের পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ দিন নৈশপ্রহরী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন, কিন্তু সরকারি চাকরিতে কর্মরত থাকায় তখন তার মনোনয়নপত্রটি আইনি জটিলতায় বাতিল হয়ে যায়। এবার সেই ঝুঁকি এড়াতে নির্বাচনের প্রায় চার মাস আগেই তিনি স্বেচ্ছায় চাকরি থেকে পদত্যাগ করেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের খাইরুল ইসলাম বলেন:
"আপনারা সবাই আমার জন্য আশীর্বাদ করবেন। জনগণের প্রতিনিধি হওয়ার যে স্বপ্ন আমি মনে লালন করি, তা বাস্তবায়নে এবার চার মাস আগেই স্বেচ্ছায় পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। আমি গত বছরও অংশ নিতে চেয়েছিলাম কিন্তু চাকরি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এবার আমি মুক্ত, এখন বাকিটা আল্লাহ ভরসা।"
একজন সাধারণ নৈশপ্রহরীর এমন সাহসিকতা এবং সংসদ সদস্য হওয়ার দৃঢ় ইচ্ছা স্থানীয় খোকসা ও কুমারখালী এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাধারণ মানুষ বলছেন, খাইরুলের এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে দেশ ও মানুষের সেবায় পদের চেয়ে ইচ্ছাশক্তিই বড়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, একজন সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের নির্বাচনে অংশগ্রহণ কুষ্টিয়া-৪ আসনের লড়াইকে আরও বৈচিত্র্যময় ও অংশগ্রহণমূলক করে তুলবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৯
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী) আসনে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) প্রার্থী হিসেবে সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
খাইরুল ইসলাম সরকারের পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ দিন নৈশপ্রহরী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন, কিন্তু সরকারি চাকরিতে কর্মরত থাকায় তখন তার মনোনয়নপত্রটি আইনি জটিলতায় বাতিল হয়ে যায়। এবার সেই ঝুঁকি এড়াতে নির্বাচনের প্রায় চার মাস আগেই তিনি স্বেচ্ছায় চাকরি থেকে পদত্যাগ করেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের খাইরুল ইসলাম বলেন:
"আপনারা সবাই আমার জন্য আশীর্বাদ করবেন। জনগণের প্রতিনিধি হওয়ার যে স্বপ্ন আমি মনে লালন করি, তা বাস্তবায়নে এবার চার মাস আগেই স্বেচ্ছায় পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। আমি গত বছরও অংশ নিতে চেয়েছিলাম কিন্তু চাকরি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এবার আমি মুক্ত, এখন বাকিটা আল্লাহ ভরসা।"
একজন সাধারণ নৈশপ্রহরীর এমন সাহসিকতা এবং সংসদ সদস্য হওয়ার দৃঢ় ইচ্ছা স্থানীয় খোকসা ও কুমারখালী এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাধারণ মানুষ বলছেন, খাইরুলের এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে দেশ ও মানুষের সেবায় পদের চেয়ে ইচ্ছাশক্তিই বড়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, একজন সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের নির্বাচনে অংশগ্রহণ কুষ্টিয়া-৪ আসনের লড়াইকে আরও বৈচিত্র্যময় ও অংশগ্রহণমূলক করে তুলবে।

আপনার মতামত লিখুন