খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর বালিকা বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা জামায়াত আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন
শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা)
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনের (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) সংসদ সদস্য প্রার্থী সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, রাজনৈতিক স্বার্থে কাউকে ‘রাজাকার’ বা ‘জঙ্গি’ আখ্যা দেওয়ার সংস্কৃতি দেশের মানুষ আর গ্রহণ করছে না।
তিনি বলেন, “বিএনপি যখন অতীতে জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ ছিল, তখন যুদ্ধাপরাধ বা জঙ্গিবাদ নিয়ে অভিযোগ তোলেনি। এখন সঙ্গে না থাকলেই জঙ্গি—এমন দ্বিচারিতা জনগণ বুঝে গেছে।”
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর বালিকা বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা জামায়াত আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি চেয়ারম্যানের সাম্প্রতিক বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “লন্ডন থেকে এসে কে মুনাফেক আর কে কাফের—এই ফতোয়া দেওয়ার অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি। জামায়াত আমিরের নামে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। হ্যাকিংয়ের পরপরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল প্রমাণ করে এর পেছনে কারা জড়িত।”
নির্বাচনী প্রচারে নারী কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “দাঁড়িপাল্লার পক্ষে প্রচারণা চালানোর সময় আমাদের মা-বোনদের বোরখা ও হিজাব টেনে ধরা হচ্ছে, শারীরিক নির্যাতন করা হচ্ছে। ক্ষমতা যাওয়ার আগেই যদি মায়েদের বস্ত্র খুলে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়, তবে ক্ষমতায় গেলে এই দল সারা দেশের মানুষের সাথে কী আচরণ করবে তা সহজেই অনুমেয়।” তিনি শেরপুরে জামায়াত নেতা হাফেজ রেজাউল করিমকে হত্যার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, নির্বাচনের আগেই খুনের রাজনীতি তাদের পুরনো রূপ ফুটিয়ে তুলছে।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “হিন্দু-মুসলিম বিভেদ সৃষ্টি করে রাজনীতি করার দিন শেষ। ডুমুরিয়া-ফুলতলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে আমরা সবসময় আছি এবং থাকব। ‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে দেশ পাকিস্তান হবে’—এই প্রচারণাকে ভিত্তিহীন ও হাস্যকর বলে উড়িয়ে দেন তিনি।
জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, “আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে কেউ ভোট ডাকাতি করতে এলে ছাত্রসমাজ গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলবে। আমরা আমাদের ভোটাধিকার নিয়ে তবেই ঘরে ফিরব।”
ডুমুরিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে জনসভায় খুলনা জেলা ও মহানগর জামায়াত এবং শিবিরের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় হিন্দু কমিটির নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর বালিকা বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা জামায়াত আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন
শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা)
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনের (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) সংসদ সদস্য প্রার্থী সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, রাজনৈতিক স্বার্থে কাউকে ‘রাজাকার’ বা ‘জঙ্গি’ আখ্যা দেওয়ার সংস্কৃতি দেশের মানুষ আর গ্রহণ করছে না।
তিনি বলেন, “বিএনপি যখন অতীতে জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ ছিল, তখন যুদ্ধাপরাধ বা জঙ্গিবাদ নিয়ে অভিযোগ তোলেনি। এখন সঙ্গে না থাকলেই জঙ্গি—এমন দ্বিচারিতা জনগণ বুঝে গেছে।”
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর বালিকা বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা জামায়াত আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি চেয়ারম্যানের সাম্প্রতিক বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “লন্ডন থেকে এসে কে মুনাফেক আর কে কাফের—এই ফতোয়া দেওয়ার অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি। জামায়াত আমিরের নামে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। হ্যাকিংয়ের পরপরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল প্রমাণ করে এর পেছনে কারা জড়িত।”
নির্বাচনী প্রচারে নারী কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “দাঁড়িপাল্লার পক্ষে প্রচারণা চালানোর সময় আমাদের মা-বোনদের বোরখা ও হিজাব টেনে ধরা হচ্ছে, শারীরিক নির্যাতন করা হচ্ছে। ক্ষমতা যাওয়ার আগেই যদি মায়েদের বস্ত্র খুলে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়, তবে ক্ষমতায় গেলে এই দল সারা দেশের মানুষের সাথে কী আচরণ করবে তা সহজেই অনুমেয়।” তিনি শেরপুরে জামায়াত নেতা হাফেজ রেজাউল করিমকে হত্যার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, নির্বাচনের আগেই খুনের রাজনীতি তাদের পুরনো রূপ ফুটিয়ে তুলছে।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “হিন্দু-মুসলিম বিভেদ সৃষ্টি করে রাজনীতি করার দিন শেষ। ডুমুরিয়া-ফুলতলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে আমরা সবসময় আছি এবং থাকব। ‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে দেশ পাকিস্তান হবে’—এই প্রচারণাকে ভিত্তিহীন ও হাস্যকর বলে উড়িয়ে দেন তিনি।
জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, “আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে কেউ ভোট ডাকাতি করতে এলে ছাত্রসমাজ গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলবে। আমরা আমাদের ভোটাধিকার নিয়ে তবেই ঘরে ফিরব।”
ডুমুরিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে জনসভায় খুলনা জেলা ও মহানগর জামায়াত এবং শিবিরের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় হিন্দু কমিটির নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

আপনার মতামত লিখুন