চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের জনসভা থেকে ফেরার পথে বাকবিতণ্ডার জের ধরে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে
জেলা প্রতিনিধি, কুমিল্লা।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের জনসভা থেকে ফেরার পথে কথা কাটাকাটির জেরে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে উপজেলার জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের হাটবাইর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সোলেমান চৌধুরী, উপজেলা দক্ষিণ শিবিরের সভাপতি রিফাত সানি, জামায়াত কর্মী রবিউল হোসেন রকি, জাকারিয়া রাসেল ও কাজী রাসেলের নাম জানা গেছে। তাদের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন অভিযোগ করেন, জনসভা শেষে ফেরার পথে বিএনপির 'চিহ্নিত সন্ত্রাসী' মিজান খান, গাজী ইয়াছিন ও মোবারক চৌধুরীর নেতৃত্বে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এতে তাদের ৫ নেতাকর্মী আহত হন।
উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সোলেমান চৌধুরী পাল্টা দাবি করেন, জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিজানের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। বাধা দিতে গেলে বিএনপি নেতাদের ওপর পুনরায় হামলা চালানো হয়।
ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মাহমুদ কাওসার হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে পরিস্থিতি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের জনসভা থেকে ফেরার পথে বাকবিতণ্ডার জের ধরে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে
জেলা প্রতিনিধি, কুমিল্লা।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের জনসভা থেকে ফেরার পথে কথা কাটাকাটির জেরে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে উপজেলার জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের হাটবাইর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সোলেমান চৌধুরী, উপজেলা দক্ষিণ শিবিরের সভাপতি রিফাত সানি, জামায়াত কর্মী রবিউল হোসেন রকি, জাকারিয়া রাসেল ও কাজী রাসেলের নাম জানা গেছে। তাদের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন অভিযোগ করেন, জনসভা শেষে ফেরার পথে বিএনপির 'চিহ্নিত সন্ত্রাসী' মিজান খান, গাজী ইয়াছিন ও মোবারক চৌধুরীর নেতৃত্বে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এতে তাদের ৫ নেতাকর্মী আহত হন।
উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সোলেমান চৌধুরী পাল্টা দাবি করেন, জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিজানের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। বাধা দিতে গেলে বিএনপি নেতাদের ওপর পুনরায় হামলা চালানো হয়।
ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মাহমুদ কাওসার হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে পরিস্থিতি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আপনার মতামত লিখুন