রাজধানীর খিলক্ষেতে নিজ স্ত্রী ও তিন সন্তানকে একটি দোকানের ভেতর আটকা রেখে আটটি তালা ঝুলিয়ে পালিয়েছেন মো. কামাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি।
টিকটকার দ্বিতীয় স্ত্রীর প্ররোচনায় এই অমানবিক ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে খিলক্ষেত থানার নিকুঞ্জ-২ এলাকার ১৩ নম্বর রোডের ‘জিহাদ ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস’ নামক দোকানে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, কামাল হোসেন অত্যন্ত সুকৌশলে তার প্রথম স্ত্রী ও তিন সন্তানকে দোকানের ভেতরে ঢোকান। এরপর বাইরে থেকে একে একে আটটি তালা লাগিয়ে দিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে দোকানের ভেতর অবরুদ্ধ অবস্থায় মা ও শিশুদের আর্তচিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা জড়ো হন। পরে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করলে খিলক্ষেত থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তালা ভেঙে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে। উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া খিলক্ষেত থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) জীবনচন্দ্র দাস বলেন: "একটি গেটে আটটি তালা দেখে আমরা বিস্মিত হয়েছি। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর তালাগুলো ভেঙে ভেতরে আটকা পড়া মা ও শিশুদের সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।"
ভুক্তভোগী নারী জানান, তার স্বামী কামাল হোসেন টিকটকে আসক্ত। দ্বিতীয় স্ত্রীর প্ররোচনায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রথম পক্ষের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। তবে সন্তানদেরসহ তাকে এভাবে তালাবদ্ধ করে রাখা হবে, তা তিনি কল্পনাও করতে পারেননি।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত কামাল হোসেন পলাতক রয়েছেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় নিকুঞ্জ এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। খিলক্ষেত থানা পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর খিলক্ষেতে নিজ স্ত্রী ও তিন সন্তানকে একটি দোকানের ভেতর আটকা রেখে আটটি তালা ঝুলিয়ে পালিয়েছেন মো. কামাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি।
টিকটকার দ্বিতীয় স্ত্রীর প্ররোচনায় এই অমানবিক ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে খিলক্ষেত থানার নিকুঞ্জ-২ এলাকার ১৩ নম্বর রোডের ‘জিহাদ ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস’ নামক দোকানে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, কামাল হোসেন অত্যন্ত সুকৌশলে তার প্রথম স্ত্রী ও তিন সন্তানকে দোকানের ভেতরে ঢোকান। এরপর বাইরে থেকে একে একে আটটি তালা লাগিয়ে দিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে দোকানের ভেতর অবরুদ্ধ অবস্থায় মা ও শিশুদের আর্তচিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা জড়ো হন। পরে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করলে খিলক্ষেত থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তালা ভেঙে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে। উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া খিলক্ষেত থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) জীবনচন্দ্র দাস বলেন: "একটি গেটে আটটি তালা দেখে আমরা বিস্মিত হয়েছি। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর তালাগুলো ভেঙে ভেতরে আটকা পড়া মা ও শিশুদের সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।"
ভুক্তভোগী নারী জানান, তার স্বামী কামাল হোসেন টিকটকে আসক্ত। দ্বিতীয় স্ত্রীর প্ররোচনায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রথম পক্ষের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। তবে সন্তানদেরসহ তাকে এভাবে তালাবদ্ধ করে রাখা হবে, তা তিনি কল্পনাও করতে পারেননি।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত কামাল হোসেন পলাতক রয়েছেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় নিকুঞ্জ এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। খিলক্ষেত থানা পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

আপনার মতামত লিখুন