ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনে যথাযোগ্য মর্যাদায় ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করা হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে বারিধারার চ্যান্সারি ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন।
পতাকা উত্তোলনের পর তিনি ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু কর্তৃক জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণের নির্বাচিত অংশ পাঠ করে শোনান।
চ্যান্সারি ভবনে উপস্থিত ভারতীয় নাগরিক ও হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানে দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্যের মাধ্যমে ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ফুটিয়ে তোলা হয়।
এর আগে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে এই দিবস উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা ভারতের গণতান্ত্রিক যাত্রায় বাংলাদেশের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন:
"ভারত একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে। দুই দেশই এখন দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি এবং একে অপরের উন্নয়নের পরিপূরক।"
ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বর্তমানে ঢাকা ছাড়াও চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও সিলেটে অবস্থিত ভারতের সহকারী হাইকমিশনগুলোতেও দিবসটি পালিত হয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনে যথাযোগ্য মর্যাদায় ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করা হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে বারিধারার চ্যান্সারি ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন।
পতাকা উত্তোলনের পর তিনি ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু কর্তৃক জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণের নির্বাচিত অংশ পাঠ করে শোনান।
চ্যান্সারি ভবনে উপস্থিত ভারতীয় নাগরিক ও হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানে দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্যের মাধ্যমে ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ফুটিয়ে তোলা হয়।
এর আগে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে এই দিবস উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা ভারতের গণতান্ত্রিক যাত্রায় বাংলাদেশের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন:
"ভারত একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে। দুই দেশই এখন দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি এবং একে অপরের উন্নয়নের পরিপূরক।"
ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বর্তমানে ঢাকা ছাড়াও চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও সিলেটে অবস্থিত ভারতের সহকারী হাইকমিশনগুলোতেও দিবসটি পালিত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন