চরিত্রবান ব্যক্তি কখনো চাঁদাবাজি করতে পারে না অন্যের হক নষ্ট করতে পারে না- অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
জয়পুরহাট জামায়াত মনোনীত ১১দলের দাঁড়িপল্লা প্রতিকের প্রার্থী এস এম রাশিদুল আলম সবুজের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট জেলা জামাতের আমির ফজলুর রহমান সাঈদ।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, “সৎ ও চরিত্রবান মানুষ কখনো চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত হতে পারে না।” তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় কোরআনকে সংযুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জামায়াত সরকার গঠন করলে, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা ও সংশ্লিষ্ট কারখানার মোট লভ্যাংশের ১০ শতাংশ শ্রমিকদের কে প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন , নারীদের কর্মঘণ্টা কমিয়ে দিনে ৫ ঘণ্টা নির্ধারণ, শিশু ও ষাটোর্ধ্ব নাগরিকদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ ও চিকিৎসাসেবা প্রদান এবং বেকারদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, “আমরা কখনো ফ্যামিলি কার্ডের নামে প্রতারণা করি না এবং বেকার ভাতা দিয়ে মানুষকে আরও অলস করে তোলার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না।” অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রতিশ্রুতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী বাস্তবসম্মত ও নৈতিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী।
দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী এস এম রাশেদুল আলম সবুজ বলেন,আপনাদের ভোটে আমি নির্বাচিত হতে পারলে মাদক মুক্ত সমাজ, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, বেকারদের কর্মসংস্থান, সর্বোপরি জয়পুরহাট ২ আসনের কৃষিবান্ধব অর্থনীতিকে সচল করার সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
জেলা সহকারি সেক্রেটারি হাসিবুল আলম লিটনের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়ার মন্ডল, জেলা সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট মামুনুর রশিদ, সাবেক ছাত্রনেতা ও জয়পুরহাট জজ কোর্টের নির্বাচিত সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মোমেন ফকির সহ সংশ্লিষ্ট আসনের অন্তর্ভুক্ত উপজেলাসুমহের আমির ও সেক্রেটারিগন । এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন এবি পার্টি, এনসিপি,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ ১১ দলের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ।
জনসভায় এবি পার্টির একমাত্র বিদ্রোহী প্রার্থী জাহিদুর রহমান একই মঞ্চে অবস্থান করে দাঁড়িপল্লা প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে তার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। এবং তার নেতাকর্মীদেরকে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে সর্বাত্মকভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন।
নির্বাচনী জনসভায় জয়পুরহাট-২ আসন (আক্কেলপুর- ক্ষেতলাল -কালাই) উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রাম থেকে হাজার হাজার নেতা-কর্মী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চরিত্রবান ব্যক্তি কখনো চাঁদাবাজি করতে পারে না অন্যের হক নষ্ট করতে পারে না- অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
জয়পুরহাট জামায়াত মনোনীত ১১দলের দাঁড়িপল্লা প্রতিকের প্রার্থী এস এম রাশিদুল আলম সবুজের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট জেলা জামাতের আমির ফজলুর রহমান সাঈদ।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, “সৎ ও চরিত্রবান মানুষ কখনো চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত হতে পারে না।” তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় কোরআনকে সংযুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জামায়াত সরকার গঠন করলে, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা ও সংশ্লিষ্ট কারখানার মোট লভ্যাংশের ১০ শতাংশ শ্রমিকদের কে প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন , নারীদের কর্মঘণ্টা কমিয়ে দিনে ৫ ঘণ্টা নির্ধারণ, শিশু ও ষাটোর্ধ্ব নাগরিকদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ ও চিকিৎসাসেবা প্রদান এবং বেকারদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, “আমরা কখনো ফ্যামিলি কার্ডের নামে প্রতারণা করি না এবং বেকার ভাতা দিয়ে মানুষকে আরও অলস করে তোলার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না।” অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রতিশ্রুতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী বাস্তবসম্মত ও নৈতিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী।
দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী এস এম রাশেদুল আলম সবুজ বলেন,আপনাদের ভোটে আমি নির্বাচিত হতে পারলে মাদক মুক্ত সমাজ, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, বেকারদের কর্মসংস্থান, সর্বোপরি জয়পুরহাট ২ আসনের কৃষিবান্ধব অর্থনীতিকে সচল করার সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
জেলা সহকারি সেক্রেটারি হাসিবুল আলম লিটনের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়ার মন্ডল, জেলা সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট মামুনুর রশিদ, সাবেক ছাত্রনেতা ও জয়পুরহাট জজ কোর্টের নির্বাচিত সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মোমেন ফকির সহ সংশ্লিষ্ট আসনের অন্তর্ভুক্ত উপজেলাসুমহের আমির ও সেক্রেটারিগন । এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন এবি পার্টি, এনসিপি,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ ১১ দলের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ।
জনসভায় এবি পার্টির একমাত্র বিদ্রোহী প্রার্থী জাহিদুর রহমান একই মঞ্চে অবস্থান করে দাঁড়িপল্লা প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে তার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। এবং তার নেতাকর্মীদেরকে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে সর্বাত্মকভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন।
নির্বাচনী জনসভায় জয়পুরহাট-২ আসন (আক্কেলপুর- ক্ষেতলাল -কালাই) উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রাম থেকে হাজার হাজার নেতা-কর্মী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। 
আপনার মতামত লিখুন