মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকা-১৫ আসনের (মিরপুর-কাফরুল) পীরেরবাগ এলাকায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নেতাকর্মীদের বুধবার (২১ জানুয়ারি) দেখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান জানান, বর্তমানে হাসপাতালে মোট ২৫ জন আহত চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, “নির্বাচনী প্রচারণা তো আগামীকাল (২২ জানুয়ারি) থেকে শুরু হবে—তাহলে এমন হামলার কারণ কী?”
তিনি বলেন, কোনো প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। কিন্তু কোনো ব্যক্তি বা দলের মব সৃষ্টি করে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই। “আমরা এই মবের তীব্র নিন্দা জানাই। দুনিয়ার মানুষ এখন অনেক সচেতন—মব করে জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ,” বলেন তিনি।
আমীরে জামায়াত বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের কাছে নিজেদের বক্তব্য, অঙ্গীকার ও কর্মকাণ্ড তুলে ধরবে, আর জনগণ অতীত-বর্তমান বিবেচনায় ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। তিনি জানান, জামায়াত দুর্নীতি ও দুঃশাসনমুক্ত ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তারা জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট—এই দুই নির্বাচনে একসঙ্গে অংশগ্রহণ করবে।
৩০০ আসনের প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “জনগণের প্রতি আস্থা রাখুন। জনগণ যেন শান্তিপূর্ণভাবে তার ভোট পছন্দের প্রতীক ও বাক্সে পৌঁছাতে পারে সেই সুযোগ দিন। যিনি নির্বাচিত হবেন, সব দলের দায়িত্ব হবে তাকে সহযোগিতা ও অভিনন্দন জানানো।”
তিনি আরও বলেন, গত সাড়ে পনেরো বছরে যারা ভোট দিতে পারেনি, সেই যুবসমাজ এবার শান্তিপূর্ণভাবে ব্যালটের মাধ্যমে তাদের জবাব দেবে। “একজন নাগরিকের সবচেয়ে বড় অধিকার ভোটের অধিকার—এই অধিকার কারও কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া যাবে না,” বলেন তিনি।
মহিলা ও পুরুষ কর্মীদের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে জামায়াত আমীর বলেন, “আমাদের ভাই ও মায়েদের গায়ে যারা হাত তুলেছে আমরা তাদের তীব্র নিন্দা জানাই।”
তিনি নির্বাচন কমিশন ও সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে সমতল মাঠ নিশ্চিত করতে হবে, সবাইকে সমান সুযোগ দিতে হবে এবং সন্ত্রাস ও দুর্বৃত্তপনায় জড়িতদের দল-মত নির্বিশেষে আইনের আওতায় আনতে হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকা-১৫ আসনের (মিরপুর-কাফরুল) পীরেরবাগ এলাকায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নেতাকর্মীদের বুধবার (২১ জানুয়ারি) দেখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান জানান, বর্তমানে হাসপাতালে মোট ২৫ জন আহত চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, “নির্বাচনী প্রচারণা তো আগামীকাল (২২ জানুয়ারি) থেকে শুরু হবে—তাহলে এমন হামলার কারণ কী?”
তিনি বলেন, কোনো প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। কিন্তু কোনো ব্যক্তি বা দলের মব সৃষ্টি করে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই। “আমরা এই মবের তীব্র নিন্দা জানাই। দুনিয়ার মানুষ এখন অনেক সচেতন—মব করে জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ,” বলেন তিনি।
আমীরে জামায়াত বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের কাছে নিজেদের বক্তব্য, অঙ্গীকার ও কর্মকাণ্ড তুলে ধরবে, আর জনগণ অতীত-বর্তমান বিবেচনায় ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। তিনি জানান, জামায়াত দুর্নীতি ও দুঃশাসনমুক্ত ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তারা জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট—এই দুই নির্বাচনে একসঙ্গে অংশগ্রহণ করবে।
৩০০ আসনের প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “জনগণের প্রতি আস্থা রাখুন। জনগণ যেন শান্তিপূর্ণভাবে তার ভোট পছন্দের প্রতীক ও বাক্সে পৌঁছাতে পারে সেই সুযোগ দিন। যিনি নির্বাচিত হবেন, সব দলের দায়িত্ব হবে তাকে সহযোগিতা ও অভিনন্দন জানানো।”
তিনি আরও বলেন, গত সাড়ে পনেরো বছরে যারা ভোট দিতে পারেনি, সেই যুবসমাজ এবার শান্তিপূর্ণভাবে ব্যালটের মাধ্যমে তাদের জবাব দেবে। “একজন নাগরিকের সবচেয়ে বড় অধিকার ভোটের অধিকার—এই অধিকার কারও কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া যাবে না,” বলেন তিনি।
মহিলা ও পুরুষ কর্মীদের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে জামায়াত আমীর বলেন, “আমাদের ভাই ও মায়েদের গায়ে যারা হাত তুলেছে আমরা তাদের তীব্র নিন্দা জানাই।”
তিনি নির্বাচন কমিশন ও সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে সমতল মাঠ নিশ্চিত করতে হবে, সবাইকে সমান সুযোগ দিতে হবে এবং সন্ত্রাস ও দুর্বৃত্তপনায় জড়িতদের দল-মত নির্বিশেষে আইনের আওতায় আনতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন