লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুই মামলায় অজ্ঞাতনামাসহ মোট ৩৮৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষের ঘটনায় দুই পক্ষই থানায় পৃথক এজাহার দাখিল করেছে:
জামায়াতের মামলা, চরশাহী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড যুব জামায়াত সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন (নামীয় ১০ জন, অজ্ঞাত ১৬০ জন)।
বিএনপির মামলা, চরশাহী ইউনিয়ন বিএনপি কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে ২১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন (নামীয় ১৭ জন, অজ্ঞাত ২০০ জন)।
গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে চরশাহী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বটগাছতল এলাকায় এই সংঘর্ষ ঘটে। বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, জামায়াতের কর্মীরা 'মহিলা সভার' নামে ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) সংগ্রহ করছিলেন, যা নিয়ে বাধা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়। অন্যদিকে জামায়াতের দাবি, তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বিএনপি হামলা চালিয়েছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়ে বর্তমানে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি (বিএনপি প্রার্থী) তিনি বলেন, "ঘটনার সূত্রপাত আইডি কার্ড সংগ্রহ নিয়ে। তবে উভয়পক্ষের মধ্যেই অপরাধ প্রবণতা দেখা দিয়েছে। আমি উভয়পক্ষের আহতদের হাসপাতালে দেখতে গিয়েছি। প্রশাসনের উচিত সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া।"
মোহাম্মদ রেজাউল করিম (জামায়াত নেতা) তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতের নারী কর্মীদের প্রোগ্রামে বিএনপি বাধা দেয় এবং পরবর্তীতে পুরুষ নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। তিনি জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এসএম মেহেদী হাসান এবং পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি সংক্রান্ত সভা করেন। সেখানে এই সংঘর্ষের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় এবং উভয় পক্ষকে শান্ত থেকে নির্বাচনী বিধি মেনে চলার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুই মামলায় অজ্ঞাতনামাসহ মোট ৩৮৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষের ঘটনায় দুই পক্ষই থানায় পৃথক এজাহার দাখিল করেছে:
জামায়াতের মামলা, চরশাহী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড যুব জামায়াত সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন (নামীয় ১০ জন, অজ্ঞাত ১৬০ জন)।
বিএনপির মামলা, চরশাহী ইউনিয়ন বিএনপি কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে ২১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন (নামীয় ১৭ জন, অজ্ঞাত ২০০ জন)।
গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে চরশাহী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বটগাছতল এলাকায় এই সংঘর্ষ ঘটে। বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, জামায়াতের কর্মীরা 'মহিলা সভার' নামে ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) সংগ্রহ করছিলেন, যা নিয়ে বাধা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়। অন্যদিকে জামায়াতের দাবি, তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বিএনপি হামলা চালিয়েছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়ে বর্তমানে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি (বিএনপি প্রার্থী) তিনি বলেন, "ঘটনার সূত্রপাত আইডি কার্ড সংগ্রহ নিয়ে। তবে উভয়পক্ষের মধ্যেই অপরাধ প্রবণতা দেখা দিয়েছে। আমি উভয়পক্ষের আহতদের হাসপাতালে দেখতে গিয়েছি। প্রশাসনের উচিত সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া।"
মোহাম্মদ রেজাউল করিম (জামায়াত নেতা) তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতের নারী কর্মীদের প্রোগ্রামে বিএনপি বাধা দেয় এবং পরবর্তীতে পুরুষ নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। তিনি জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এসএম মেহেদী হাসান এবং পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি সংক্রান্ত সভা করেন। সেখানে এই সংঘর্ষের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় এবং উভয় পক্ষকে শান্ত থেকে নির্বাচনী বিধি মেনে চলার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন