খুলনার পাইকগাছায় অবৈধ কয়লা চুল্লি ও ইটভাটার বিরুদ্ধে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে খুলনা-৬ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদের এক বিতর্কিত বক্তব্য ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
পাইকগাছা উপজেলার ৯নং চাঁদখালী ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে বনাঞ্চল ও সরকারি গাছ কেটে কাঠ কয়লা তৈরির অসংখ্য অবৈধ চুল্লি ও ইটভাটা গড়ে উঠেছে। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় গত ২১ জানুয়ারি পরিবেশ অধিদপ্তর, উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সমন্বয়ে এক যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ৩টি ইটভাটা ও ৫৩টি অবৈধ কয়লার চুল্লি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এই অভিযানে স্থানীয় সাধারণ মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করেছিলেন।
অভিযানের পর সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যান খুলনা মহানগর জামায়াতের আমির ও সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। সেখানে উপস্থিত স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “৫৪ বছর ধরে এখানে কয়লার চুল্লি জ্বলছে।
আপনারা যদি আমাকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনেন, তাহলে আমরা কাউকে এসব চুল্লিতে হাত দিতে দেবো না। আমরা ক্ষমতায় এলে কয়লার চুল্লিগুলো জ্বলবে।” উচ্ছেদ অভিযানকে ‘নির্মম হামলা’ আখ্যা দিয়ে তিনি অবশিষ্ট চুল্লিগুলো উচ্ছেদ না করতে প্রশাসনকে হুঁশিয়ারিও দেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব অবৈধ চুল্লির বিষাক্ত ধোঁয়ায় এলাকায় শ্বাসকষ্ট, হাঁপানিসহ নানা রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। ইটভাটার জন্য সরকারি খাস জমি ও ওয়াবদা সড়কের মাটি কেটে নেওয়ায় অবকাঠামোগত ঝুঁকিও বাড়ছে। জাতীয় ও আঞ্চলিক গণমাধ্যমে এ নিয়ে বারবার প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
পরিবেশ রক্ষা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একজন সংসদ সদস্য প্রার্থীর এমন অবস্থান নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, ভোটের রাজনীতির জন্য পরিবেশ দূষণকারী ও অবৈধ কার্যক্রমের পক্ষে অবস্থান নেওয়া দায়িত্বশীলতার পরিচয় নয়।
মাওলানা আবুল কালাম আজাদের এই বক্তব্যের ভিডিও বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
খুলনার পাইকগাছায় অবৈধ কয়লা চুল্লি ও ইটভাটার বিরুদ্ধে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে খুলনা-৬ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদের এক বিতর্কিত বক্তব্য ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
পাইকগাছা উপজেলার ৯নং চাঁদখালী ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে বনাঞ্চল ও সরকারি গাছ কেটে কাঠ কয়লা তৈরির অসংখ্য অবৈধ চুল্লি ও ইটভাটা গড়ে উঠেছে। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় গত ২১ জানুয়ারি পরিবেশ অধিদপ্তর, উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সমন্বয়ে এক যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ৩টি ইটভাটা ও ৫৩টি অবৈধ কয়লার চুল্লি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এই অভিযানে স্থানীয় সাধারণ মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করেছিলেন।
অভিযানের পর সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যান খুলনা মহানগর জামায়াতের আমির ও সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। সেখানে উপস্থিত স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “৫৪ বছর ধরে এখানে কয়লার চুল্লি জ্বলছে।
আপনারা যদি আমাকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনেন, তাহলে আমরা কাউকে এসব চুল্লিতে হাত দিতে দেবো না। আমরা ক্ষমতায় এলে কয়লার চুল্লিগুলো জ্বলবে।” উচ্ছেদ অভিযানকে ‘নির্মম হামলা’ আখ্যা দিয়ে তিনি অবশিষ্ট চুল্লিগুলো উচ্ছেদ না করতে প্রশাসনকে হুঁশিয়ারিও দেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব অবৈধ চুল্লির বিষাক্ত ধোঁয়ায় এলাকায় শ্বাসকষ্ট, হাঁপানিসহ নানা রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। ইটভাটার জন্য সরকারি খাস জমি ও ওয়াবদা সড়কের মাটি কেটে নেওয়ায় অবকাঠামোগত ঝুঁকিও বাড়ছে। জাতীয় ও আঞ্চলিক গণমাধ্যমে এ নিয়ে বারবার প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
পরিবেশ রক্ষা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একজন সংসদ সদস্য প্রার্থীর এমন অবস্থান নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, ভোটের রাজনীতির জন্য পরিবেশ দূষণকারী ও অবৈধ কার্যক্রমের পক্ষে অবস্থান নেওয়া দায়িত্বশীলতার পরিচয় নয়।
মাওলানা আবুল কালাম আজাদের এই বক্তব্যের ভিডিও বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন