বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে বিভীষিকাময় সময়ের অবসান হয়েছে এবং দেশের মানুষ এখন গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি ২০২৬) বিগত আন্দোলনের সময় গুম, খুন ও নিগ্রহের শিকার পরিবারগুলোর সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, স্বজন হারানো পরিবারগুলোকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা আমাদের নেই। তবে রাষ্ট্র বা সরকার আপনাদের এই আত্মত্যাগ কখনোই ভুলে যেতে পারে না।
ফ্যাসিবাদী শাসনের সময় অসংখ্য গুম-খুন ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েও বিএনপির কোনো নেতাকর্মী রাজপথ ছাড়েনি। এক ভাই গুম হলে অন্য ভাই সেই আন্দোলনকে আরও তীব্রতর করার শপথ নিয়েছে। এই ত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।
নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক কিছু ভূমিকাকে ‘বিতর্কিত’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি দায়িত্বশীল দল হিসেবে আমরা ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছি। কমিশনকে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ ভূমিকা পালন করতে হবে।
যারা বিভিন্ন উসিলা বা বিতর্ক তৈরি করে দেশের গণতান্ত্রিক পথকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে, তাদের বিষয়ে দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
শহীদদের স্মৃতি রক্ষায় বিএনপির বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে, যা আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে এখন বিস্তারিত প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তবে একটি মানবিক ও দায়িত্বশীল রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যমে সকল নির্যাতিত পরিবারের পাশে দাঁড়ানো হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা, হুম্মাম কাদের চৌধুরী এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনসহ আরও অনেকে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে বিভীষিকাময় সময়ের অবসান হয়েছে এবং দেশের মানুষ এখন গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি ২০২৬) বিগত আন্দোলনের সময় গুম, খুন ও নিগ্রহের শিকার পরিবারগুলোর সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, স্বজন হারানো পরিবারগুলোকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা আমাদের নেই। তবে রাষ্ট্র বা সরকার আপনাদের এই আত্মত্যাগ কখনোই ভুলে যেতে পারে না।
ফ্যাসিবাদী শাসনের সময় অসংখ্য গুম-খুন ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েও বিএনপির কোনো নেতাকর্মী রাজপথ ছাড়েনি। এক ভাই গুম হলে অন্য ভাই সেই আন্দোলনকে আরও তীব্রতর করার শপথ নিয়েছে। এই ত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।
নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক কিছু ভূমিকাকে ‘বিতর্কিত’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি দায়িত্বশীল দল হিসেবে আমরা ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছি। কমিশনকে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ ভূমিকা পালন করতে হবে।
যারা বিভিন্ন উসিলা বা বিতর্ক তৈরি করে দেশের গণতান্ত্রিক পথকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে, তাদের বিষয়ে দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
শহীদদের স্মৃতি রক্ষায় বিএনপির বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে, যা আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে এখন বিস্তারিত প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তবে একটি মানবিক ও দায়িত্বশীল রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যমে সকল নির্যাতিত পরিবারের পাশে দাঁড়ানো হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা, হুম্মাম কাদের চৌধুরী এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনসহ আরও অনেকে।

আপনার মতামত লিখুন