নজরবিডি, ৩ জানুয়ারি ২০২৬
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাতে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ড. আযাদ বলেন, ২০১৩ সালের একটি আদালত অবমাননার মামলাকে কেন্দ্র করে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অন্যায়। তাঁর দাবি:
হলফনামায় ঋণখেলাপি, ট্যাক্স ফাঁকি বা রাষ্ট্রীয় কোনো আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ নেই।
যে মামলায় প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে, তা কোনো ফৌজদারি অপরাধ (Criminal Case) নয়।
একই ইস্যু ২০১৮ সালের নির্বাচনেও উত্থাপিত হয়েছিল, কিন্তু তখন রিটার্নিং অফিসার এটিকে অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য করেননি। এমনকি ওই মামলার রায়ের পরও তিনি দেড় বছর সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ড. আযাদ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আচরণ নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তিনি জানান, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের বিরতির সময় তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে আলাদা ডেকে নিয়ে নতুন পিটিশন গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন:
"মনোনয়ন বাতিলের ঘোষণা আসার পর উপস্থিত কিছু সরকারি কর্মকর্তাকে হাততালি দিতে দেখা গেছে। যারা প্রশাসনে দায়িত্ব পালনকালে এমন আচরণ করেন, তারা কখনও নিরপেক্ষ হতে পারেন না। এটিই প্রমাণ করে যে প্রশাসনে এখনও ফ্যাসিবাদের দোসররা সক্রিয়।"
একটি স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, পুরনো রাজনৈতিক মামলাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তিনি প্রশাসনে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পরিবেশ এবং পক্ষপাতদুষ্ট কর্মকর্তাদের অপসারণ দাবি করেন।
ড. আযাদ জানান, তিনি ইতিমধ্যে পুনরায় শুনানির আবেদন জমা দিয়েছেন এবং প্রয়োজনে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হবেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ৩ জানুয়ারি ২০২৬
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাতে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ড. আযাদ বলেন, ২০১৩ সালের একটি আদালত অবমাননার মামলাকে কেন্দ্র করে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অন্যায়। তাঁর দাবি:
হলফনামায় ঋণখেলাপি, ট্যাক্স ফাঁকি বা রাষ্ট্রীয় কোনো আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ নেই।
যে মামলায় প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে, তা কোনো ফৌজদারি অপরাধ (Criminal Case) নয়।
একই ইস্যু ২০১৮ সালের নির্বাচনেও উত্থাপিত হয়েছিল, কিন্তু তখন রিটার্নিং অফিসার এটিকে অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য করেননি। এমনকি ওই মামলার রায়ের পরও তিনি দেড় বছর সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ড. আযাদ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আচরণ নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তিনি জানান, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের বিরতির সময় তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে আলাদা ডেকে নিয়ে নতুন পিটিশন গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন:
"মনোনয়ন বাতিলের ঘোষণা আসার পর উপস্থিত কিছু সরকারি কর্মকর্তাকে হাততালি দিতে দেখা গেছে। যারা প্রশাসনে দায়িত্ব পালনকালে এমন আচরণ করেন, তারা কখনও নিরপেক্ষ হতে পারেন না। এটিই প্রমাণ করে যে প্রশাসনে এখনও ফ্যাসিবাদের দোসররা সক্রিয়।"
একটি স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, পুরনো রাজনৈতিক মামলাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তিনি প্রশাসনে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পরিবেশ এবং পক্ষপাতদুষ্ট কর্মকর্তাদের অপসারণ দাবি করেন।
ড. আযাদ জানান, তিনি ইতিমধ্যে পুনরায় শুনানির আবেদন জমা দিয়েছেন এবং প্রয়োজনে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হবেন।

আপনার মতামত লিখুন