নজর বিডি

কেউ ঝগড়া পাকাতে আসলে ছেড়ে দেওয়া হবে না": খুলনায় ডা. শফিকুর রহমান

কেউ ঝগড়া পাকাতে আসলে ছেড়ে দেওয়া হবে না": খুলনায় ডা. শফিকুর রহমান

খুলনায় জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের জনসভার..........

শেখ মাহতাব হোসেন, খুলনা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমীর ডা. শফিকুর রহমান হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, "আমরা কারো পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া বাড়াতে চাই না। কিন্তু কেউ ঝগড়া পাকাতে আসলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। সমান ওজনের হিসাব-নিকাশ আপনাদের দিকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।"

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে খুলনা জেলা ও মহানগর জামায়াত আয়োজিত ১১ দলের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমীর বলেন, "পায়ে পাড়া দিয়ে মুখে ও পেটে ঘুষি মারবেন, আর আমরা চুপ থাকব—সেই দিন শেষ। কালো হাত বাড়ালে আমরা গালে হাত দিয়ে বসে থাকব না।" তিনি আরও বলেন, সাড়ে ১৫ বছর জামায়াতের ওপর চরম জুলুম হয়েছে, ঘরবাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভাঙা হয়েছে এবং নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে।

খুলনাকে 'শিল্পের রাজধানী' উল্লেখ করে তিনি আক্ষেপ করেন যে, বিগত ৫৪ বছরে শিল্প বিকশিত না হয়ে মুখ থুবড়ে পড়েছে। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি নিশ্চিত করা হবে, কোনো 'মামা-খালুর' তদবির চলবে না। বেকার ভাতা নয়, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। বন্ধ কলকারখানাগুলো পুনরায় চালু করা হবে।

খুলনাঞ্চলের জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততা সমস্যার সমাধানে স্থানীয় জনগণের সাথে আলোচনার মাধ্যমে উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

একটি বন্ধু সংগঠনের 'ফ্যামিলি কার্ড' ঘোষণার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, "একদিকে ফ্যামিলি কার্ড দিচ্ছেন, অন্যদিকে মায়ের গালে হাত দিচ্ছেন—এই দুইটা একসাথে চলে না। নিজের মাকে সম্মান না করলে বাংলাদেশের কোনো নারীকে সম্মান করা সম্ভব নয়।"

জনসভায় জামায়াতের আমীর ছাড়াও বক্তব্য রাখেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির নেতা রাশেদ প্রধান।

খুলনার বিভিন্ন আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা ও পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়: খুলনা-১: বাবু কৃষ্ণ নন্দী (দাঁড়িপাল্লা) খুলনা-২: এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল (দাঁড়িপাল্লা) খুলনা-৪: মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন (দেওয়াল ঘড়ি) খুলনা-৬: মাওলানা আবুল কালাম আজাদ (দাঁড়িপাল্লা)

পরিশেষে ডা. শফিকুর রহমান ১৩ই ফেব্রুয়ারির পর একটি অভিশাপমুক্ত ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


কেউ ঝগড়া পাকাতে আসলে ছেড়ে দেওয়া হবে না": খুলনায় ডা. শফিকুর রহমান

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

খুলনায় জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের জনসভার..........

শেখ মাহতাব হোসেন, খুলনা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমীর ডা. শফিকুর রহমান হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, "আমরা কারো পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া বাড়াতে চাই না। কিন্তু কেউ ঝগড়া পাকাতে আসলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। সমান ওজনের হিসাব-নিকাশ আপনাদের দিকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।"

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে খুলনা জেলা ও মহানগর জামায়াত আয়োজিত ১১ দলের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমীর বলেন, "পায়ে পাড়া দিয়ে মুখে ও পেটে ঘুষি মারবেন, আর আমরা চুপ থাকব—সেই দিন শেষ। কালো হাত বাড়ালে আমরা গালে হাত দিয়ে বসে থাকব না।" তিনি আরও বলেন, সাড়ে ১৫ বছর জামায়াতের ওপর চরম জুলুম হয়েছে, ঘরবাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভাঙা হয়েছে এবং নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে।

খুলনাকে 'শিল্পের রাজধানী' উল্লেখ করে তিনি আক্ষেপ করেন যে, বিগত ৫৪ বছরে শিল্প বিকশিত না হয়ে মুখ থুবড়ে পড়েছে। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি নিশ্চিত করা হবে, কোনো 'মামা-খালুর' তদবির চলবে না। বেকার ভাতা নয়, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। বন্ধ কলকারখানাগুলো পুনরায় চালু করা হবে।

খুলনাঞ্চলের জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততা সমস্যার সমাধানে স্থানীয় জনগণের সাথে আলোচনার মাধ্যমে উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

একটি বন্ধু সংগঠনের 'ফ্যামিলি কার্ড' ঘোষণার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, "একদিকে ফ্যামিলি কার্ড দিচ্ছেন, অন্যদিকে মায়ের গালে হাত দিচ্ছেন—এই দুইটা একসাথে চলে না। নিজের মাকে সম্মান না করলে বাংলাদেশের কোনো নারীকে সম্মান করা সম্ভব নয়।"

জনসভায় জামায়াতের আমীর ছাড়াও বক্তব্য রাখেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির নেতা রাশেদ প্রধান।

খুলনার বিভিন্ন আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা ও পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়: খুলনা-১: বাবু কৃষ্ণ নন্দী (দাঁড়িপাল্লা) খুলনা-২: এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল (দাঁড়িপাল্লা) খুলনা-৪: মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন (দেওয়াল ঘড়ি) খুলনা-৬: মাওলানা আবুল কালাম আজাদ (দাঁড়িপাল্লা)

পরিশেষে ডা. শফিকুর রহমান ১৩ই ফেব্রুয়ারির পর একটি অভিশাপমুক্ত ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত