ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুলের আয়-সম্পদের বিবরণ প্রকাশ
ফরিদপুর-৪ সংসদীয় আসন (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় নিজের ও স্ত্রীর আয়-সম্পদের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছেন।
হলফনামা অনুযায়ী, শহিদুল ইসলাম বাবুলের বার্ষিক আয় ১৮ লাখ ৮৫ হাজার ৭৯৪ টাকা। তার স্ত্রী নাজনীন রীনার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ১৩ লাখ ১৬ হাজার ৩৯ টাকা।
অস্থাবর সম্পদের হিসাবে শহিদুল ইসলাম বাবুলের নিজের নামে নগদ অর্থ রয়েছে ১৫ হাজার ৭০২ টাকা এবং ব্যাংকে জমা আছে ৮ লাখ ৮২ হাজার ৭২০ টাকা। এছাড়া তার মালিকানায় প্রাইভেটকার, বাস ও ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের মোট মূল্য দেখানো হয়েছে ২৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা। হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, তার নিজের নামে কোনো স্বর্ণালংকার নেই।
অন্যদিকে তার স্ত্রী নাজনীন রীনার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি। হলফনামা অনুযায়ী, তার নগদ অর্থের পরিমাণ ২৭ লাখ ৬৬ হাজার ৫৩৮ টাকা এবং ব্যাংকে জমা রয়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ২১৯ টাকা। এছাড়া সঞ্চয়পত্র, ফিক্সড ডিপোজিট ও ডাক সঞ্চয়পত্রে তার বিনিয়োগের পরিমাণ মোট ৩২ লাখ টাকা। স্বর্ণালংকার হিসেবে তার নামে রয়েছে ২১ ভরি। পাশাপাশি তার মালিকানায় রয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ৫০০ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার আসবাবপত্র।
আয়কর সংক্রান্ত তথ্যে জানা যায়, সর্বশেষ আয়বর্ষে শহিদুল ইসলাম বাবুল ১ লাখ ১৫ হাজার ৯৭৯ টাকা আয়কর পরিশোধ করেছেন। তার স্ত্রী নাজনীন রীনা আয়কর দিয়েছেন ৪১ হাজার ৩৪৫ টাকা।
হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, শহিদুল ইসলাম বাবুলের বিরুদ্ধে অতীতে ৪০টি মামলা ছিল। তবে তিনি সব মামলায় খালাস পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে কোনো বিচারাধীন মামলা নেই বলেও হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।
ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুলের আয়-সম্পদের বিবরণ প্রকাশ
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
ফরিদপুর-৪ সংসদীয় আসন (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় নিজের ও স্ত্রীর আয়-সম্পদের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছেন।
হলফনামা অনুযায়ী, শহিদুল ইসলাম বাবুলের বার্ষিক আয় ১৮ লাখ ৮৫ হাজার ৭৯৪ টাকা। তার স্ত্রী নাজনীন রীনার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ১৩ লাখ ১৬ হাজার ৩৯ টাকা।
অস্থাবর সম্পদের হিসাবে শহিদুল ইসলাম বাবুলের নিজের নামে নগদ অর্থ রয়েছে ১৫ হাজার ৭০২ টাকা এবং ব্যাংকে জমা আছে ৮ লাখ ৮২ হাজার ৭২০ টাকা। এছাড়া তার মালিকানায় প্রাইভেটকার, বাস ও ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের মোট মূল্য দেখানো হয়েছে ২৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা। হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, তার নিজের নামে কোনো স্বর্ণালংকার নেই।
অন্যদিকে তার স্ত্রী নাজনীন রীনার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি। হলফনামা অনুযায়ী, তার নগদ অর্থের পরিমাণ ২৭ লাখ ৬৬ হাজার ৫৩৮ টাকা এবং ব্যাংকে জমা রয়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ২১৯ টাকা। এছাড়া সঞ্চয়পত্র, ফিক্সড ডিপোজিট ও ডাক সঞ্চয়পত্রে তার বিনিয়োগের পরিমাণ মোট ৩২ লাখ টাকা। স্বর্ণালংকার হিসেবে তার নামে রয়েছে ২১ ভরি। পাশাপাশি তার মালিকানায় রয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ৫০০ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার আসবাবপত্র।
আয়কর সংক্রান্ত তথ্যে জানা যায়, সর্বশেষ আয়বর্ষে শহিদুল ইসলাম বাবুল ১ লাখ ১৫ হাজার ৯৭৯ টাকা আয়কর পরিশোধ করেছেন। তার স্ত্রী নাজনীন রীনা আয়কর দিয়েছেন ৪১ হাজার ৩৪৫ টাকা।
হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, শহিদুল ইসলাম বাবুলের বিরুদ্ধে অতীতে ৪০টি মামলা ছিল। তবে তিনি সব মামলায় খালাস পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে কোনো বিচারাধীন মামলা নেই বলেও হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন