প্রতি বছরের মতো এবারও ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গত মঙ্গলবার সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর থানাধীন নিশ্চিন্তপুর ইউনিয়নে গরিব ও মেহনতি শীতার্ত মানুষের মাঝে প্রায় ৩০০টি কম্বল বিতরণ করা হয়।
কনকনে শীতে দরিদ্র মানুষের যখন রাত কাটে অনিশ্চয়তা ও কষ্টে, তখন এই কম্বল বিতরণ তাদের কাছে শুধু শীত নিবারণের উপকরণ নয়—বরং ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও মানবিক আশ্বাসের প্রতীক হয়ে ওঠে।

আমেরিকা প্রবাসী সমাজসেবক এবং বিসমিল্লাহ লাইভ হালাল পোল্ট্রি ও মিট মার্কেটের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আব্দুস সালাম ভূঁইয়া এবং বিদিতা রহমান ভূঁইয়ার পক্ষ থেকে তাদের ভাগিনা জাহিদুল হক জুয়েল নিজ হাতে এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে এসব কম্বল বিতরণ করেন। কম্বল গ্রহণের সময় অসহায় মানুষের মুখে ফুটে ওঠা প্রশান্তির হাসিই যেন এই মানবিক উদ্যোগের সার্থকতা তুলে ধরে।
এ মানবিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করেন নুরুল আমিন জিন্টু, সোলায়মান হক, মিল্টন ভূঁইয়া, আরিফুল হক বাবু ও লায়লা হকসহ আরও অনেকে। তাদের নিরলস পরিশ্রম ও আন্তরিক সহযোগিতায় পুরো কর্মসূচিটি সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের এ ধরনের উদ্যোগ শুধু শীত নিবারণেই সীমাবদ্ধ নয়—এটি সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন প্রমাণ করেছে, মানবতা আজও বেঁচে আছে এবং ভালোবাসা আজও মানুষকে মানুষে বেঁধে রাখে।
ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের এই মহৎ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মহলের জন্য অনুকরণীয় ও অনুসরণযোগ্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
প্রতি বছরের মতো এবারও ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গত মঙ্গলবার সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর থানাধীন নিশ্চিন্তপুর ইউনিয়নে গরিব ও মেহনতি শীতার্ত মানুষের মাঝে প্রায় ৩০০টি কম্বল বিতরণ করা হয়।
কনকনে শীতে দরিদ্র মানুষের যখন রাত কাটে অনিশ্চয়তা ও কষ্টে, তখন এই কম্বল বিতরণ তাদের কাছে শুধু শীত নিবারণের উপকরণ নয়—বরং ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও মানবিক আশ্বাসের প্রতীক হয়ে ওঠে।

আমেরিকা প্রবাসী সমাজসেবক এবং বিসমিল্লাহ লাইভ হালাল পোল্ট্রি ও মিট মার্কেটের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আব্দুস সালাম ভূঁইয়া এবং বিদিতা রহমান ভূঁইয়ার পক্ষ থেকে তাদের ভাগিনা জাহিদুল হক জুয়েল নিজ হাতে এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে এসব কম্বল বিতরণ করেন। কম্বল গ্রহণের সময় অসহায় মানুষের মুখে ফুটে ওঠা প্রশান্তির হাসিই যেন এই মানবিক উদ্যোগের সার্থকতা তুলে ধরে।
এ মানবিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করেন নুরুল আমিন জিন্টু, সোলায়মান হক, মিল্টন ভূঁইয়া, আরিফুল হক বাবু ও লায়লা হকসহ আরও অনেকে। তাদের নিরলস পরিশ্রম ও আন্তরিক সহযোগিতায় পুরো কর্মসূচিটি সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের এ ধরনের উদ্যোগ শুধু শীত নিবারণেই সীমাবদ্ধ নয়—এটি সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন প্রমাণ করেছে, মানবতা আজও বেঁচে আছে এবং ভালোবাসা আজও মানুষকে মানুষে বেঁধে রাখে।
ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের এই মহৎ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মহলের জন্য অনুকরণীয় ও অনুসরণযোগ্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন