১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলশানের লেকশোর গ্র্যান্ড হোটেলের ‘লা ভিতা’ হলে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ইশতেহার প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখপাত্র আসিফ মাহমুদসহ দলের শীর্ষ নেতারা এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ইশতেহারের মূল বিশেষত্বসমূহ:
জুলাই গণহত্যা, বিডিআর হত্যাকাণ্ড ও গুমসহ সব মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা।
একটি ‘ট্রুথ অ্যান্ড রিকন্সিলিয়েশন কমিশন’ এবং স্বাধীন মানবাধিকার সেল গঠন।
আমলাতন্ত্রে পারফরম্যান্সভিত্তিক পদোন্নতি ও প্রতি ৩ বছর অন্তর পে-স্কেল হালনাগাদ।
আগামী ৫ বছরে ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
মুদ্রাস্ফীতি ৬ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং সর্বনিম্ন মজুরি ঘণ্টায় ১০০ টাকা নির্ধারণ।
ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও রাজনৈতিক অধিকার খর্ব করা।
শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন এবং ৫ বছরে ৭৫% এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ।
এনআইডিভিত্তিক ডিজিটাল হেলথ রেকর্ড ও ন্যাশনাল হেলথ ইনস্যুরেন্স চালু।
উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে বিশেষায়িত স্বাস্থ্য জোন গঠন।
ভোটাধিকারের বয়স ১৬ বছর করা এবং ‘Youth Civic Council’ গঠন।
সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি নির্বাচন এবং ৬ মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটির বিধান।
কৃষকের জন্য সরাসরি ক্যাশব্যাক ভর্তুকি এবং ইটিপি (ETP) স্থাপন বাধ্যতামূলক করা।
ইলেকট্রিক ভেহিকল ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি।
সীমান্ত হত্যা বন্ধ এবং তিস্তাসহ আন্তর্জাতিক নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে আন্তর্জাতিক আদালতে যাওয়ার ঘোষণা।
সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বিশাল ‘রিজার্ভ ফোর্স’ গঠন ও সেনাবাহিনীতে ইউএভি (UAV) ব্রিগেড সংযোজন।
এনসিপি নেতৃবৃন্দ জানান, এই ইশতেহার কেবল প্রতিশ্রুতি নয়, বরং একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম এবং নাজুক জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য বিমোচনে দলটি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলশানের লেকশোর গ্র্যান্ড হোটেলের ‘লা ভিতা’ হলে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ইশতেহার প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখপাত্র আসিফ মাহমুদসহ দলের শীর্ষ নেতারা এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ইশতেহারের মূল বিশেষত্বসমূহ:
জুলাই গণহত্যা, বিডিআর হত্যাকাণ্ড ও গুমসহ সব মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা।
একটি ‘ট্রুথ অ্যান্ড রিকন্সিলিয়েশন কমিশন’ এবং স্বাধীন মানবাধিকার সেল গঠন।
আমলাতন্ত্রে পারফরম্যান্সভিত্তিক পদোন্নতি ও প্রতি ৩ বছর অন্তর পে-স্কেল হালনাগাদ।
আগামী ৫ বছরে ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
মুদ্রাস্ফীতি ৬ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং সর্বনিম্ন মজুরি ঘণ্টায় ১০০ টাকা নির্ধারণ।
ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও রাজনৈতিক অধিকার খর্ব করা।
শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন এবং ৫ বছরে ৭৫% এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ।
এনআইডিভিত্তিক ডিজিটাল হেলথ রেকর্ড ও ন্যাশনাল হেলথ ইনস্যুরেন্স চালু।
উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে বিশেষায়িত স্বাস্থ্য জোন গঠন।
ভোটাধিকারের বয়স ১৬ বছর করা এবং ‘Youth Civic Council’ গঠন।
সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি নির্বাচন এবং ৬ মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটির বিধান।
কৃষকের জন্য সরাসরি ক্যাশব্যাক ভর্তুকি এবং ইটিপি (ETP) স্থাপন বাধ্যতামূলক করা।
ইলেকট্রিক ভেহিকল ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি।
সীমান্ত হত্যা বন্ধ এবং তিস্তাসহ আন্তর্জাতিক নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে আন্তর্জাতিক আদালতে যাওয়ার ঘোষণা।
সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বিশাল ‘রিজার্ভ ফোর্স’ গঠন ও সেনাবাহিনীতে ইউএভি (UAV) ব্রিগেড সংযোজন।
এনসিপি নেতৃবৃন্দ জানান, এই ইশতেহার কেবল প্রতিশ্রুতি নয়, বরং একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম এবং নাজুক জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য বিমোচনে দলটি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন